ইন্ডাস্ট্রিতে যা হয়, দু’জনের সম্মতিতে হয় : শ্রীলেখা

ওপার বাংলা আলোচিত অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। যেকোনো বিষয়েই অত্যন্ত সুস্পষ্ট এবং খোলামেলা কথা বলেন তিনি। সে কারণেই তাকে অনেকেই ঠোঁটকাটা ও স্পষ্টবাদী বলে থাকেন। আর তিনি স্পষ্ট ভাষায় কথা বলেন বলেই টলিউড তথা বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে তার বন্ধুর সংখ্যা যথেষ্ট কম।

সম্প্রতি এক ইন্টারভিউতে অভিনেত্রীকে জিজ্ঞেস করা হয় তিনি কেন কম কাজ করেন! সে বিষয়ে অভিনেত্রী বলেছিলেন, তিনি বাকিদের মতো তেল দিতে পারেন না। আর টলিউডের অনেকেরই আত্মসম্মান নেই। সে কারণেই বাকিদের তুলনায় তিনি কম কাজ পান। তবে তাই বলে তিনি নিজেকে বদলাতে চাননি। যেটা তাঁর মন বলে, তিনি সেটাই করেন।

ইন্ডাস্ট্রিতে যা হয়, দু’জনের সম্মতিতে হয় : শ্রীলেখা
 

সেই ইন্টারভিউতে অভিনেত্রী বলেছিলেন টলিউডে দুটি সিনেমা তখনই বাঁধা হয়ে যায় যখন একজন অভিনেত্রী কোনো অভিনেতা তথা হিরো বা ডিরেক্টরের সঙ্গে প্রেম করেন। শ্রীলেখা সেটা করেননি বলেই কি তিনি বরাবর প্রসেনজিতের বোন হয়ে রয়ে গেলেন? অভিনেত্রী জানান, সে সময় প্রসেনজিৎ মানেই ইন্ডাস্ট্রি ছিল, তার সঙ্গে একাধিক অভিনেত্রীর সুসম্পর্ক ছিল। কিন্তু নায়িকার সঙ্গে হয়তো জুটি হিসেবে ততটা কম্ফর্টেবল ছিল না। এরপর কোনো কারণে হয়তো তিনি আর কাজ করতে চাননি। অভিনেত্রী মনে করেন, পর্দায় জুটি বেঁধে কাজ করতে গেলে একটা প্রেম থাকা দরকার, যেমন উত্তম-সুচিত্রার জুটি। কিন্তু যেই সবাই বাডি হয়ে যায় তখনই গোল বাধে। তাই আর প্রেম করা হলো না। 

এই ইন্টারভিউতে যখন তাকে কাস্টিং কাউচের বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয় তিনি বলেন, তার একটি হিন্দি ছবিতে গোবিন্দর সঙ্গে কাজ করার কথা ছিল। সাবস্ক্রিপ্ট পড়ে শোনানোর জন্য তাকে ডাকা হয়েছিল। নায়িকা তার ভাইয়ের সঙ্গে সেখানে গিয়েছিলেন বলে জানান। সেখানে গিয়ে খাওয়া, আড্ডা হলেও কাজের কাজ হয়নি।

তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, দুজন স্টেপ না নিলে এগোনো যায় না এ ক্ষেত্রে। তার মতে, আসলে ‘ইন্ডাস্ট্রিতে ধর্ষণ হয় না।  কেবল কারো ইচ্ছাকে উসকে দেওয়া হয়। এখানে কাস্টিং কাউচ আছে, তবে এখানে যা কিছু হয়, দু’জনের ইচ্ছায় হয়। সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা।

সর্বশেষ