ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামীসহ গ্রেফতার ৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মনবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামীসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯।

সোমবার (৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে আশুগঞ্জ থানার সোহাগপুর এলাকা থেকে হত্যা মামলার প্রধান আসামী মোঃ কাছম আলীসহ ৩ জনকে গ্রেফতার হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন- সদর উপজেলার গৌতমপাড়া গ্রামের মৃত মোঃ খোরশেদ আলী ছেলে,মোঃ কাছম আলী (৫৫), মোঃ ডাক্তার আলীর ছেলে-মোঃ রিয়াদ মিয়া
(২০), মোঃ কাছম আলীর ছেলে-
মোঃ জামান মিয়া (২৭)।

উল্লেখ্যঃ গত (৩ নভেম্বর) শুক্রবার বিকালে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মনবাড়িয়া সদর থানাধীন গৌতম পাড়ার মোঃ ধন মিয়া খন্দকারের ছেলে (ভিকটিম) ট্রাক চালক মোঃ শফিকুল ইসলাম শফিক (২৫) এর চাচাতো ভাই বাক প্রতিবন্ধী মোঃ আব্দুল্লাহর সাথে আসামী
পক্ষের লোকজনের কথা কাটাকাটি হয় এবং কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে গত (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬ টা ৩০ মিনিটের দিকে, আসামীরা (ভিকটিম) শফিক মিয়াকে সদর থানাধীন আঐর কাঐর এলাকার তিতাস পেট্রোল পাম্পের পূর্ব-দক্ষিন পাশের স্বপন বাবুর পাইপ ফ্যাক্টরীর ভিতরে একা পেয়ে এলোপাথাড়ি মারধর ও ছুরিকাঘাত করে গুরুতর জখম করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে স্থানীয় লোকজন ভিকটিমকে আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিমকে মৃত ঘোষণা করে।

পরে এ ঘটনায় ভিকটিমের ভাই বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় গত ৫ নভেম্বর ২০২৩ ইং তারিখ রাতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। অপর দিকে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ দেশব্যাপী ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে, আসামীদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব-৯ চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকান্ডের ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।

র‌্যাব-৯ সিলেট এর সহকারী পুলিশ সুপার
মোঃ মশিহুর রহমান সোহেলের সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলার আশুগঞ্জ থানাধীন সোহাগ পুর এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব-৯ এর ব্রাহ্মনবাড়িয়ার সদস্যরা। এসময় হত্যা মামলার প্রধান আসামী কাছম আলীসহ আরো তিন জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব-৯। পরে গ্রেফতারকৃত আসামীদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

সর্বশেষ