বিএনপির মধ্যে হতাশা, প্রশ্নবিদ্ধ শীর্ষ নেতৃত্ব
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঠেকানোর আন্দোলন ‘ব্যর্থ’ হওয়ার পর বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকারকে বিভিন্ন দেশের সমর্থন এবং সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দেওয়ার পর দলের নেতাকর্মীরা বেশ বিমর্ষ হয়ে পড়েছেন।

মূলত দুই কারণে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। এর একটি হচ্ছে, নির্বাচনের পর সরকারের ওপর যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা বা জোরালো পদক্ষেপ আসবে বলে যে গুঞ্জন ছিল, বাস্তবে তা এখনো দেখা যায়নি।

দ্বিতীয়ত, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কার্যক্রম ও বক্তব্যে নেতাকর্মীরা কোনো ধরনের আশা দেখতে পাচ্ছেন না।

বিএনপির নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও কারাবন্দি জ্যেষ্ঠ নেতাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মুক্তির বিষয়টি এখন সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। এর বাইরে আন্দোলনে ব্যর্থতার পর নতুন কর্মকৌশল প্রণয়ন ও নেতাকর্মীদের রাজপথমুখী করার বিষয় নিয়ে তাঁরা গভীরভাবে ভাবছেন। হতাশাগ্রস্ত নেতাকর্মীদের কিভাবে উদ্দীপ্ত করবেন তা নিয়ে দলের শীর্ষ পর্যায়ে নানা ধরনের আলোচনা চলছে।

বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতা এবং দল সমর্থক বুদ্ধিজীবী মহলে এখনো আন্দোলন নিয়ে নানা ধরনের বিচার-বিশ্লেষণ হচ্ছে। তাঁদের অনেকেই মনে করেন, বিএনপির মতো বড় রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দেওয়ার মতো সক্ষমতা ও গ্রহণযোগ্যতার অভাব রয়েছে তারেক রহমানের। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর খালেদা জিয়া যেভাবে বিএনপির হাল ধরেছেন, তারেক রহমান সেভাবে বিচক্ষণতা দেখাতে পারেননি।

রাজনৈতিক বোদ্ধারা মনে করেন, পরাশক্তি দেশগুলোর কাছে তারেক রহমানের নেতৃত্ব নিয়ে এক ধরনের আস্থাহীনতা আছে।যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা রাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া ও ভারতের মতো প্রভাবশালী দেশের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হতে না পারলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি বেশিদূর এগোতে পারবে না।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির সাবেক অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, বাংলাদেশে রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকলে হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার হন। ক্ষমতার সুফল থেকেও বঞ্চিত হন তাঁরা। ফলে নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা আসে।

তারেক বলয় ও সাংগঠনিক দুর্বলতা 

সারা দেশে দলটির জনসমর্থন থাকার পরও আন্দোলন কেন সফল হয়নি তা নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিশ্লেষণ প্রায় কাছাকাছি।তাঁদের মূল্যায়ন হচ্ছে, বিএনপির আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ার প্রধান কারণ সাংগঠনিক দুর্বলতা ও আন্দোলনে বিদেশনির্ভরতা তৈরি হওয়া। পাশাপাশি সরকার ও প্রশাসনের নিপীড়ন, গ্রেপ্তার, নেতাদের সাজার বিষয়টি সামনে আনা হচ্ছে।

দলের নেতারা মনে করেন, ২০১৪ সালে একেবারে প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে বিএনপির আন্দোলন অনেক তীব্র ছিল। সে সময় গুম ও ক্রসফায়ারের ঘটনার মধ্যে নেতাকর্মীরা লড়াই করেছেন। হরতাল-অবরোধে তখন কার্যত দেশ অচল ছিল। জনমনে আতঙ্ক ও ভীতি ছিল। এবার বাংলাদেশের নির্বাচন প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসানীতি ঘোষণার পর সরকার চাপে ছিল। কিন্তু সেই প্রেক্ষাপটকে কাজে লাগাতে পারেনি বিএনপি নেতৃত্ব।

এ জন্য দলের নেতাকর্মীরা দেশব্যাপী তারেক রহমানের সাংগঠনিক বলয়কে দায়ী করছেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে খালেদা জিয়ার সাজা হওয়ার পর দলের হাল ধরেন তারেক রহমান। বিএনপিতে একক কর্তৃত্ব তৈরি করতে গিয়ে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত নিজের পছন্দ ও বিশ্বস্ত নেতাদের দিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে কমিটি গঠন করেন তিনি। ফলে হঠাৎ সাংগঠনিক কমিটিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। খালেদা জিয়ার সঙ্গে রাজনীতি করেছেন এমন অনেক ত্যাগী ও জ্যেষ্ঠ নেতা গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে বাদ পড়ে যান। তারেক রহমান যাঁদের নেতৃত্বে আনেন তাঁদের বেশির ভাগই স্থানীয়ভাবে যোগ্য ও দক্ষ নন বলে দলে অভিযোগ আছে। বাদ পড়া নেতাদের অনুসারীরাও নতুন কমিটি থেকে ছিটকে পড়েন। ফলে সাংগঠনিক গতিশীলতা কমতে থাকে, দলে এক ধরনের স্থবিরতা তৈরি হয়। কিন্তু দেশব্যাপী তাঁর বিশ্বস্ত নেতা এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা সরকার ‘ফেলে’ দেওয়ার সক্ষমতা রাখেন এমন ধারণা দেন তারেক রহমানকে। কিন্তু আন্দোলনের মাঠে তাঁদের তৎপরতা ছিল না বললেই চলে।

