নড়িয়ায় জহির সিকদারের পক্ষে একট্টা আ.লীগ ও জনপ্রতিনিধিরা

শরীয়তপুর প্রতিনিধি:
আসন্ন উপজেলা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরপর সরগরম হয়ে উঠেছে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা৷ নির্বাচনকে সামনে চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থীরা নিজেদের পক্ষে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও দলীয় এবং জনসাধারণের সমর্থন আদায়ে মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। নড়িয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য, সাবেক তূখোড় ছাত্রনেতা জহির সিকদার মাঠে চষে বেড়াচ্ছেন। সন্তোষজনক সাড়াও পাচ্ছেন বলে জানাগেছে।

একাধিক সূত্রের দাবি, নড়িয়ায় জহির সিকদারের পক্ষে একট্টা নড়িয়ার আওয়ামীলীগ, সহযোগী সংগঠন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। কারণ, জহির সিকদার তিন যুগের বেশি সময় ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে ওৎপোতভাবে জড়িত। তিনি কখনো দলের প্রশ্নে আপোস করে নাই। বিশেষ নড়িয়ায় পদ্মার ভাঙনের সময় আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য একেএম এনামুল হক শামীমের সঙ্গে অতন্দ্রপ্রহরীর মতো ছিলেন। করোনা সহ সকল দূর্যোগে মানুষের পাশে ছিলো। তাই বর্তমান সময়ে জহির সিকদারের বিকল্প কেউ বলে জানান তারা। তাই তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকা নড়িয়া উপজেলার হাট-বাজার, পথে-প্রান্তরে ও পাড়া-মহল্লায় যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই সাড়া পাচ্ছেন। এবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জহির সিকদার বিপুল ভোটে জয়ী হবেন আশাবাদী তিনি। সাধারন মানুষের মধ্যেও তাঁর ব্যাপক গ্রহনযোগ্যতা জনপ্রিয়তা রয়েছে।

সাবেক ছাত্রনেতা জহির সিকদার প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনায় এমকম সম্পন্ন করা জহির সিকদার বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য। এরআগে ঢাকার লালবাগ থানার পুরাতন ৫৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি, ঢাকা সিটি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি, ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (শামীম-পান্না) এর সদস্য এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সহ-সম্পাদক হিসেবে সততা, নিষ্ঠা ও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সরেজমিন ঘুরে ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাগেছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম হাবিবুর রহমানের সুযোগ্যপুত্র সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা জহির সিকদার শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীমের একান্ত আস্থাভাজন। তিনি ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-২ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত একেএম এনামুল হক শামীমের প্রধান সমন্বয়কারী ছিলেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনেও সমন্বয়কারী ছিলেন। তিনি পন্ডিতসারের টি এম কলেজ গভর্নিং বডি ও বিঝারীর ঢালি মার্কেট জামে মসজিদ সভাপতি সহ এলাকার সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত।

নড়িয়ার অনেক জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামী লীগের নেতাবৃন্দ বলেন, জহির সিকদার একজন উচ্চ শিক্ষিত ও দক্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর সততা ও ক্লিন ইমেজ আমাদের মুগ্ধ করেছে। তাঁর জননেতা এনামুল হক শামীমের পাশে থাকে নড়িয়ার মানুষের পাশে থেকেছেন। তিনি বড়দের শ্রদ্ধা, সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করেন। তিনি মানবিক গুনাবলীর অধিকারী। তিনি একজন বলিষ্ঠ সংগঠক। দলের দূর্দিনে শক্ত হাতে হালও ধরতে পারেন। তাঁর মতো সুদক্ষ নেতা উপজেলা চেয়ারম্যান হলে জননেতা এনামুল হক শামীমের উন্নয়নের ধারা আরও বেগবান হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে নড়িয়া উপজেলা চেয়ারম্যান পদে জহির সিকদারের বিকল্প নাই। আমরা তাঁর পক্ষে একাট্টা।

নড়িয়া উপজেলার অনেক ভোটাররা বলেন, জহির সিকদার একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। তাঁর পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক ঐতিহ্য রয়েছে। তিনি নড়িয়া তথা শরীয়তপুরে গ্রহনযোগ্য ব্যক্তিত্ব। তিনি এনামুল হক শামীমের অত্যন্ত আস্থাভাজন। তিনি নড়িয়া উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে বিপুলভোটে বিজয়ী হবে এবং মানুষের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটবে।

এব্যাপারে জহির সিকদার বলেন, আমি ছোটবেলা থেকেই পারিবারিকভাবে বঙ্গবন্ধুর আর্দশের একজন সৈনিক। আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। নড়িয়ার উন্নয়নে ও জননেতা একেএম এনামুল হক শামীম ভাইয়ের হাতকে আরও শক্তিশালী করতে জনগনের দাবিতে আমি এবার আমি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচন করতে আগ্রহী। আল্লাহর রহমতে জনগণ তাদের মূল্যবান ভোটের মাধ্যমে আমাকেই বিজয়ী করবে, ইনশাআল্লাহ। এ ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। জনগণ আমাকে ভোট দিবেন এবং আমিই বিজয়ী হবো। আর বিজয়ী হয়ে জননেতা এনামুল হক শামীমের নেতৃত্বে স্মার্ট নড়িয়া গঠনে সকলকে নিয়ে কাজ করবো, ইনশাআল্লাহ।

সর্বশেষ