এজবাস্টনে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ইংল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। লর্ডসে প্রথম টেস্ট ড্র হওয়ায় ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিল সফরকারী দলটি। ফলে ২০১৪ সালের পর প্রথম নিজ মাটিতে টেস্ট সিরিজ হারল ইংল্যান্ড।

সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে স্বাগতিক দলের দেওয়া ৩৮ রানের টার্গেটে পৌঁছাতে ৬৫ বল খরচ করতে হয় নিউজিল্যান্ডকে। ১০.৫ ওভারে তাদের স্কোর ছিল ৪১/২।

সকালের প্রথম বলে ওলি স্টোনকে ফিরিয়ে ইংল্যান্ডকে গুটিয়ে দেন ট্রেন্ট বোল্ট। স্টোন ১৫ রানে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হলে ১২২ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড। তাদের লিড দাঁড়ায় ৩৭ রানের।

জয়ের ছোট লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় সফরকারী দল। দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে তিন রানে আউট হন ডেভন কনওয়ে। স্টুয়ার্ট ব্রডের বলে কট বিহাইন্ড হন তিনি।

ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে আরেকটি সাফল্য পায় ইংল্যান্ড। দশম ওভারে উইল ইয়াংকে ফেরান ওলি স্টোন। আট রান করে ওভারের শেষ বলে বোল্ড হন তিনি।

এরপর আর কোনো উইকেট হারায়নি ব্ল্যাক ক্যাপরা। অধিনায়ক টম লাথাম ২৩ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩০৩ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড। নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে সংগ্রহ ছিল ৩৮৮।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে দুই ইনিংসে ছয় উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন পেইসার ম্যাট হেনরি। চোটের কারণে ম্যাচে খেলেননি নিউজিল্যান্ডের নিয়মিত অধিনায়ক ও সেরা ব্যাটসম্যান কেইন উইলিয়ামসন। উইলিয়ামসনের জায়গায় সফরকারিদের নেতৃত্বে ছিলেন লাথাম।

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে আগামী শুক্রবার (১৮ জুন) ভারতের মোকাবেলা করবে নিউজিল্যান্ড। স্বাগতিক ইংলিশদের বিপক্ষে এমন দাপুটে জয় নিঃসন্দেহে দারুণ আত্মবিশ্বাস দিবে কিউইদের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংস: ৩০৩

নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংস: ৩৮৮

ইংল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংস: ১২২ (স্টোনস ১৫; অ্যান্ডারসন ০*; হেনরি ৩/৩৬, বোল্ট ২/৩৪, ওয়েঙ্গার ৩/১৮, আজাজ ২/২৫)

নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংস: ৪১/২ (লাথাম ২৩*, কনওয়ে ৩, ইয়ং ৮, টেইলর ০*; অ্যান্ডারসন ০/১১, ব্রড ১/১৩, স্টোনস ১/৫, উড ০/৮)

ফলাফল: নিউজিল্যান্ড ৮ উইকেটে জয়ী।

সিরিজ: ২ ম্যাচ সিরিজে নিউজিল্যান্ড ১-০ ব্যবধানে জয়ী।

ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ম্যাট হেনরি।

ম্যান অব দ্য সিরিজ: ডেভন কনওয়ে