সংস্কৃতি ক্ষেত্রে গবেষণা জোরদারের আহ্বান সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর
ঢাকা, ১৭ নভেম্বর, ২০২০:
সংস্কৃতি সৃজনশীলতা, নান্দনিকতাকে লালন ও ধারণ করে। আর এ ক্ষেত্রে নব নব সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে একে দৃষ্টিনন্দন, বৈচিত্র্যময় ও প্রাণবন্ত রূপে ফুটিয়ে তুলতে হবে। সেজন্য গবেষণার বিকল্প নেই। সংস্কৃতি ক্ষেত্রে গবেষণা জোরদারের জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানালেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।
প্রতিমন্ত্রী আজ সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে নালন্দা প্রকাশনী কর্তৃক প্রকাশিত সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি বিশিষ্ট লেখক গবেষক গোলাম কুদ্দুছ রচিত ‘বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি সংস্কৃতি’ শীর্ষক গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ আহ্বান জানান।
প্রধান অতিথি বলেন, গবেষণা কর্মে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় উৎসাহ প্রদান করছে। মানসম্পন্ন বইয়ের প্রকাশনার ক্ষেত্রেও মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করবে।
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি সংস্কৃতি’ শীর্ষক গ্রন্থটিতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সংস্কৃতি ভাবনা, বাঙালি সংস্কৃতির পরিস্ফুটন, ধারণ, লালন ও বিকাশে বঙ্গবন্ধুর অবদান খুব সুন্দরভাবে বিধৃত হয়েছে। এটি সামগ্রিকভাবে একটি পরিপূর্ণ বই।সেজন্য বইটির লেখক গোলাম কুদ্দুছকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই। আশা করছি, তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের গবেষণাধর্মী বই আরো লিখবেন। কে এম খালিদ বলেন, শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির এমন কোন শাখা নেই যা নিয়ে বঙ্গবন্ধু ভাবেননি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন মঞ্চসারথি আতাউর রহমান ও গ্রন্থটির প্রকাশক নালন্দা প্রকাশনীর সত্ত্বাধিকারী রেদওয়ানুর রহমান জুয়েল।
গ্রন্থটি লেখার পরিকল্পনা ও মুজিববর্ষে প্রকাশ সম্পর্কে আলোকপাত করেন রচয়িতা গোলাম কুদ্দুছ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী হাসান আরিফ।