ধর্ষণ মামলায় আট বছরের কারাদন্ড লামিচানের

আকাশ দাশ সৈকত

ধর্ষণ মামলায় আট বছরের জন্য কারাদন্ড পেয়েছেন নেপালের সাবেক অধিনায়ক এবং তারকা লেগ স্পিনার সন্ধীপ লামিচানে। পাশাপাশি ৩ লাখ নেপালি রুপি জরিমানার সাথে ভুক্তভোগীকে ২ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন নেপালি সংবাদমাধ্যম দ্যা কাঠমান্ডু পোস্ট।

ছোট দলের বড় তারকা পদবী নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলা সন্ধীপ লামিচানের। নেপাল জাতীয় দলের পোস্টার বয়ের খেতাব পাওয়ার পাশাপাশি এই তারকা ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল), বিগ ব্যাশ লিগ (বিবিএল), ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) মতো ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের জনপ্রিয় আসরগুলোতে মাঠ মাতিয়ে হিমালয়ের কোলের ছোট দেশ নেপালের মর্যাদা বাড়িয়ে বৈশ্বিক ক্রিকেটঙ্গনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। কিন্তু শুরুর আগের শেষের পথে লামিচানের ক্যারিয়ার। ২০২২ সালে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে মাত্র ১৭ বছর বয়সী এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠে ২৩ বছর বয়সী এই লেগস্পিনারের বিরুদ্ধে।

তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ বারবার অস্বীকার করে আসছিলেন লামিচানে। সমর্থন পেয়েছিলেন নেপালের সাধারণ জনগনেরও। তাইত জামিনে মুক্ত হয়ে পুরোদমে খেলায় ফিরেন তিনি। কিন্তু গত ডিসেম্বরে এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন লামিচানে। ফলে এতোদিন মামলার শুনানি দেরি হলেও আজ ১০ জানুয়ারী (বুধবার) লামিচানের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেন কাঠমান্ডু জেলা আদালত।

যেখানে বলা হয়, নেপালের সাবেক অধিনায়ক সন্ধীপ লামিচানে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় আদালত তাকে আট বছরের জন্য কারাদন্ড দিয়েছেন। তবে লামিচানে এই রায়ের বিরুদ্ধে গিয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করবে বলে জানায় তার আইনজীবী সরোজ ঘিমিরে।

উল্লেখ্য ধর্ষণের অভিযোগে ২০২২ সালে কাঠমান্ডু জেলা অ্যার্টনি অফিস এবং ভুক্তভোগী মেয়েটি লামিচানের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা করে। এরপর ২০২৩ সালে ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) খেলে দেশে ফেরার সময় নেপালের ত্রিভূবণ বিমানবন্দর থেকে লামিচানেকে গ্রেপ্তার করে নেপালি পুলিশ।

সর্বশেষ