এশিয়ন টিভিতে মনোহরদী মাটি কাটা নিয়ে মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন প্রতিবাদ ও শাস্তির দাবি

 

গতকালকের জাতীয় ইলেকট্রনিক মিডিয়া এশিয়ান টেলিভিশনে প্রকাশিত একটি সংবাদ মনোহরদী উপজেলাবাসীর নজরে এসেছে। খবরে প্রকাশ ” প্রভাবশালী মহলের মদদে চলছে মনোহরদী উপজেলায় মাটি কাটার কার্যক্রম”।
“প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী”। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, স্থানীয় প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযানে মাটি / ভূমি খেকোরা রয়েছে দৌড়ের উপর। স্থানীয় প্রভাবশালী বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে? প্রভাবশালী মহল বলতে কি রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় মেম্বার চেয়ারম্যান?? নাকি স্হানীয় সংসদ সদস্য তথা মাননীয় শিল্পমন্ত্রী? বা অন্য কেউ? প্রভাবশালী মহল বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে? মনোহরদীবাসী জানতে চায়।
প্রশাসনের নীরব ভূমিকা বলতে কী বুঝিয়েছে উক্ত সংবাদে? প্রশাসন কী কারো হাতের মোয়া? স্হানীয় প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযানে মনোহরদী উপজেলায় মাটি খেকোরা আছে দৌড়ের উপর । গত কয়েকদিন আগে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বড়চাপা ইউনিয়নের মাটি কাটার অপরাধে বালু মাটি সংরক্ষণ আইন ২০১০ এর সংশ্লিষ্ট ধারা মতে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করছেন মনোহরদী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইসরাত জাহান। উপজেলা নিবার্হী অফিসারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মাটিকাটা/চুরি রোধে যেখানে তৎপর রয়েছে উপজেলা প্রশাসন, সেখানে একটি দালাল সিন্ডিকেট সাংবাদিক পরিচয়দানকারী দু-একজন মাননীয় শিল্পমন্ত্রী তথা সরকারকে বিব্রত করার জন্য এহেন মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করছে।
এধরনের মিথ্যা বানোয়াট বায়বীয় সংবাদকে মনোহরদী উপজেলার সচেতন জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে। এই সব ভুয়া সংবাদ প্রচারের অন্য একটি কারণও থাকতে পারে। এসব চিহ্নিত দালাল সাংবাদিক পরিচয়দানকারীরা প্রশাসনকে সামাজিকভাবে হেয় করার মাধ্যমে বিভিন্ন ফায়দা হাসিল করার একটা সুযোগ হতে পারে। স্থানীয় প্রশাসন যখনই অনিয়ম ও অন্যায় অপসারণে হার্ডলাইন তথা জিরো টলারেন্স গ্রহণ করে তখনই এইসব দালাল গ্রুপ প্রশাসনকে ম্যানেজ করতে না পেরে বিব্রত করার জন্য এসব মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ পরিবেশন করে। এসব স্থানীয় দালালদের হতে সাবধান। এদের ব্যাপারে এখনই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারি।

সর্বশেষ