ঢাবিস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আল-আমিন সম্পাদক রাকিবুল

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নতুন কমিটি(আংশিক) ঘোষণা করা হয়েছে৷ নতুন কমিটির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক মানবসম্পদ বিষয়ক উপ সম্পাদক নূর আল আমিন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন বিজয় একাত্তর হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান ৷

এই কমিটি কে আগামী এক বছরের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে৷ গতকাল ২১ জানুয়ারি (শনিবার) সদ্য সাবেক সভাপতি সাকিব আল হাসান এবং সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইরফান খন্দকার সোহেল ও অন্যান্য উপদেষ্টা সদস্যদের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়৷

এছাড়াও ১৬ সদস্যের এই কমিটির সহ সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন জুবায়ের রহমান ছাফির, সোনিয়া আক্তার, জাকিয়া জাহান এনি,মোশাররফ হোসাইন, গোলাম সায়েদ,
ইফতে খাইরুল ইসলাম পলাশ
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন রায়হান সরকার , নাহিদ হাসান,এ এইচ বাবলু,সাদিয়া সুলতানা পহেলী,সোনিয়া আক্তার, সাকিন মোল্লা, আকরাম হোসেন।

নূর আল আমিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্চারামপুর উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের সন্তান ও রাকিবুল হাসান কসবা উপজেলার তালতলা গ্রামের সন্তান। উভয়ই স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থী৷

উল্লেখ্য, প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠনের মধ্যে অন্যতম একটি বৃহত্তম সংগঠন তিতাস – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়স্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদ ৷ নিয়মিত সেশনের পাশাপাশি সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনায় যুক্ত রয়েছে।

নবনির্বাচিত সভাপতি নূর আল আমিন জানান, “তিতাস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়স্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদ ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আগত ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে একটি আবেগ ও প্রাণের সংগঠন ৷ ক্যাম্পাসে প্রতিষ্ঠার এক বছরেই মধ্যেই সংগঠনটি আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই ধারা আমরা অব্যাহত রাখার জন্য কাজ করে যাব।

সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান বলেন, “ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যারা পড়াশোনা করেন তাদের সবাইকে এই সংগঠনের সাথে সংশ্লিষ্ট করে সংগঠনটিকে আরো বেশি গতিশীল এবং সুনিপুণ করতে চাই। ঢাবির বুকে আমাদের সংগঠন যেন অনন্য স্বাক্ষর রেখে যেতে পারে সে চেষ্টা করবো। নতুন কমিটির কাছে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা অনেক বেশি৷ বিষয়টি মাথায় রেখে সর্বোপরি সংগঠন কে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং সংগঠনের গতিশীলতা বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে আমরা সর্বদা বদ্ধপরিকর৷”

সর্বশেষ