বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে নীলদলের ওয়েবিনার

মোছা.জান্নাতী বেগম, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ৩১শে মার্চ (বৃহস্পতিবার) , টাঙ্গাইলের মহেরা জমিদার বাড়িতে জাঁকজমকপূর্ণভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

দিনভর আড্ডা,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান,খাওয়া-দাওয়া,রাফেল ড্র সহ বিভিন্ন আনন্দ অনুষ্ঠানে মেতে উঠেন ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা। রাফেল ড্র এর প্রথম পুরস্কার ছিলো মোবাইল ফোন এবং এছাড়াও আরো ২৯টি পুরস্কার ছিলো।

৩১শে মার্চ সকাল ৮টায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে ৩টি এবং ময়মনসিংহ শহর থেকে একটি বাস টাঙ্গাইলের মহেড়া জমিদার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়।সেখানে পৌঁছে বিভিন্ন অনুষ্ঠান দুপুরের খাবার গ্রহণ সহ নানা আনন্দে মেতে উঠে উক্ত বিভাগের শিক্ষার্থীরা।সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ছিলো নাচ,গান,কবিতা আবৃত্তি। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ছিলো এতে।

বার্ষিক বনভোজনে শিক্ষার্থীরদের সাথে বনভোজনে উপস্থিত ছিলেন ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং সহযোগী অধ্যাপক মো.তারিকুল ইসলাম,মো.হাবিবুর রহমান (সহকারী ),সহকারী অধ্যাপক চন্দন কুমার পাল এবং আসলাম মাহমুদ।

পড়াশোনার একঘেয়ে ভাব দূর করতে এবং মানসিক প্রশান্তির ও প্রফুল্ল মনোভাবের জন্য বনভোজন ও সাংস্কৃতিক আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে মনে করেন বিভাগের শিক্ষকগণ।

এ নিয়ে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক চন্দন কুমার পাল বলেন,সকল ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বন্ধন ও ভাতৃত্ববোধ সৃষ্টি করার জন্যই মূলত এই বনভোজনের আয়োজন।আমরা আশা করছি, প্রতি বছর এমন বনভোজনের আয়োজন করতে পারবো।

বনভোজনের অনুভূতি জানতে চাইলে ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী মাহবুব অনিক বলেন,জীবনের অন্যতম সেরা একটা দিন ছিলো।
আমাদের স্যার রা আমাদের সাথে কতটা আন্তরিক এটা আমরা ভালোভাবে টের পেয়েছি।সব কিছু মিলিয়ে অনেক উপভোগ করছি।এমন ট্যুর যেনো প্রতি বছর আয়োজন করা হয়।

২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবুল খায়ের মুন্না বলেন, আসলে শিক্ষা সফরের মাধ্যমে দর্শনীয় স্থান ঘুরার পাশাপাশি প্রতিটা ব্যাচের একে অপরের সাথে সম্পর্কটা আরও দৃঢ় হয়,অভ্যন্তরীণ ভাতৃত্ব সৃষ্টি হয় ।
নিঃসন্দেহে এটি ফিন্যান্স ব্যাংকিং বিভাগের অসাধারণ উদ্দ্যোগ । আশা করি প্রতিবছর এটি অব্যহত থাকবে যেন প্রতিবছর অন্তত একটা দিন বিভাগের জুনিয়র সিনিয়র ও শিক্ষক মহোদয়রা সবাই এক হতে পারি ৷

উল্লেখ্য,সর্বশেষ ২০১৯ সালে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের বার্ষিক বনভোজন আয়োজিত হয়েছিলো।

সর্বশেষ