‘আইন অমান্য’ করে বিভাগীন প্রধান নিয়োগের অভিযোগ এনে কুবি শিক্ষক সমিতির প্রতিবাদ

কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) তিনটি বিভাগে ‘আইন অমান্য করে বিভাগীয় প্রধান নিয়োগ’ হয়েছে অভিযোগ করে প্রতিবাদ জানিয়েছে শিক্ষক সমিতি।

বৃহস্পতিবার (২১ই মার্চ) শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তাহের ও সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মাহমুদুল হাছান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানা যায়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গতকাল (২০ মার্চ) চারটি বিভাগে বিভাগীয় প্রধান নিয়োগ দেওয়া হয়। তারমধ্যে পদার্থবিজ্ঞান, বাংলা এবং ইংরেজি বিভাগে আইন অমান্য করে বিভাগীয় প্রধান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০৬ (সংশোধিত ২০১৩) এর ২৪(২) ধারা “বিভাগীয় অধ্যাপকদের মধ্য হইতে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পালাক্রমে ০৩ বছর মেয়াদে ভাইস চ্যান্সেলর কর্তৃক বিভাগীয় প্রধান নিযুক্ত হইবেন” বলা হয়েছে। সেটি অনুসরণ না করে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে তিনটি বিভাগে বিভাগীয় প্রধান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তাহের বিভাগে বর্তমানে থাকা সত্ত্বেও পরবর্তী জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র মজুমদারকে, বাংলা বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ গোলাম মাওলা বিভাগে বর্তমান থাকা সত্ত্বেও জ্যেষ্ঠতার ক্রমে তৃতীয় অবস্থানে থাকা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শামসুজ্জামান মিলকীকে এবং ইংরেজি বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. এম এম শরিফুল করিমকে বঞ্চিত করে বিভাগীয় প্রধান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ড. বনানী বিশ্বাসকে বিভাগীয় প্রধান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এবিষয়ে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তাহের বলেন, ধারায় বলা আছে বিভাগীয় অধ্যাপকদের মধ্যে থেকে জেষ্ঠতার ভিত্তিতে পালাক্রমে ০৩ বছরের জন্য উপাচার্য বিভাগীয় প্রধান নিযুক্ত করবেন। যেমন আমার বিভাগে আমি জেষ্ঠ অধ্যাপক হিসেবে বিভাগীয় প্রধান হই নাই। কোনো কোনো শিক্ষক তিনবার বিভাগীয় প্রধান হয়েছেন। এমনভাবেই বিভাগগুলোতে উপাচার্য স্যার জেষ্ঠতার ব্যত্যয় ঘটিয়ে পছন্দের ব্যক্তিদেরকে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন এবং দিচ্ছেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, এখানে কোনো আইন অমান্য করা হয়নি। আইন মেনেই দেওয়া হয়েছে। একবার বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব না নিলে পর্যায়ক্রমে পরেরজন বিভাগীয় প্রধান হবে। সে নিয়মানুযায়ীই বিভাগীয় প্রধান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