ডামুড্যায় চিকিৎসক কর্তৃক আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করায় সংবাদ সম্মেলন

শরীয়তপুর প্রতিনিধি:
শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নুসরাত তারিন তন্বী এবং তার স্বামী ডা. মঞ্জুরুল ইসলাম ভুইয়া রাফি কর্তৃক মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বক্তব্য প্রচারের দ্বারা উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক জুলহাস মাদবর এবং তার পরিবারদের মামলা দিয়ে রাজনৈতিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জুলহাস মাদবরের স্ত্রী ডামুড্যা উপজেলা মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান খাদিজা খানম লাভলী নিজ কার্যালয়ে ও সংবাদ সম্মেলন করেন। এছাড়াও ল্যাব এইড ফার্মাসিটিক্যালসের রিপ্রেজেনটেটিভ শহিদুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে
উপজেলা চত্ত্বরে মানববন্ধন করছে ফার্মাসিক্যাল রিপ্রেজেনটেটিভ এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, জুলহাস মাদবরের স্ত্রী ডামুড্যা উপজেলা মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান খাদিজা খানম লাভলী, ল্যাব এইড ফার্মাসিটিক্যালসের রিপ্রেজেনটেটিভ শহিদুল ইসলামের স্ত্রী শামীমা ইসলাম। এছাড়াও মানববন্ধনে আনিস, দেলোয়ার, সবুজ রাখেন।

সংবাদ সম্মেলনে ডামুড্যা উপজেলা মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান খাদিজা খানম লাভলী বলেন, আমার স্বামীকে চায়ের দাওয়াত দিয়ে ডেকে নিয়ে মারধর করেছে ও অপমান অপদস্ত করেছে। পাশাপাশি রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করেছে। মামলা দিয়ে আমার স্বামী ও পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করছে। আমরা এর সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে এর বিচার চাই।

শামীমা ইসলাম বলেন, আমার স্বামী শহিদুল ইসলাম ও ডা. নুসরাত তারিন তন্বী একই কলেজে পড়াশুনা করতেন৷ ডা. তন্বী আমার স্বামীর সিনিয়র। আমার স্বামী শহিদুলের কোম্পানি ল্যাব এইড ফার্মাসিটিক্যালসের ঔষধ নিয়মিতই ডা. নুসরাত তারিন তন্বী ব্যবস্থাপত্রে লিখেন। ডা. তন্বীর সাথে তার স্বামী ডা. মঞ্জুরুল ইসলাম ভুইয়া রাফির সম্পর্ক খারাপ থাকায় আমার স্বামীকে মিমাংসা করতে বলা হয়। আমার স্বামী রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর করে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। আমি এর বিচার চাই।

এদিকে মানববন্ধনে বক্তারা শহিদুল ইসলামের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।

সর্বশেষ