ট্যানারী শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৫ হাজার টাকা করার দাবি

ট্যানারী শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৫ হাজার টাকা করার জোর দাবি জানিয়েছেন ট্যানারী ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন (টিডব্লিউইউ ।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর তোপখানা রোডের একটি হোটেলে সলিডারিটি সেন্টারের সহায়তায় এবংট্যানারী ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন (টিডব্লিউইউ) ও বাংলাদেশ লেবার রাইটস জার্নালিস্ট ফোরাম (বিএলআরজেএফ) এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ দাবি জানান ট্যানারী শিল্পের নেতারা।
আলোচনা সভায় ট্যানারী শ্রমিকদের জীবনমানের ওপর একটি গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরেন ট্যানারী শিল্পে ন্যূনতম মজুরী সুপারিশের জন্য গঠিত মজুরী বোর্ডের প্রতিনিধি আব্দুল মালেক।
ট্যানারী ওয়্যার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব ও বিএলআরজেএফ এর সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানের সঞ্চালনায় এ আলোচনা সভায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান সাংবাদিক নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল ইসলাম ভুঁইয়া, সলিডারিটি সেন্টার-বাংলাদেশ অফিস এর কান্ট্রি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর একেএম নাসিম, ডেপুটি কান্ট্রি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মনিকা হার্টসেল ও সাংবাদিক নেতা মোহাম্মদ আল মামুন, শহিদুল হক রানা , আশরাফ খান, আশরাফ আলী, সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।
গবেষণা প্রতিবেদন ও তিনি বলেন, ন্যূনতম মজুরি ২৫ হাজার টাকা না হলে ট্যানারী শিল্পের একজন শ্রমিক তার বেঁচে থাকার মৌলিক চাহিদা মেটানো থেকে বঞ্চিত হবেন। অর্ধশত শ্রমিকের সাক্ষাৎকার, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম, বাসা-ভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খাতে ন্যূনতম খরচ বিশ্লেষণ করে এ তথ্য দেখা গেছে। সারাবিশ্বে ন্যূনতম মজুরী নির্ধারনে স্বীকৃত এ্যাংকর মেথোডোলোজি প্রয়োগ করে ট্যানারী ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন গবেষণাটি পরিচালনা করেছে। এ প্রক্রিয়ায় হাজারীবাগ ও হেমায়েতপুর এলাকার ২০ জন নারী ও ৩২ জন পুরুষ মিলে মোট ৫২ জন শ্রমিক এর সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে। গবেষণায় বলা হয়েছে খাবার, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা, বিনোদন, পোশাক, মোবাইল, ইন্টারনেট এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়ের গড় ন্যূনতম খরচ বিবেচনায় চারজনের একটি পরিবারের মাসিক খরচ কমপক্ষে ২৫ হাজার টাকা হওয়া উচিত।

সর্বশেষ