১০ ডিসেম্বর ঢাকায় সমাবেশ করতে অনড় : মির্জা ফখরুল

 

গোলটেবিল আলোচনায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্যরা

আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকার সমাবেশ নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ নিয়ে মনে কোনো দ্বিধা রাখবেন না। সেদিন অবশ্যই রাজধানীতে সমাবেশ হবে। যে কোনো মূল্যে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সেদিন থেকে মানুষ নতুন স্বপ্ন দেখবে।

১০ ডিসেম্বর ঢাকায় সমাবেশ হবেই : মির্জা ফখরুল

 

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে হোটেল লেকশোরে এক গোলটেবিল আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

কেন্দ্রীয় বিএনপি ‘ভায়োলেন্স অ্যান্ড পলিটিক্স অব ব্লেমিং’ শীর্ষক এই সভার আয়োজন করে। 

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে বিএনপি নেত্রী শামা ওবায়েদ ও অ্যাডভোকেট ফারজানা শারমিন পুতুল অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, মীর মোহাম্মদ নাছির, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, জয়নুল আবদীন ফারুক, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, নিতাই রায় চৌধুরী, বরকত উল্লাহ বুলু, আবদুস সালাম, ডক্টর এনামুল হক চৌধুরী, ড. শাহিদা রফিক, ইসমাইল জবিউল্লাহ, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, জহির উদ্দিন স্বপন, তাবিথ আউয়াল, নায়াবা ইউসুফ প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন।

অন্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে জাতীয় পার্টির (জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, সুব্রত চৌধুরী, কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, ডিএল’র সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, জাগপার খন্দকার লুৎফর রহমান, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকীসহ ২০ দলীয় জোটের শরিক দলের নেতারা অংশ নেন।

গোলটেবিল আলোচনায় রাশিয়া, ইরান, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, জাতিসংঘ ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট শিরোনামে একটা প্রবন্ধ পাঠ করেন ডা. সায়ন্থ সাখাওয়াত। এছাড়া গত কয়েক বছরে দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতাসীনদের দ্বারা সহিংসতার ওপর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।

এ সময় মির্জা ফখরুল বলেন, অনির্বাচিত সরকার কয়েক দিন আগে একটি নাটক করেছে। কিছু আহত লোককে নিয়ে এসে আবারো ব্লেইমগেম খেলতে চাইছে তারা। কিছু অসমর্থিত সূত্র বলছে, আমাদের চলমান আন্দোলন বানচাল করতে ২০০ বাস নাকি পোড়ানোর জন্য রেডি করা হয়েছে। ছাত্রলীগ নামধারী নেতাদেরকে রেডি রাখা হয়েছে আমাদের মোকাবিলা করতে। কিন্তু আমরা বলছি সরকার এখন আবার পুরনো খেলায় মেতেছে। জনগণ আজকে জেগে উঠেছে।

তিনি বলেন, এ সরকার নির্বাচিত নয়। তারা ১৫ বছর ধরে দেশের মানুষের ওপর নিপীড়নের স্টিম রোলার চালাচ্ছে। আজকে দেশে ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি করেছে। মানুষ আজকে সর্বগ্রাসী দানব সরকারের হাত থেকে মুক্তি চায়। আজকে জাতির করুণ অবস্থা। আমরা এবার মানুষকে নিয়ে বেরিয়েছি। তারাই এবার আমাদের আগে রয়েছেন। আমরা পরিবর্তনের চেষ্টা করছি। ইনশাআল্লাহ আমরা বিজয়ী হবো। আসুন-মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে সকলে মিলে একটি বাসযোগ্য রাষ্ট্র তৈরি করি।

সর্বশেষ