বিএনপির নাটাই আ.লীগের হাতে

 

বিএনপির আন্দোলন মোকাবিলায় আওয়ামী লীগ দল গোছানোর পাশাপাশি মাঠে থাকারও ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে বিএনপি সরকার হটানোর লক্ষ্যে আন্দোলনের প্রাথমিক পর্যায়ে সারা দেশে কর্মসূচি নিয়ে সরব। দলটি ডিসেম্বরের পর বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে রেখেছে। এর অংশ হিসেবে সংসদ থেকেও পদত্যাগের কথা বলেছে। বিএনপির আন্দোলন থামানোর জন্য ক্ষমতাসীনরা প্রস্তুতির কথা বললেও তারা অনেকটাই নির্ভার।

আওয়ামী লীগের শীর্ষ স্থানীয় কয়েকজন নেতা দেশ রূপান্তরকে বলেছেন, বিএনপি যতই আন্দোলন করুক, ঘুড়ি মনের সুখে যতই আকাশে উড়–ক, নাটাই তো সরকারের হাতে। সময় হলে নাটাই গুটিয়ে আনা হবে।

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি, সংসদ বিলুপ্ত করে নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরসহ বিভিন্ন দাবিতে বিএনপি আন্দোলন করছে। দলটি বলছে, এ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে হলে এ সরকারকে পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। ইতিমধ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচন ও পরবর্তী সরকারের একটি ধারণা দিয়েছেন। তার ধারণা অনুযায়ী নির্বাচনের পর জাতীয় সরকার গঠন করবে বিএনপি। এ ইস্যুতে বিএনপি সমমনা দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করছে। এক দফা সংলাপ শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় দফা সংলাপ শেষ করে একটি রূপরেখা চূড়ান্ত করার ঘোষণা দিয়েছে তারা। এ ছাড়া তারা বৃহত্তর ঐক্য গড়তে যুগপৎ আন্দোলনের কথাও বলছে। প্রাথমিক পর্যায়ে সারা দেশে আন্দোলন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপি সমাবেশ কর্মসূচি পালন করছে। এ কর্মসূচি ঘিরে পরিবহন ধর্মঘট ডাকছে মালিক-শ্রমিকরা। বিএনপি বলছে, তাদের কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করতেই পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হচ্ছে। এ ছাড়া ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থানে বাধা দেওয়া ও হামলার অভিযোগও রয়েছে বিএনপির।

 

সর্বশেষ