নাজিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সম্পাদকসহ ৫ নেতা কারাগারে

যাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে, তাঁরা হলেন নাজিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, জেলা বিএনপির সদস্য মিজানুর রহমান ও এম আনোয়ারুল ইসলাম এবং ঢাকার জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভাপতি হিরুয়ার রহমান মোল্লা। তাঁদের কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) খান মো. আলাউদ্দিন।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে বিএনপির নৈরাজ্যের প্রতিবাদে নাজিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় থেকে দলীয় নেতা-কর্মীরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ডিগ্রি কলেজের সামনে গেলে বিএনপির নেতা-কর্মীরা হামলা চালান। এতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা আহত হন। ৯ সেপ্টেম্বর উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান বাদী হয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম খানকে প্রধান আসামি করে ১০০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ২০০ জনকে আসামি করে স্থানীয় থানায় এ ঘটনায় মামলা করেন।

পিরোজপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন বলেন, ৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে দেশব্যাপী লোডশেডিং, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং ভোলা ও নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে তিন নেতা-কর্মী হত্যার প্রতিবাদে নাজিরপুর উপজেলার বিএনপির উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ যোগ দিতে আসা বিএনপির নেতা-কর্মীদের যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বাধা দেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। অথচ কৃষক লীগেরে এক নেতা বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেন।

সর্বশেষ