Saturday, June 25, 2022
Homeবিভাগীয় খবরঢাকা৪১ শতাংশ শ্রমজীবী মানুষের স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ নেই : ঐক্য ন্যাপ

৪১ শতাংশ শ্রমজীবী মানুষের স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ নেই : ঐক্য ন্যাপ

৪১ শতাংশ শ্রমজীবী মানুষের স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ নেই : ঐক্য ন্যাপ

 

ঢাকা ২৪ মে ২০২২ :

 

গত ২০ মে, ২০২২ শুক্রবার, ঐক্য ন্যাপ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জননেতা পঙ্কজ ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের এডভোকেট আসাদুল্লাহ তারেক এর সঞ্চালনা কেন্দ্রীয় কমিটির বর্ধিত সভা মণিসিংহ ফরহাদ স্মৃতি ট্রাষ্ট-এ অনুষ্ঠিত হয়।

তার আলোকে আজ ২৪ মে, ২০২২ মঙ্গলবার ঢাকাস্থ কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় আগামী করনীয় সম্পর্কে আলোচনা হয়।

সভার গৃহীত প্রস্তাবাবলী :

আন্দোলন সংগ্রামের মাসে ৪ঠা জুন দেশব্যাপী দাবী দিবসে পালন করুণ।

১. তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ সহ সকল নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি দৈনন্দিন জীবনে অর্থনৈতিক দূর্ভোগ, লুটেরা, পাচারকারী, সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী, মুনাফাখোর, দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসন, হত্যা-গুম, নারী-শিশু নির্যাতন এবং আদিবাসীদের উপর নিপীরনের বিরুদ্ধে মাসব্যাপী আন্দোলন সংগ্রাম সংগঠিত করুণ।

২. ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ন্যাপের বিভিন্ন অংশকে একিভুত করার উদ্যোগ গ্রহন এবং ১৯৭২ সালের সংবিধানের ৪ মূলনীতিতে বিশ্বাসী সমমনা দল গুলোকে নিয়ে সমাজ পরিবর্তনের লক্ষ্যে যুগপৎ/ঐক্যবদ্ধ হয়ে দ্বি-ধারার বিরুদ্ধে বিকল্প শক্তি গড়ে তুলুন।

৩. “জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দাও, দিতে হবে” এই লক্ষ্যে এখন থেকেই সর্বাত্বক আন্দোলন গড়ে তুলুন।

আলোচনায় নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি একদিকে বিশ^ মহামারী করোনার বিপর্যয় কাটতে না কাটতে এবং ইউক্রেন ও রাশিয়ার চলমান যুদ্ধে বিশ^ব্যাপী জ¦ালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির অজুহাতে অসাধু, সুযোগ সন্ধানী ব্যবসায়ী চক্র দেশে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য লাগামহীন ভাবে বৃদ্ধি করছে।

যা  সাধারণ মানুষ বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে। অপরদিকে শ্রমজীবী মানুষের উপার্জন এবং মজুরী কমছে।

শ্রমজীবী মানুষের কর্মব্যতি বেকারত্ব বৃদ্ধি, পরিবহন সেক্টরের চাঁদাবাজি সহ নানান কারণে জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা।

সাধারণ মানুষ বিশেষ করে শ্রমিক শ্রেনীর আয় হ্রাস পাওয়ায় এবং বাজার মূল্যের সাথে সমন্বয় না থাকায় পরিবার পরিজন সহ চাপা উত্তেজনা বুকে নিয়ে দুর্বিসহ জীবন কাটাচ্ছে।

চলতি অর্থবছরে ৯ মে থেকে আমাদের মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ২৮২৪ ডলার। অথচ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদনে বলছে দেশের ৭১ শতাংশ মানুষের আয় কমেছে।

৪১ শতাংশ শ্রমজীবী মানুষের স্বাস্থ্যকর খাবার কেনার সামর্থ নেই।  করোনা মহামারীতে দেশে প্রায় ৩ কোটি মানুষ নতুন করে দারিদ্র সীমার নিচে অবস্থান করছে।

যারা দারিদ্র সীমার নিচে ছিলেন তাদের অবস্থা আরো খারাপ হয়েছে। একদিকে এক শ্রেণীর মানুষের আয় হ্রাস অপর দিকে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির এই চিত্র সম্পদ বন্টনে তীব্র বৈসম্যের স্বাক্ষ্য বহন করে।

করোনাকালীন সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের অর্থনীতি চাকা সচল রাখতে শ্রমজীবী মানুষ তাদের ভূমিকা পালনে কোনো অবহেলা করে নি।

দেশের সম্পদ বাড়লেও এই সম্পাদ বৃদ্ধির মূল কারিগররা বরাবরই বঞ্চিত হচ্ছে সকল সুবিধা থেকে।  এরই মধ্যে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেইরা কমিশন কর্তৃক বিদ্যুতে মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব জাতীয় অগ্রযাত্রায় বাঁধাগ্রস্ত ও উন্নয়নের পরিপস্থি বলে আমরা মনে করছি।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular