Thursday, June 30, 2022
Homeঅর্থনীতিCollective planning must to cope with reduced Rohingya aid : CCNF

Collective planning must to cope with reduced Rohingya aid : CCNF

Collective planning must to cope with reduced Rohingya aid : CCNF

 

Dhaka June 15 2022 :

Today Cox’s Bazar Civil Society and NGO Forum (CCNF), a network of 60 local organizations organized a webinar titled “Humanitarian Response to Forcefully Displaced Myanmar Nationals (FDMN)”.

Shireen Huq of Naripokka chaired the session.

Speakers of the webinar urged to engage Rohingyas in meaningful work, they also urged for collective planning to cope with reduce level of aid and also to initiate effort to regeneration of nature in the camp, especially banning plastic use and stop using of ground water.

KM Tariqul Islam Director General NGO Affairs Bureau was the chief guest. Johannes van der Klaauw, Country Representative UNHCR, Abdusattar Eosev, Country Representative of IoM, Sheila Gurdum WFP Cox’s Bazar office chief, Dilruba Haider from UN Women, Jahangir Kabir Chowdury, Chairman, Rajapalong Union of Ukhiya has participated as Guests. The webinar was moderated by Abu Morshed Chowdhury ED PHALS, Rezaul Karim Chowdhury and Zahangir Alam of COAST moderated the webinar.

Other speakers of the webinar are Maheen Chowdhury of Save the Children, Mahadi Mahmud of Norwegian Refugee Council, Nayeem Gowhar Warha of Disaster Forum, Asif Munier Migration and Refugee Expert, Sheuly Sharma of Jago Nari and Helal Uddin of Agrajatra. Additional Refugee Relief and Repatriation Commissioner Mr. Shamsuddoha and Additional Deputy Commissioner Mr. Nashim has also spoke on the occasion.

KM Tariqul Islam, Director General NGO Affairs Bureau said, aid for Rohinga response is being declined for global crisis. So, government and donors should find pragmatic ways to attract global donors.

Arifur Rahman of YPSA gave keynote presentation, where key demands are transparency of aid, urged UN and INGOs to limit its role for fundraising, monitoring and technical assistance, while local and national NGOs to lead the field operation.  

Shireen Huq as the chair of the webinar, urged the government to announce a plan and redouble on global campaign on repatriation. She and Mr. Nayeem Gowhar Warha also urged the government to consider signing the Geneva convention on Refugees, as the nation was a refugee during 1971, and now the country is facilitating Rohingya refugees. She said that these will enhance Bangladesh’s reputation.

Ashis Damle of Oxfam requests INGOs to initiate a global campaign so that there will be early repatriation and there will be consistent attention on Rohingya issues, he said these are the best help to Bangladesh.

ilruba Haider of UNWomen said that Rohingya women in the camp now want to participate in the response management, they organize themselves against violence against women. Mr. Asif Munier said, there should be documentation of good work and its process, especially to facilitate knowledge transfer to the local humanitarian workers.

Johannes van der Klaauw said the role of local NGOs most important, including UN agencies INGOs should give importance in this regard. Mr. Rajan Ghimrie of Multeser International gives importance on capacity inputs to organizational building of local organizations.

Abdussattar Eosev of IoM said that, for dignified repatriation there has to be collective effort, there are a lot of tensions around Rohingya, we all have to be concerned in this regard.

Abu Morshed Chowdhury said, localization road map has to be implemented, he gave importance on participation of local government in response management. 

 

বৈশ্বিক তহবিল ঘাটতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সমন্বিত পরিকল্পনা অতীব জরুরী : নাগরিক সমাজের তাগিদ

 

ঢাকা ১৫ জুন ২০২২ :

আজ কক্সবাজার সিভিল সোসাইটি ও এনজিও ফোরাম (সিসিএনএফ), যা ৬০ টি এনজিও’র একটি নেটওয়ার্ক “বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিকদের জন্য মানবিক কর্মকান্ড” বাস্তবায়ন শীর্ষক এক ওয়েবিনারের আয়োজন করে।

