অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের শাস্তি কমানোর আবেদন করেছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। চলমান বঙ্গবন্ধু ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটের ৪০তম ম্যাচে আবাহনী লিমিটেডের বিপক্ষে ম্যাচে লাথি দিয়ে স্টাম্প ভাঙ্গার পাশাপাশি, স্টাম্প ছুঁড়ে ফেলায় আচরণবিধি ভঙ্গ করায় শাস্তি হিসেবে মোহামেডান অধিনায়ক সাকেবকে তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
কাস্তি কমানোর জন্য আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে মোহামেডান ক্রিকেট কমিটি চেয়ারম্যান মাসুদুজ্জামান জানিয়েছেন ইতোমধ্যে এ বিষয়ে ঢাকা মহানগরী ক্রিকেট কমিটির (সিসিডিএম) কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে।
তবে সিসিডিএম সদস্য সচিব আলী হোসেন জানান, তারা এখনও চিঠিটি পাননি।
আজ সংবাদমাধ্যমকে মাসুদুজ্জামান বলেন, ‘সাকিবের শাস্তি কমাতে সিসিডিএমের কাছে আমরা আবেদন করেছি। বিসিবির সিদ্ধান্ত নেয়ার পরে আমরা গতরাতে মেইল করেছিলাম। আজ আমি সরাসরি সিসিডিএমের কাছে লিখেছি ।’
সিসিডিএম চিঠিটি না পাবার পর তিনি বলেন, ‘সিসিডিএম কেন এটি পেল না, তা আমি জানি না। আমরা গতরাতে তাদের মেইল পাঠিয়েছি এবং তারা যদি মেইলটি খোঁজ করেন, তবে তারা দেখতে পাবেন।’
অখেলোয়াড়সুলভ আচরনে লেভেল-৩ এর ভঙ্গ করায় সাকিবকে ডিপিএলের তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এক বিবৃতি বিসিবি জানায়, ‘আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডের সাকিব আল হাসানকে চলমান বঙ্গবন্ধু ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে তিনটি ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ১১ জুন আবাহনী লিমিটেডের বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালীন দু’বার আচরণবিধি লঙ্ঘন করেন এই অলরাউন্ডার।’
সেখানে আরও বলা হয়, ‘আবাহনী ইনিংসের পঞ্চম ওভারের শেষ বলে আম্পায়ারের প্রতি অসৌজন্যমুলক আচরণ লেভেল-৩ এর অপরাধে সাকিবকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলের পরে আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার এবং আম্পায়ারদেও সাথে বাজে আচরণের মাধ্যমে ম্যাচকে অসম্মানিত করার জন্য এই খেলোয়াড়কে লেভেল-৩ লঙ্ঘনের জন্যও শাস্তি দেয়া হয়েছে।’
‘ঐ খেলোয়াড় তার অপরাধ স্বীকার করে নেন এবং ফলে কোন আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি।’
আচরণবিধি ভঙ্গের রিপোর্ট দিয়েছেন অন-ফিল্ড আম্পায়ার ইমরান পারভেজ ও মাহফুজুর রহমান এবং তৃতীয় আম্পায়ার সোহরাব হোসেন। নিষেধজ্ঞা ও জরিমানা নিশ্চিত করেছেন ম্যাচ রেফারি মোর্শেদুল আলম চৌধুরী।