আমি মাঠে কেঁদেছি, লকার রুমে কেঁদেছি, বিমানে একা কেঁদেছিঃ ভিনিসিয়র জুনিয়র

আমি মাঠে কেঁদেছি, লকার রুমে কেঁদেছি, বিমানে একা কেঁদেছিঃ ভিনিসিয়র জুনিয়র

আকাশ দাশ/ক্রীড়া প্রতিবেদকঃ
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে অপ্রত্যাশিত হারের পর আমি মাঠে কেঁদেছি, আমি লকার রুমে কেঁদেছি, আমি বিমানে একা কেঁদেছি এমনটাই লিখেছেন ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়র জুনিয়র।

ল্যাতিন আমেরিকা অঞ্চল থেকে কাতার বিশ্বকাপে ব্রাজিলের না পড়েছিলো অপরাজিত থেকে। আর এই বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের চার বছরে ব্রাজিল জাতীয় দলের এসেছে অনেক নতুন মুখ। তাদের মধ্যে অন্যতম রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়র জুনিয়র। ক্লাব আর জাতীয় দলের হয়ে অনবদ্য পারফরম্যান্স করে ঠিকই জায়গা করে নিয়েছিলেন বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত ব্রাজিল দলে। তবে নিজের অভিষেক ম্যাচটা স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না ভিনি। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টি শুট আউটে ৪-২ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিলো কাতার বিশ্বকাপের ফেভারিটদের। তাইতো এই হারের বেদনায় মাঠে, লকার রুমে, বিমানে এবং বাড়ি ফিরে ও কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন ভিনিসিয়র।

সম্প্রতি নিজের ফেজবুকে কয়েকবার এক স্ট্যাটাস লিখে আবার ডিলিট করে দেওয়া স্ট্যাটাসে ভিনি লেখেন, “আমি মাঠে কেঁদেছি, আমি লকার রুমে কেঁদেছি, আমি বিমানে একা কেঁদেছি, আমি বাড়ি ফিরে কেঁদেছি এবং যখনই আমি ভাবব যে আমরা কতটা কাছাকাছি ছিলাম… আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ দিন, সন্দেহ নেই।

স্ট্যাটাস ডিলেট এবং পুণরায় দেওয়া নিয়ে তিনি লিখেন, “আমি খুবই দুঃখিত, আমি এই লেখাটি কয়েকবার লিখেছি এবং ডিলিট দিয়েছি। হতাশা ব্যাখ্যা করার জন্য শব্দ খুঁজে পাচ্ছিনা, কিন্তু অশ্রু বাকি আছে। হাসি চলে গেছে এবং এটি আবার খুঁজে পেতে আমার কিছু সময় দরকার”।

ব্রাজিল সমর্থক এবং সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, “আমি ফুটবলকে ভালোবাসি এবং এটা আমাকে ব্রাজিলকে এমন জায়গায় রাখার নতুন সুযোগ দেবে যেখানে এটি সত্যিই থাকার যোগ্য: শীর্ষে। সৃষ্টিকর্তার পরিকল্পনা আমাদের চেয়ে বড়। আমরা আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসব। ব্রাজিল ফ্যান, তোমাদের কাছে হাজার ক্ষমাপ্রার্থী। আমরা গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ব্যর্থ হয়েছি এবং তোমাদের হতাশ করেছি, দুঃখিত… সমর্থন এবং ভালোবাসার জন্য তোমাদের ধন্যবাদ। তোমরা অসাধারণ ছিলে!!! একটি ঐক্যবদ্ধ ব্রাজিল ২০২৬ সালে হেক্সাকে জয় করবে। এটি লিখে রাখো।”

সর্বশেষ