আগৈলঝাড়ায় মাদকসহ দুইজনকে গ্রেফতারের পরে একজনকে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

স্টাফ রিপোর্টারঃ- বরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাদকসহ দুইজনকে গ্রেফতারের পরে একজনকে অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। পুলিশের ত্রহেন কর্মকান্ডের জন্য এলাকার সাধারন লোকজনের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। এঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌরনদী সার্কেল (এসপি) বলেন, এরকম ঘটনায় তথ্য প্রমান পেলে তদন্ত করে ওই পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগ ও স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের দক্ষিন শিহিপাশা গ্রামের কামরুজ্জামান খান বাদশার ছেলে রাহাত খান ও জয়দেব রায়ের ছেলে শিবু রায়কে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ১০পিচ ইয়াবাসহ দক্ষিন শিহিপাশা(ভুমি অফিস সংলগ্ন)এলাকা থেকে গ্রেফতার করে এএসআই আবু সালেহ। গ্রেফতারের পরে শিবু রায়কে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে ঘটনাস্থল থেকে ছেড়ে দিয়ে আসার অভিযোগ উঠেছে আগৈলঝাড়া থানার এএসআই আবু সালেহ’র বিরুদ্ধে। এসময় গ্রেফতারকৃত অপরজন রাহাত খানকে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার কথা হলেও জানাজানির পর রাহাতকে মাদক মামলায় গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করা হয়। অর্থের বিনিময়ে মাদকসহ গ্রেফতার হওয়া একজনকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা আগৈলঝাড়া থানার ওসি (তদন্ত) মুহাম্মাদ জহিরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি কথা শেষ না করেই মাঝ খানে ফোন কেটে দেন।
এঘটনায় গৈলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম টিটু সাংবাদিকদের বলেন, মাদকসহ দুইজনকে আটকের পরে একজনকে ছেড়ে দেওয়ার কথা শুনেছি। মাদক বহন ও সেবন একই অপরাধ। মাদকের বিরুদ্ধে কেউ সুপারিশ করলে তাকেও আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।
এব্যাপারে অভিযুক্ত এএসআই আবু সালেহ বলেন, মাদকসহ রাহাত খানকে গ্রেফতার করার সময় শিপু ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তার কাছে কোন মাদক না পাওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয়নি। আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
এব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গৌরনদী সার্কেল এসপি) শারমিন সুলতানা রাখী সাংবাদিকদের বলেন, এএসআই আবু সালেহ যদি মাদকসহ গ্রেফতার করে কাউকে ছেড়ে দিয়ে থাকে, তবে তথ্য প্রমানের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