হাওয়া ভবন ঘনিষ্ঠদের সহযোগী-অনুসারীদের দিয়ে গড়ে তোলা সংগঠনগুলোর নেতৃত্ব নিয়ে আগেই অভিযোগ ছিল। স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী কখনো কেন্দ্রীয় রাজনীতি না করেও সংগঠনের সভাপতি হয়েছেন। অঙ্গসংগঠনের মহানগরের নেতৃত্বে যাঁরা এসেছেন তাঁদের বেশির ভাগই ঢাকার স্থানীয় বাসিন্দা নন। কেউ কেউ পড়ালেখার সূত্রে ঢাকায় এসেছেন। যুব ও ছাত্রদলের নেতৃত্বে যাঁরা এসেছেন তাঁদের অনেকে সাংগঠনিকভাবে যোগ্য নন এমন অভিযোগ আছে নেতাকর্মীদের।

যদিও বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী কালের কণ্ঠকে বলেন, সারা দেশে চৌকস ও দক্ষ নেতাদের দিয়ে কমিটি গঠন করেছেন তারেক রহমান। সরকারের দমন-পীড়নের পরও তাঁর নেতৃত্বে দল ঐক্যবদ্ধ আছে।

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ঢাকা মহানগরীতে আন্দোলন সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন তারেক বলয়ের নেতারা। চিকিৎসক নেতা ফরহাদ হালিম ডোনার ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক। আমান উল্লাহ আমান কারাগারে যাওয়ায় তিনি দায়িত্ব পান। অথচ তিনি কখনো ঢাকা মহানগরের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত ছিলেন না। ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশে আন্দোলন সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন হাওয়া ভবনের কর্মকর্তা সাবেক ছাত্রনেতা রকিবুল ইসলাম বকুল। বছরখানেক আগে বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়া বকুলের সঙ্গে মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের যোগাযোগ কখনোই তেমন ছিল না। এমনকি ছাত্রদলের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পরও তিনি ব্যর্থ বলে মনে করা হয়।

আন্দোলনের সময় নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে যুগপৎ আন্দোলনে সম্পৃক্ত দল এবং দলের দায়িত্বশীল পর্যায়ে যোগাযোগ রাখতেন ভারতের শিলংয়ে অবস্থানরত স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদ। তিনি তারেক রহমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। ২০১৫ সালের ১১ মে থেকে সালাহ উদ্দিন শিলংয়ে আছেন। প্রায় ৯ বছর দেশে না থেকেও কিভাবে তিনি আন্দোলন সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকেন তা নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।

বিএনপির বিভিন্ন বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, দলের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নের দায়িত্বে ছিলেন তারেক ঘনিষ্ঠ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি এখন কারাগারে আছেন। আন্দোলনের পর এখন দলে তাঁকে নিয়ে সমালোচনা বেশি হচ্ছে। তাঁর অনুস্থিতিতে কাজ করতে গিয়ে দলের অন্য জ্যেষ্ঠ নেতারা বুঝতে পেরেছেন, কূটনৈতিক পর্যায়ে নিরন্তর যোগাযোগ ছিল না তাঁর। শুধু চিঠি চালাচালি আর ইস্যুভিত্তিক দেখা-সাক্ষাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল তাঁদের কার্যক্রম। ফলে কূটনৈতিক পর্যায়ে বিএনপির সঙ্গে বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর সেভাবে বোঝাপড়া গড়ে ওঠেনি। অথচ যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমাদের সঙ্গে বিএনপির ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা প্রচার করে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে এক ধরনের বিদেশনির্ভরতা তৈরি করেন তিনিসহ তাঁর ঘনিষ্ঠরা।

বিএনপি নেতাদের অনেকের অভিযোগ, লন্ডনে একটি চক্রদ্বারা বেষ্টিত থাকেন তারেক রহমান। রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ওই চক্রই তাঁকে প্রভাবিত করে। এ জন্য অনেক সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে দলের বেশির ভাগ জ্যেষ্ঠ নেতা কিছুই জানতে পারেন না। এর একটি ছিল, নির্বাচনের আগে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক।

