বঙ্গবন্ধু গুণীজন ও বয়স্কদের সম্মান দিয়ে কথা বলতেন: ড.কলিমউল্লাহ

. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২ তম জন্মোৎসব উপলক্ষ্যে জানিপপ কর্তৃক আয়োজিত জুম ওয়েবিনারে এক বিশেষ সেমিনারের ৪২৬তম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
জানিপপ-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রফেসর ড.মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন, ইউএন ডিজএ্যাবিলিটি রাইটস চ্যাম্পিয়ন ও অনারারি প্রফেসর আবদুস সাত্তার দুলাল এবং গেস্ট অব অনার হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন, শিল্প উদ্যোক্তা তাসলিমা ফেরদৌস ও রংপুর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আর্জিনা খানম।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন,ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ফ্যাকাল্টি কাজী ফারজানা ইয়াসমিন, পঞ্চগড় থেকে খাদেমুল ইসলাম ও রাজশাহী থেকে ডা. মাহবুবুল হক ।
মূখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রী এবং বিশিষ্ট নারী উদ্যোক্তা আমাতুন নূর শিল্পী।

সভাপতির বক্তৃতায় ড.কলিমউল্লাহ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, বঙ্গবন্ধু গুণীজন ও বয়স্কদের সম্মান দিয়ে কথা বলতেন।রাজনৈতিক মতাদর্শের যত অমিলই থাকুক, বঙ্গবন্ধু কখনো বিরোধী দলের নেতাদের কটাক্ষ করে কিছু বলতেন না বরং তাদের যথাযথ সম্মান দিয়ে কথা বলতেন। তিনি আরো বলেন,বঙ্গবন্ধু একটি প্রতিষ্ঠান, একটি সত্তা, একটি ইতিহাস।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুস সাত্তার দুলাল বলেন, বঙ্গবন্ধুর কীর্তি বাঙালি জাতিকে সারা বিশ্বে মর্যাদার আসনে আসীন করেছে এবং তাঁর কীর্তি আমাদের একটি স্বাধীন দেশ দিয়েছে, বুক ফুলিয়ে কথা বলার অধিকার দিয়েছে, শির উঁচু করে চলার সুযোগ করে দিয়েছে।

আর্জিনা খানম বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান। এটি শুধু একটি নাম নয়, একটি ইতিহাস। বাংলাদেশের ইতিহাস। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই জাতিকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র দিয়ে গেছেন।

আমাতুন নূর বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিবেক নাড়িয়ে দেয়ার সক্ষমতা দেখিয়েছেন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। ভেতরে এবং বাহিরে বঙ্গবন্ধুর রূপ একটিই ছিল ।যার ফলে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালিত্ব অর্জন করেছেন। তাঁর কথায় আস্থা এবং বিশ্বাস রেখে দল মত নির্বিশেষে সকলেই হানাদারদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আমাদেরকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ধারক এবং বাহক হতে হবে।
কাজী ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের মূল্যবান সময় জেলহাজতে থেকে, পরিবার-পরিজনের মায়া-মমতা থেকে বিচ্ছিন্ন জীবন কাটিয়ে শত দুঃখ-দুর্দশার মধ্যেও পাকিস্তানি শাসক-শোষকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে বাঙালিদের জন্য ‘বাংলাদেশ’ নামে একটি দেশ এনে দিয়েছেন। এ ঋণ শোধবার নয়। তিনি আরো বলেন, আমরা যেখানেই থাকি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সান্ধ্যকালীন সেমিনারে যুক্ত আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো।
খাদেমুল ইসলাম বলেন,বাংলাদেশের বর্তমান তরুণ প্রজন্মের কাছে এক সুমহান আদর্শের নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বর্তমান প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর অসীম সাহসিকতা, অসাধারণ নেতৃত্বের গুণাবলি, প্রজ্ঞা আর দূরদর্শিতায় দীক্ষিত।

সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন আমেরিকার মিলেনিয়াম টিভির কান্ট্রি ডিরেক্টর ও রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা’র সহযোগী অধ্যাপক,বিভাগীয় প্রধান ও ডেইলি প্রেসওয়াচ সম্পাদক দিপু সিদ্দিকী।
সেমিনারে অন্যন্যের মধ্যে সংযুক্ত ছিলেন,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত প্রকৌশলী শাফিউল বাশার, রাজশাহী থেকে ডা. মাহবুবুল হক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ডা.বায়েজিদা ফারজানা।

সর্বশেষ