ফেরদৌসের স্ত্রীর বিচক্ষণতায় বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল বিমানের ফ্লাইট

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা থেকে দাম্মামগামী একটি ফ্লাইট আকাশে উড়ার পর ককপিটের উইন্ডশিল্ড (সামনের অংশের কাচ) ফাটল দেখা দিয়েছিল। শনিবার বিকালে উড্ডয়নের দুই ঘণ্টা পর সেটি আবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিরে আসে। ওই ফ্লাইটের ক্যাপ্টেন ছিলেন চিত্র নায়ক ও ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসের স্ত্রী তানিয়া রেজা।বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক তাহেরা খন্দকার জানিয়েছেন, ককপিটের কাঁচে ফাটল দেখা দেওয়ার পর ক্যাপ্টেন সেটিকে ঢাকায় ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেন। ফ্লাইটের যাত্রী ও ক্রু সবাই নিরাপদে রয়েছেন।

জানা যায়, ক্যাপ্টেন তানিয়া রেজার বিচক্ষণতা ও সাহসিকতায় বেঁচে গেল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজে থাকা ১২ ক্রুসহ ২৯৭ জনের জীবন। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ ‘অচিন পাখি’ ঢাকা থেকে উড়ার আগে নিয়ম অনুযায়ী চেক করা হয়, তখন সবকিছু ঠিকঠাক পেয়েই সেটি উড্ডয়নের অনুমতি দেওয়া হয়।

উড্ডয়নের ঘণ্টাখানেক পর ক্যাপ্টেন উইন্ডশিল্ডে (ককপিটের কাচ) ফাটল দেখতে পান। এর পর তিনি এয়ারট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেটি ঢাকায় ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেন।  উড়ার দুই ঘণ্টা পর ভারতের আকাশসীমা থেকে অচিন পাখি নিরাপদে ঢাকায় ফিরে আসে। পরে ওই ফ্লাইটের যাত্রীদের অন্য ফ্লাইটে গন্তব্যে পৌঁছানো হয়।

এর আগে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিমানের একটি বোয়িং ৭৩৭ এর ককপিটের কাঁচ ফেটে সেটি মালয়েশিয়ায় গ্রাউন্ডেড করা হয়। একই বছরের আগস্টে দোহার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া আরেকটি বোয়িং ড্রিম লাইনার মাঝ আকাশে একই সমস্যার মুখোমুখি হলে সেটিকে ভারতের আকাশসীমা থেকে ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হয়।

সূত্র: যুগান্তর

সর্বশেষ