আগামীকাল নতুন মন্ত্রিসভার শপথ

হাসানুজ্জামান সুমন,বিশেষ-প্রতিনিধি:

আগামীকাল বৃহস্পতিবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে বঙ্গভবন। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাসস’কে বলেন, মহামান্য “রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন।”
বঙ্গভবনের মুখপাত্র জানান, ওই দিন সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন নতুন মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন। এ উপলক্ষে প্রায় এক হাজার অতিথিসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েছে বঙ্গভবন।
এদিকে বঙ্গভবনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এর আগে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, আজ নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিলেন । সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মন্ত্রিসভার আকার এবং নতুন মন্ত্রিসভায় কারা থাকবেন, সে বিষয়ে তিনি এখনও নির্দেশনা পাননি।
আজ নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের আগে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সদস্যরা শপথ নেবেন। আগামীকাল সকাল ১০টায় একাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।
গত ৭ জানুয়ারী, ২৯৯টি আসনে ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২২২টি আসনে, জাতীয় পার্টি ১১টি আসনে জয়ী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২টি আসনে, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের শরিকরা-ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) একটি করে আসন পেয়েছে। নির্বাচনে একটি আসনে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি।
এদিকে, গতকাল ২৯৮ জন সংসদ সদস্যের তালিকাসহ গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলাফলের সরকারি গেজেট প্রকাশের পর, স্পিকার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে স্পিকার সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াতে অক্ষম বা অনিচ্ছুক হলে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে শপথ পাঠ করাবেন। যদি কোনো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নেন, তাহলে তার আসন শূন্য হবে। সাধারণত সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনপ্রাপ্ত দলের এমপিরা প্রথমে শপথ নেন এবং পরবর্তীতে অন্যরা।

সর্বশেষ