অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ৮১ ডলারে নেমে আবার বাড়ল

 

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরই বাড়তে শুরু করে অপরিশোধিত তেলের দাম। একটা সময় ব্রেন্ট ক্রুডের দর ব্যারেলপ্রতি ১৩৯ ডলারে উঠে যায়।

তেলের মূল্যবৃদ্ধির জেরে দেশে গত এক বছরে দুবার তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। এতে খাদ্যসহ সবকিছুর দামই বেড়েছে। চাপে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। সর্বশেষ আগস্টে জ্বালানি তেলের দাম একলাফে সর্বোচ্চ ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়, যদিও তারপর আবার জ্বালানি তেলের দাম লিটারে পাঁচ টাকা কমানো হয়েছে।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করলে বাংলাদেশেও দাম সমন্বয় করা হবে বলে জানিয়েছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তাঁর বক্তব্য, ‘আমরা তেলের দাম বাড়াইনি, কেবল সমন্বয় করেছি।’ অর্থমন্ত্রীও একাধিকবার বলেছেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম কমলে দেশেও কমবে। কিন্তু বিশ্ববাজারে জ্বালানির দর যুদ্ধের আগের পর্যায়ে ফেরত গেলেও দেশের বাজারে এখন পর্যন্ত দাম কমানোর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।

দাম আরও কমবে
বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি তেল আমদানিকারক দেশ হচ্ছে চীন। তার পরেই আছে ভারত। ফলে জ্বালানি বাজারে এ দুটি দেশের বিপুল প্রভাব। চীনের জ্বালানি চাহিদা কমে গেলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির চাহিদা কমে যায়। সম্প্রতি বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম হ্রাস পাওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে চীনের লকডাউন। দেশটির বিভিন্ন স্থানে লকডাউন আরোপ করার কারণে দেশটির অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্তিমিত হয়েছে।

সেই সঙ্গে আছে সরবরাহ–সংকট। ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা নিম্নমুখী। মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকস বলেছে, চীনের শূন্য কোভিড নীতির কারণে বিশ্ববাজারে তেলের চাহিদা হ্রাস পাবে। এ বাস্তবতায় তারা আগামী বছরের জন্য তেলের দামের পূর্বাভাস ব্যারেলপ্রতি ১০ ডলার হ্রাস করেছে।

সর্বশেষ