চলচ্চিত্র বা সিনেমা কি?

সাধারণ অর্থে বলতে গেলে এইটুকুই যে, সিনেমা একপ্রকার দৃশ্যমান বিনোদন মাধ্যম মাত্র। চলচ্চিত্র মানে কি এই টুকুই নাকি এর ব্যপকতা আরো বিস্তৃত।
বস্তবিক জগতের বিষয়গুলোর চিত্র যেমন আমরা ক্যামেরার মাধ্যমে ধারন করে একটি চলচ্চিত্র নির্মান করি, তেমনি ভাবে এর সাথে যুক্ত হয় আমাদের কাল্পনিক কিছু জগৎ। একটি চলচিত্রের মধ্যমে যেমন একটা সময় কে ধারন করা হয়, একটা সৃংস্কৃতি প্রকাশিত হয়, তেমনি ভাবে মানুষের চিক্তশক্তি বা কাল্পনার মুক্ততার প্রাসর ঘটানো হয় সিনেমায়। সিমেনা বিনোদন মাধ্যম হওয়ার সাথে সাথে শিল্পকলার সব চেয়ে প্রভাবশালী মধ্যমও বটে। সিনেমা বাস্তব জিবনের সমন্বয় থাকার কারণে মানুষ খুব সহজে সিনেমার গল্প, চরিত্র কিংবা প্রক্ষাপটের সঙ্গে নিজেকে রিলেট করতে পারে। নিজেকে এবং নিজের আশপাশকে দেখার কৌশল শিখতে পারে। একজন লেখক যেমন সমাজ থেকে তুলে আনা নানা বাস্তবিক ঘটনাগুলো সাজিয়ে তোলে তেমনি ভাবে একজন আদর্শ নির্মাতা তা ভিজুয়ালাইজ করে, তুলে ধরে সমাজ ব্যবস্থা, চলমান সংস্কৃতি, মানুষের ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া। সেই সাথে একজন দর্শকও সুব সহজে চলমান ভিজুয়ালাইজ গল্প বা ঘটনার সাথে নিজেকে খুব সাহজে ভাবতে পারে, তখন সে নিজে কেমন সংস্কৃতি ও সমাজব্যবস্থায় বাস করছে, সে কেমন সংস্কৃতির চর্চা করছে, ঠিক কিংবা ভুলের সিধান্ত গ্রহন ও চলমান প্রথার বেরিগেট ভাঙ্গার সাহস করতে শেখে। চলচিত্র শিক্ষার অনেক বড় একটা মাধ্যম বলে আমি মনে করি। আমরা পুরনো মুভি থেকে সেই সময়ের সকল কিছু তথা মানুষ, তাদের কথা বলার ভঙ্গি, সংস্কৃতি কু সংস্কার চিন্তাধারা সম্পকে চাক্ষুষ ধারনা লাভ করতে পারি, বর্তমান সময়ের সিমেনা থেকে ভিন্ন বিষয় সম্পকে ধারনা, অগ্রযাত্রা সহ সমসাময়িক সকল কিছুর বিষয়ে ধারনা পাই। একটা দেশের কালচার কেমন সেটি তাদের শিল্পকর্মের মাধ্যমে সম্পূর্ণ রূপে প্রকাশিত হয় এবং অবশ্যই সিনেমা শিল্পের সবচেয়ে বড় মাধ্যমগুলোর মধ্যে অন্যতম।

রিপোর্টার: তাসকিন খান।

সর্বশেষ