বশেমুরবিপ্রবিতে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস-২০২২ পালিত

 

আইন বিভাগের সহযোগিতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) বিশ্ব মানবাধিকার দিবস-২০২২ উপলক্ষে “বৈষম্য ঘোচাও, সাম্য বাড়াও মানবাধিকারের সুরক্ষা দাও” এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে “বঙ্গবন্ধু ও মানবাধিকার” শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

আজ ১০ই ডিসেম্বর (শনিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ৫০১ নং রুমে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন আইন অনুষদের ডিন ও আইন বিভাগের সভাপতি ড. মো: রাজিউর রহমান, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড.এ.কিউ.এম. মাহবুব, প্রবন্ধ উপস্থাপক হিসেবে ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: শাহজাহান মন্ডল।

এসময়ে প্রবন্ধ উপস্থাপনায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান মন্ডল অত্যান্ত চমৎকারভাবে বিশ্ব মানবাধিকার দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন। মানবাধিকার শব্দটিকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করে এক বিস্তৃত ও পূর্ণাঙ্গ সংজ্ঞায়ন করেন। সেই সাথে তিনি দুটি বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহ রূপ সম্পর্কে আলোকপাত করেন যেখানে মানবাধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়।

সেমিনারে আইন অনুষদের ডিন ও আইন বিভাগের সভাপতি ড. মো: রাজিউর রহমান বলেন,’বঙ্গবন্ধু ও মানবাধিকার দুটি শব্দ একই সূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধুর জন্মই হয়েছিল মানুষের অধিকার সুরক্ষার জন্য। শিশুকাল থেকেই তিনি ছিলেন বৈষম্যের বিপক্ষে। তাঁর জীবনের লক্ষ্যই ছিল দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। তাঁর সারা জীবনের সংগ্রাম ছিল মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা। বঙ্গবন্ধুই আমাদের দেশের মুক্তিযুদ্ধের ধারক বাহক এবং মহানায়ক। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু আমাদের যে সংবিধান উপহার দিয়েছেন সেখানে সর্বজনীন মানবাধিকার দর্শনের পুরোপুরি প্রতিফলন ঘটেছে। সমতা, ন্যায়বিচার, সামাজিক মর্যাদা, শিশুদের অধিকার, কৃষক শ্রমিকের অধিকার, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অধিকারসহ সকল প্রকার মানবাধিকারের সন্নিবেশ ঘটেছে বাংলাদেশের সংবিধানে। এই সংবিধানের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় বঙ্গবন্ধু ও মানবাধিকার একে অপরের পরিপূরক এবং কোনোটিকে আলাদা করে ভাবার সুযোগ নেই।’

এসময়ে বশেমুরবিপ্রবি উপাচার্য একিউএম মাহবুব মানবাধিকার রক্ষা করার অবিরাম ও চলমান সংগ্রাম সম্পর্কে আলোকপাত করেন যা আদিকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত চলে আসছে। এছাড়া তিনি মানবাধিকারের সংগ্রামে শোষক ও শোষিত শ্রেনির অবস্থা তুলে ধরেন। সেই সাথে বঙ্গবন্ধুকে মনে প্রাণে ধারণ করার অভিমত ব্যক্ত করেন।

সর্বশেষ