সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে বঙ্গবন্ধুর ধ্যান-ধারণা ছিল সুদূরপ্রসারী: ড.কলিমউল্লাহ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২ তম জন্মোৎসব উপলক্ষ্যে জানিপপ কর্তৃক আয়োজিত জুম ওয়েবিনারে এক বিশেষ সেমিনারের ৪৪৩তম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
জানিপপ-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রফেসর ড.মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন রংপুর মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আর্জিনা খানম এবং গেস্ট অব অনার হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন, কুষ্টিয়া থেকে সিনিয়র সাংবাদিক হুমায়ুন কবির ও শিল্প উদ্যোক্তা আমাতুন নূর শিল্পী।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন, গোপালগঞ্জস্হ বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বঙ্গবন্ধু ইনস্টিটিউট অব লিবারেশন ওয়ার এন্ড বাংলাদেশ স্টাডিজ এর অধীনে পিএইচডি গবেষণাগত প্রশান্ত কুমার সরকার ও নীলফামারীর জলঢাকা থেকে পিএইচডি গবেষক ফাতেমা তুজ জোহরা।
সভাপতির বক্তৃতায় ড.কলিমউল্লাহ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে বঙ্গবন্ধুর ধ্যান-ধারণা ছিল সুদূরপ্রসারী।
ড.কলিমউল্লাহ আরো বলেন,বঙ্গবন্ধু, বিচার বিভাগ ও আইনের শাসন তিনটি শব্দ সংবিধানে তথা বাংলাদেশ সৃষ্টির ইতিহাসে একাকার হয়ে মিশে আছে। একটি বাদ দিলে অপরটি অসম্পূর্ণ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আর্জিনা খানম বলেন,বঙ্গবন্ধুকে শুধু হত্যাই নয়, কুখ্যাত ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) অধ্যাদেশ জারি করে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথও বন্ধ করে দেওয়া হয়ে ছিল। অবশেষে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার গঠনের পর সুবিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আইনের শাসন বাস্তবায়নে এগিয়ে আসে । এরই ধারাবাহিকতায় শুরু হয় পিতৃ হন্তাকারকদের বিচার প্রক্রিয়া‌ এবং বঙ্গবন্ধুর ঘাতকদের ফাঁসির মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয় অপরাধী যতই ক্ষমতাধর হোক না কেন কেউই আইনের উর্দ্ধে নয়, শাস্তি তাকে পেতেই হয়। হত্যা করে কেউই রেহাই পেতে পারে না।

আমাতুন নূর বলেন,জনগণের মুক্তির জন্য, তাদের স্বাধীনতার জন্যই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর জীবনের ১৪ বছরেরও বেশি সময় জেল থেকে জেলে কাটিয়েছেন, জেল থেকে সরাসরি রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে গেছেন, আবার রাজপথ থেকে জেলে এসেছেন, সারাটা জীবনই উৎসর্গ করেছেন তাঁর সন্তানসম জনগণের মুক্তির জন্য।

সাংবাদিক হুমায়ুন কবির বলেন, বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারকে সরাসরি হত্যাকারীদের আমরা বিচারের আওতায় আনতে পেরেছি। কিন্তু ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছে মূল পরিকল্পনাকারীরা। এদেরকেও বিচারের আওতায় আনা প্রয়োজন।
ফাতিমা তুজ জোহরা বলেন, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা এবং পেশী শক্তির মোকাবেলায় সামাজিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে।এ সময় গুরুত্ব দিতে হবে শিক্ষা ও সংস্কৃতির মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং গণপ্রতিরোধের ওপর।

সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন আমেরিকার মিলেনিয়াম টিভির কান্ট্রি ডিরেক্টর ও রয়্যাল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা’র সহযোগী অধ্যাপক,বিভাগীয় প্রধান ও ডেইলি প্রেসওয়াচ সম্পাদক দিপু সিদ্দিকী।
সেমিনারে অন্যন্যের মধ্যে সংযুক্ত ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত প্রকৌশলী শাফিউল বাশার, রাজশাহী থেকে ডা. মাহবুবুল হক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ডা.বায়েজিদা ফারজানা।

সর্বশেষ