পরিকল্পনায় গলদে আন্দোলন ব্যর্থ

গত ৭ জানুয়ারির নির্বাচন ঘিরে সরকার পতন আন্দোলনে পরিকল্পনায় ভুল ও কূটনৈতিক তৎপরতায় ব্যর্থতা ছিল বলে শরিক দলগুলোর মূল্যায়নে উঠে এসেছে। নির্বাচনের পর তারেক রহমানের সঙ্গে দলের সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর ধারাবাহিক বৈঠকে শরিক দলের নেতারা বলেন, অসহযোগ আন্দোলনের সিদ্ধান্ত বাস্তবতার নিরিখে নেওয়া হয়নি। কূটনীতিতে বিএনপি নেতারা ব্যর্থ ছিলেন। আন্দোলনের ডাক দিয়ে বিএনপি নেতারা মাঠে ছিলেন না। নির্বাচনের পরই হঠাৎ কর্মসূচি বন্ধ করাও অপরিপক্ব সিদ্ধান্ত ছিল। এমনকি হঠাৎ বিএনপির ভারতবিরোধী রাজনীতির সমালোচনা করেন শরিকদের কেউ কেউ।

বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে যুক্ত কয়েকজন নেতা বলেন, আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব পরিপক্বতা দেখাতে পারেননি। দূরদর্শিতার অভাবে নির্বাচনের পরই হঠাৎ আন্দোলন বন্ধ করে দেওয়া হয়। একটি সফল আন্দোলন করতে হলে সরকারের ওপর যে ধরনের চাপ তৈরি করতে হয় সে ধরনের পরিকল্পনা তাদের ছিল না।

তা ছাড়া পরাশক্তি তিনটি দেশের ভূমিকা ও সরকারের দমন-পীড়নের ভয়ংকর রূপও আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করেন তাঁরা। ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও বিএনপির বিরুদ্ধে ছিল বলে তাঁদের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শরিক দলের একজন নেতা বলেন, একটি আন্দোলনকে যৌক্তিক পর্যায়ে নিতে যে ধরনের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা, পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি দরকার তা বিএনপি নেতৃত্বের ছিল না। ফলে আন্দোলন ব্যর্থ করতে সরকার ও প্রশাসনের যৌথ কৌশলে মুখ থুবড়ে পড়ে দলটি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, প্রত্যাশিত সময়ের মধ্যে সব সময় আন্দোলনের যৌক্তিক পরিণতি আসে না। তাঁদের ডাকে সাড়া দিয়ে জনগণ ভোটকেন্দ্রে যায়নি। জনগণের এই সমর্থনই আন্দোলনের বড় সফলতা।

নেতাকর্মীদের মাঠে ফেরানো চ্যালেঞ্জ

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের কেউ কেউ মনে করেন, নির্বাচন ঘিরে রাজনীতিতে যে উত্তাপ ছিল তা এখন আর নেই। ফলে বিএনপিকে স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফিরে যেতে হবে। আন্দোলন করতে গিয়ে যেসব জায়গায় দুর্বলতা ছিল তা চিহ্নিত করে দল পুনর্গঠন করতে হবে। তাহলে সংগঠনে গতি আসবে। এর ফাঁকে জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি দিতে হবে।

দলের নেতাকর্মীরা বলছেন, ঢাকার বাইরে তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীরা আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বেশি। তৃণমূলে আওয়ামী লীগের হামলা-মামলা ও আক্রোশের শিকার হয়েছেন তাঁরা। ফলে ভবিষ্যতে এই ধরনের আক্রোশ এড়াতে অনেকে কৌশলী হবেন। কেউ কেউ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়বেন। সম্প্রতি বিএনপির কালো পতাকা মিছিলেও এই বিষয়টি চোখে পড়েছে দলের নীতিনির্ধারকদের।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, নেতাকর্মীদের রাজপথে ফেরানো কঠিন হবে বিএনপির। দীর্ঘ সময় ক্ষমতার বাইরে থাকার কারণে অনেকের মধ্যে হতাশা এসেছে। তাঁদের মধ্যে আশা জাগাতে না পারলে ব্যাপকসংখ্যক নেতাকর্মী হারাবে বিএনপি। এই বিষয়ের দিকে দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের দৃষ্টি দেওয়া উচিত বলে মনে করেন তাঁরা।

অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সাজা দিয়ে নির্বাচন থেকে দূরে রাখা হচ্ছে। তাঁদের একজন অসুস্থ, আরেকজন দেশে নেই। তার পরও কেউ দল ছেড়ে যায়নি। তাঁদের মধ্যে অন্তর্নিহিত শক্তি আছে। এই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে আন্দোলন গড়ে তুললে একদিন লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে।

সূত্র: কালেরকন্ঠ

সর্বশেষ