মানবতার সেবায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন: কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ওসি

হাসানুজ্জামান সুমন, বিশেষ -প্রতিনিধি;
মানুষ মানুষের জন্য।এ কথা টি আবারো সত্য প্রমাণিত হলো কিশোরগঞ্জ মডেল থানায়।একটি অপরহণ মামলার ভিকটিম (মা ও ১০ দিনের শিশু সন্তান সহ) মঙ্গলবার রাতে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে কিশোরগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ।
তীব্র শীতের রাতে নারী হেল্প ডেক্ত রুমে তাদের থাকতে দেয় পুলিশ।শীত নিবারণে প্রথমে তাদের (মা ও নবজাতক সন্তানের) জন্য কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ দাউদ ২ টি কম্বল এনে দেন।রাত গভীর হলে শীতের তীব্রতা বাড়লে ওসি মোহাম্মদ দাউদ খোজ খবর নিতে এসে দেখেন ২ টি কম্বল দিয়ে তাদের ( মা ও ১০ দিনের নবজাতক শিশুর) শীত নিবারণ হচ্ছে না।এমন কনকনে শীতের রাতে কোন উপায় না পেয়ে ওসি তার নিজ বাসার বিছানার তোষক এনে দেন ভিকটিম মা ও নবজাতক শিশুর শীতের কস্ট নিবারণে।
কনকনে শীতের এ গভীর রাতে শীত নিবারণে কম্বল ও তোষক পেয়ে মুগ্ধ হয় ভিকটিম মেয়েটি (নবজাতকের মা)।
জানা যায়,গত ১০ মাস পূর্বে প্রেম সংক্রান্ত বিষয়ে প্রেমিকের সাথে পালিয়ে বিয়ে করে ভিকটিম মেয়েটি।পরবর্তীতে মেয়ের পরিবার অপহরণ মামলা করে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার।পুলিশ বিভিন্ন উপায়ে চেষ্টা করে মঙ্গলবার রাতে ভিকটিম মেয়ে ও তার ১০ দিনের নবজাতক সন্তানকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ দাউদ বলেন,মানুষ মানুষের জন্য। আমি যখন দেখলাম ভিকটিম মা ও শিশু বাচ্চাটি শীতে কস্ট করছে তাৎক্ষণিক ২ টি কম্বল এর ব্যাবস্থা করি।রাত বাড়ার সাথে সাথে শীতের তীব্রতা বাড়লে তাদের কস্ট হচ্ছে দেখে নিজের বিছানার তোষক এনে তাদের দেই।যাতে তাদের শীতের রাতে ঘুমাতে কোন কস্ট না হয়”।
এমন মানবিক কাজ করায় প্রশংসা কুড়িয়েছেন ওসি মোহাম্মদ দাউদ।
থানার সকল কর্মকর্তা,অফিসার-ফোর্স সহ সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষ ওসি দাউদের মহানুভবতায় মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন।

সর্বশেষ