ফারদিন হত্যার রহস্য উদঘাটন নেপথ্যে রায়হান গ্যাং, যেকোনো সময় গ্রেপ্তার

 

বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশ হত্যা মামলায় চাঞ্চল্যকর অগ্রগতি পেয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন। শীর্ষ মাদক কারবারি রায়হান গ্যাং ফারদিন হত্যার নেপথ্যে কাজ করেছে।

আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রায়হানসহ বেশ কয়েকজনকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। যেকোনো সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফারদিন হত্যার চাঞ্চল্যকর সব তথ্য জানতে পারে বাহিনীটি। এলিট ফোর্সটির একাধিক সূত্র ঢাকাটাইমসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র  জানিয়েছে, আলোচিত এই হত্যার ঘটনায় রায়হানসহ বেশ কয়েকজন নজরদারিতে রয়েছে, যারা ফারদিনকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।

চনপাড়া কীভাবে গেল জানতে চাইলে র‌্যাবের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘চনপাড়া বস্তি থেকে ফারদিনের বাসা তিন কিলোমিটার দূরে। আর ফারদিন বস্তির ভেতরে যায়নি। ধারণা করছি, মেইন রোড থেকেই তাকে ফিটিং দিয়ে ভেতরে নেওয়া হয়েছে। এরপর পিটিয়ে মারা হয়েছে। এই ঘটনায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত সিটি শাহীনের সম্পৃক্ততার সংবাদ প্রকাশ হয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে। কিন্তু র‌্যাব বলছে এখন পর্যন্ত ফারদিন হত্যায় সিটি শাহীনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি।

মোবাইলের সবশেষ অবস্থান অনুযায়ী ৪ নভেম্বর রামপুরা থেকে চনপাড়া বস্তিতে যান বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশ। নিখোঁজের তিন দিন পর (৭ নভেম্বর) রাতে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ফারদিনের মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। এর আগে ছেলে নিখোঁজের ঘটনায় তার বাবা রামপুরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ফারদিন বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং ক্লাবেরও যুগ্ম-সম্পাদক ছিলেন তিনি। তিন ভাইয়ের মধ্যে ফারদিন সবার বড়।

তাদের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার কুতুবপুর ইউনিয়নের নয়ামাটি এলাকায়। তবে গত দুই বছর যাবত তারা সপরিবারে রাজধানীর ডেমরা থানার শান্তিবাগ কোনাপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়ায় বসবাস করছিলেন। পরশের বাবা কাজী নূর উদ্দিন রানা একটি ইংরেজি পত্রিকায় দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে সাংবাদিকতা করছেন। ছেলের মরদেহ উদ্ধারে পর রামপুরা থানায় মামলা করেন তিনি। এতে ফারদিনের বান্ধবী একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বুশরার নাম উল্লেখ করে কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। পরে বুশরাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেওয়া হয়।

সর্বশেষ