এতে সভাপতিত্ব করেন নারীপক্ষের শিরীন হক।

ওয়েবিনারে বক্তারা রোহিঙ্গাদের গঠনমূলক কাজে স¤পৃক্ত করার আহ্বান জানান, পাশাপাশি যেহেতু বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সংকটের কারণে সহায়তার পরিমাণ কমে যাচ্ছে তাই তার সাথে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে তারা একটি সম্মিলিত পরিকল্পনার তৈরির উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং ক্যা¤েপ বিভিন্ন কার্যক্রম বিশেষ করে প্লাস্টিক ব্যবহার নিষিদ্ধ করা এবং ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার সীমিত করা, ইত্যাদির মধ্য দিয়ে প্রকৃতি পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা শুরু করারও আহ্বান জানান। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কে এম তরিকুল ইসলাম, মহাপরিচালক, এনজিও বিষয়ক ব্যুরো।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জোহানেস ভ্যানডার ক্লাউ, কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ, ইউএনএইচসিআর; আবদুসাত্তার ইওসেভ, কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ, আইওএম; শীলা গুরুদুম, প্রধান, কক্সবাজার অফিস, ডব্লিউএফপি; দিলরুবা হায়দার, ইউএন উইমেন এবং জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, চেয়ারম্যান, রাজাপালং ইউনিয়ন, উখিয়া। ওয়েবিনারটি পরিচালনা করেন আবু মোর্শেদ চৌধুরী, প্রধান নির্বাহী, পালস; রেজাউল করিম চৌধুরী, নির্বাহী পরিচালক, কোস্ট ফাউন্ডেশন এবং জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক, কোস্ট ফাউন্ডেশন।
ওয়েবিনারের অন্য বক্তারা হলেন মাহিন চৌধুরী, সেভ দ্য চিলড্রেন; মাহাদী মাহমুদ, নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিল; নাঈম গওহর ওয়ারহা, ডিজাস্টার ফোরাম; আসিফ মুনির, মাইগ্রেশন অ্যান্ড রিফিউজি এক্সপাট; শিউলি শর্মা, জাগো নারী ও মোঃ হেলাল উদ্দিন, অগ্রযাত্রা।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন শামসুদ্দোহা, অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার এবং মোঃ নাসিম আহম্মেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক।

এনজিও ব্যুরোর ডিজি এম তারিকুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক সংকটের কারণে রোহিঙ্গাদের জন্য এইড সহায়তা দিনকে দিন কমে যাচ্ছে। তাই সরকার ও দাতা সংস্থাগুলোর উচিৎ হবে বৈশ্বিক দাতাদের আকৃস্ট করার জন্য উপযুক্ত পন্থা খুঁজে বের করা।

ইপসা’র আরিফুর রহমান তার উপস্থাপনায় বলেন, এখানে মূল বিষয়বস্তু হলো এইড প্রদানে স্বচ্ছতা আনা। তিনি আরো বলেন, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠানগুলো ও আন্তর্জাতিক এনজিওগুলো শুধু তহবিল সংগ্রহ, মনিটরিং ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদানের মতো কাজের নিজেদের নিয়োজিত রাখা উচিৎ। আর স্থানীয় এনজিওগুলোর কাজ হবে মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন।

সভার সভাপতি শিরীন হক সরকারের প্রতি গুরুত্বারোপ করে বলেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বিষয়ে সরকারের উচিৎ একটি পরিকল্পনা ঘোষণা করা এবং এ্যাডভোকেসির জন্য গোলটেবিলের আয়োজন অব্যাহত রাখা। গওহের নাঈম ওয়ারার সাথে মিলিয়ে তিনি আরো বলেন, সরকার জেনেভা কনভেনশন স্বাক্ষর করা উচিৎ।

আমরাও স্বাধীনতা যুদ্ধ চলা কালীন রিফিউজি হিসেবে ভারতে আশ্রয় নিয়েছি। রোহিঙ্গারাও আমাদের দেশে এক সংকটে আশ্রয় নিয়েছে। আশ্রয়দানের ফলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিশ্ব দরবারে উজ্জ্বল হয়েছে।

অক্সফাম বাংলাদেশের দেশিয় পরিচালক আশীষ দালমে রেিিহঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক শীর্ষ পর্যায়গুলো আন্তর্জাতিক এনজিওগুলোর জাতিসংঘ ও দাতাদেশগুলোতে জোরেসোরে এ্যাডভোকেসি করার কথা বলেন।
ইউএন ওমেন এর দিলরুবা হায়দার বলেন, রোহিঙ্গা নারীরা নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে কাজ শুরু করছে। তারা মানবিক কর্মকান্ডগুলোতেও অংশ নিতে চায়। আসিফ মুনির উত্তম কেসগুলোর ধারাবাহিক ডকুমেন্টেশন বিশেষ করে যেগুলোতে মানবিক কর্মকান্ডের উত্তম দিক রয়েছে সেগুলোকে শিখনের জন্য ডকুমেন্টেশনের প্রতি গুরুত্বরোপ করেন।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক প্রতিনিধি জোহানেস বলেন, রোহিঙ্গা ব্যবস্থাপনায় জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক এনজিও সহ স্থানীয় এনজিওগুলোর ভূমিকা অপরিসীম। আমাদের তাদের কথা ভাবতে হবে।

মালটেজার ইন্টারন্যাশনালের দেশিয় ব্যবস্থাপক রাজন ঘিমিরি রোহিঙ্গা ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় এনজিওগুলো সক্ষমতা বৃদ্ধির কথা বলেন। আইওএম এর আব্দুস সাত্তার ইসোএভ বলেন, রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূণ প্রত্যাবাসনে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। রোহিঙ্গাদের ঘিরে নানা টেনশন বিরাজ করছে।

অমাদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আবু মোরশেদ চৌধুরী বলেন, লোকালাইজেশন রোডম্যাপ বাস্তবায়নে জোর দিতে হবে। তিনি রোহিঙ্গা ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সরকারের অংশগ্রহণের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular