বাড়ছে ওএমএসের আটার দামও

নিত্যপণ্যের দাম যখন পাগলা ঘোড়ার মতো ছুটছে তখন সরকারিভাবে খোলাবাজারে বিক্রি (ওএমএস) করা আটার দামও বাড়ানো হচ্ছে। আগামী রোববার (২০ নভেম্বর) থেকে প্রতি কেজি খোলা আটা ভোক্তা পর্যায়ে ২৪ টাকায় বিক্রি হবে। আর প্যাকেটের আটা বিক্রি হবে ৫৫ টাকায়।

বর্তমানে প্রতি কেজি খোলা আটার দাম ১৮ টাকা। অন্যদিকে দুই কেজির দাম ৪৬ টাকা। সে হিসেবে প্যাকেটজাত আটা প্রতি কেজিতে বেড়েছে সাড়ে চার টাকা। দুই কেজির প্যাকেট আটার দাম বেড়েছে নয় টাকা।
বুধবার (১৬ নভেম্বর) ওএমএস কার্যক্রমে বিক্রি করা খোলা ও প্যাকেট আটার মূল্য পুনর্নির্ধারণ করে খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে বৃহস্পতিবার নতুন করে সয়াবিন তেল ও চিনির দাম বাড়ানো হয়েছে। প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলে ১২ টাকা এবং প্যাকেটজাত চিনির দাম কেজিতে ১৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। নতুন এই দাম আজকে থেকেই কার্যকর।

চাল, ডাল, সয়াবিন তেল ও চিনির পাশাপাশি বেশ কিছুদিন ধরে আটা ও ময়দার বাজারও ঊর্ধ্বমুখী। সরকারি বাণিজ্য সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবির বৃহস্পতিবারের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা মহানগরীতে খোলা ও প্যাকেট আটা-ময়দা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়।

এমন অবস্থায় নিম্ন আয়ের মানুষকে স্বস্তি দিতে সরকার ওএমএস কার্যক্রমের আওতায় চাল ও আটা বিক্রি করে থাকে। এক ব্যক্তি একসঙ্গে পাঁচ কেজি ওএমএসের খোলা আটা কিনতে পারেন। যদিও এই আটা পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মানুষকে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।

পুনর্নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, খোলা আটার ক্ষেত্রে কেজিতে মিলারের কাছে গমের এক্স গুদাম মূল্য ১৯ টাকা, পেষাইসহ মিলারের কমিশন দুই টাকা পাঁচ পয়সা, ডিলারের কাছে আটা বিক্রি ২১ টাকা ৫০ পয়সা, ডিলারের কমিশন ও পরিচালন ব্যয় দুই টাকা ৫০ পয়সা।

দুই কেজির প্যাকের আটার ক্ষেত্রে মিলারের কাছে গমের এক্স গুদাম মূল্য ৩৮ টাকা, পেষাই ও প্যাকেট করাসহ মিলারের কমিশন ১৩ টাকা, ডিলারের কাছে আটা বিক্রি ৫১ টাকা এবং ডিলারের কমিশন ও পরিচালন ব্যয় চার টাকা।

সর্বশেষ