ভৈরবে পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধুকে হত্যা \ স্বামীসহ গ্রেফতার

এম আর ওয়াসিম, ভৈরব(কিশোরঞ্জ)প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বাতাসা পট্রিতে পারিবারিক কলহের জের ধরে ২ সন্তানের জননী তানজিলা আক্তারকে ভবনের ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করেছে বলে স্বামী,শ্বশুড়সহ পরিবারের লোকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে । িিনিহতের মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য আজ মঙ্গলবার সকালে কিশোরগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেছে । হত্যাকান্ডের অভিযোগ এনে নিহতের বড় ভাই মাহমুদুল ইসলাম রাসেল বাদী হয়ে স্বামী,শ্বশুরসহ ৫ জনের নাম উল্ল্যেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জনকে আসামি করে ভৈরব থানায় ১টি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন ।

এদিকে সোমবার রাতে হত্যাকান্ডের পর পরই স্থানীয় জনতা নিহতের স্বামী মাসুদুজ্জামান,শ্বশুড় আবুল খায়ের ও দেবর তোফাজ্জল হোসেনকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করেছে । নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানায় বিগত ১০ বছর আগে ভৈরব বাজার বাতাসা পট্রির আবুল খায়ের এর পুত্র মাসুদুজ্জামানের সাথে চন্ডিবের গ্রামের মাজহারুল ইসলামের কন্যা তানজিলার পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয় । বিয়ের পর থেকেই স্বামী,শ্বশুড়সহ পরিবারের লোকজন নানা বিষয় নিয়ে তানজিলাকে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছে ।

সোমবার বিকালে তানজিলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার দেখিয়ে বাড়ি ফিরতে দেরী হওয়ায় স্বামী ও শ্বশুড়সহ পরিবারের লোকজন তাকে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করে । নির্যাতনের এক পর্যায়ে তানজিলাকে ৫ তলা ভবনের ছাদ থেকে নীচে ফেলে দেয় । পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন । এ সময় মরদেহ ফেলে পালিয়ে যাবার সময় স্থানীয় জনতা স্বামী মাসুদুজ্জামান,শ্বশুড় আবুল খায়ের ও দেবর তোফাজ্জল হোসেনকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করে । এ বিষয়ে অভিযুক্ত স্বামী মাসুদুজাজামান হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,তানজিলা নিজেই ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়েন । পরে আমরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মারা যায় ।

এ বিষয়ে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম জানান,এ ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে ।এছাড়া নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ৩ জনকে গ্রেফত

সর্বশেষ