বঙ্গবন্ধুর ছিল হিমালয়সম আত্মবিশ্বাস: ড.কলিমউল্লাহ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২ তম জন্মোৎসব উপলক্ষ্যে জানিপপ কর্তৃক আয়োজিত জুম ওয়েবিনারে এক বিশেষ সেমিনারের ৪২২তম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
জানিপপ-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রফেসর ড.মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন, বিশিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তা তাসলিমা ফেরদৌস এবং গেস্ট অব অনার হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন, রংপুর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আর্জিনা খানম, সিটিজেন বাংলা ডটকম পত্রিকার সম্পাদক মোশফিক কাজল ও কুষ্টিয়া থেকে সিনিয়র সাংবাদিক হুমায়ুন কবির।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন, ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ফ্যাকাল্টি কাজী ফারজানা ইয়াসমিন, ইন্টারন্যাশনাল রবীন্দ্র রিসার্চ ইনস্টিটিউট পরিচালক ও সহযোগী অধ্যাপক ফারহানা আকতার, ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রী, বিশিষ্ট নারী উদ্যোক্তা আমাতুন নূর এবং মুখ্য আলোচক হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন গোপালগঞ্জস্হ বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু ইনস্টিটিউট অব লিবারেশন ওয়ার এন্ড বাংলাদেশ স্টাডিজ এর অধীনে পিএইচডি গবেষণারত প্রশান্ত কুমার সরকার ।

সভাপতির বক্তৃতায় ড.কলিমউল্লাহ বলেন,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছিল হিমালয়সম আত্মবিশ্বাস।যা তাঁকে শত প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করতে শিখিয়েছে। ড. কলিমউল্লাহ বলেন, বঙ্গবন্ধু জনগণের শক্তিতে বিশ্বাসী ছিলেন। বক্তব্যের সূচনায় এক বর্ণাঢ্য সংগ্রামমুখর জীবনের অধিকারিনী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিনে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তাসলিমা ফেরদৌস স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছার জ্যেষ্ঠ সন্তান ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি দেশের দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালি জাতি হাজার বছরের পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তি লাভ করে। রক্তের বিনিময়ে কষ্টার্জিত এই স্বাধীনতা আমাদেরকে সমুন্নত রাখতেই হবে।
আর্জিনা খানম বলেন, একাত্তরের পরাজিত শক্তিরা আবারও মাথা চারা দিয়ে ওঠছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের পাঁয়তারা করছে এবং পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসার অপচেষ্টা করছে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার জন্মদিনে আমাদের শপথ নিতে হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকার।

আমাতুন নূর বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর মত তিনিও মানবতাবাদী এবং মমত্ববোধ সম্পন্ন উদার এবং বিচক্ষণ ব্যক্তিত্ব।
প্রশান্ত কুমার সরকার বলেন, বঙ্গবন্ধু শিক্ষকদের প্রতি ছিলেন আন্তরিক ও শ্রদ্ধাশীল।
কাজী ফারজানা ইয়াসমিন বলেন,ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন বাস্তবতা, প্রযুক্তি ছোঁয়ায় প্রত্যন্ত ঘরে বসে পৃথিবীর সব খবর পাচ্ছে এদেশের মানুষ, প্রয়োজনীয় কাজও সেরে নিচ্ছেন তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে। এর অপপ্রয়োগ বন্ধ করতে হবে এবং জ্ঞানের অবারিত সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে।
ফারহানা আকতার, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিনে তাকে উৎসর্গ করে স্বরচিত একটি কবিতা পাঠ করেন।

সভায় বক্তারা বলেন,জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অসীম সাহসে তাঁর লক্ষ্য অর্জনে থেকেছেন অবিচল। নিখাদ দেশপ্রেম, দূরদর্শিতা, দৃঢ় মানসিকতা ও মানবিক গুণাবলি তাকে আসীন করেছে বিশ্ব নেতৃত্বের আসনে। তিনিই বাঙালির জাতীয় ঐক্যের প্রতীক এবং বাঙালি জাতির সকল আশা-ভরসার নিরাপদ আশ্রয়স্থল। ’৭৫ পরবর্তী বাঙালি জাতির যা কিছু মহৎ অর্জন তা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই অর্জিত হয়েছে বলে বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন, সিটিজেন বাংলা ডটকম পত্রিকার সম্পাদক মোশফিক কাজল, কুষ্টিয়ার খোকশা থেকে সিনিয়র সাংবাদিক হুমায়ুন কবির, যশোর থেকে নুর এ আলম জাহিদ।

সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন আমেরিকার মিলেনিয়াম টিভির কান্ট্রি ডিরেক্টর ও রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা’র সহযোগী অধ্যাপক,বিভাগীয় প্রধান ও ডেইলি প্রেসওয়াচ সম্পাদক দিপু সিদ্দিকী।
সেমিনারে অন্যন্যের মধ্যে সংযুক্ত ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত প্রকৌশলী শাফিউল বাশার, রাজশাহী থেকে ডা. মাহবুবুল হক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ডা বায়েজিদা ফারজানা।

সর্বশেষ