নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে কম পক্ষে ৬৭

নেপালে গত তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক বিমান দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ৬৭ জন নিহত হয়েছে বলে রোববার পুলিশ নিশ্চিত করেছে। বিমানটিতে ৭২ জন আরোহী ছিল।
পুলিশ কর্মকর্তা এ কে ছেত্রী বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানায়, ৩১ টি মরদেহ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে,’ আরও ৩৬টি মৃতদেহ এখনও ৩০০ মিটার (৬০০ ফুট) নীচে গিরিখাদে বিমানটিতে রয়েছে।
ইয়েতি এয়ারলাইন্সের বিমানটি কাঠমান্ডু থেকে পোখারায় যাওয়ার পর অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়। এসময় বিমানটিতে আগুন ধরে যায়।
বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই নেপালের সেনাবাহিনী উদ্ধার অভিযান শুরু করে।সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, মোট ২৯টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরও ৩৩টি মৃতদেহ মধ্য নেপালের পোখারায় ঘটনাস্থলে রয়েছে।
সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কৃষ্ণ প্রসাদ ভান্ডারি এএফপিকে বলেন, ‘বিমানটি একটি নদীর ধারে বিধ্বস্ত হয়েছে তাই মৃতদেহ আনা কঠিন হয়ে পড়েছে। অনুসন্ধান ও উদ্ধার কাজ চলছে। এখনো কোনো জীবিতকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
কাস্কি জেলার সহকারী প্রধান কর্মকর্তা গুরুদত্ত ঢকাল এএফপিকে বলেছেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ২৯টি মৃতদেহ উদ্ধার করেছি এবং (আমরা) কয়েকজন জীবিত ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছি।’ তবে আর কোন সুত্র থেকে এই খবরের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
বিমানটিতে মোট ৬৮ জন যাত্রীর ১৫ জনই ছিলেন বিদেশি নাগরিক, বাকি চারজন বিমানটির কর্মী। আরোহীদের মধ্যে ৫৩ জন নেপালি, পাঁচজন ভারতীয়, চারজন রুশ এবং দু’জন কোরিও ছিলেন বলে জানা গেছে। এছাড়া, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, আর্জেন্টিনা এবং ফ্রান্সের একজন করে নাগরিকও বিমানটিতে ছিলেন।
এই ঘটনার পর নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দহল মন্ত্রিপরিষদের জরুরি বৈঠক ডেকেছেন এবং সংশ্লিøষ্টদের জরুরি উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

সর্বশেষ