নয়াপল্টনে যুবদল কর্মী শাওনের জানাজা সম্পন্ন

 

গত ২১শে সেপ্টেম্বর মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুরে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয় যুবদল কর্মী শাওন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে মারা যান তিনি। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিলো, শুক্রবার বাদ জুমা নয়াপল্টনে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু মরদেহ পেতে দেরি হওয়ায় আছরের নামাজের পরে জানাজার সময় দেয়া হয়। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় মরদেহ না পাওয়ায় অবশেষে মাগরিবের নামাজের পর শাওনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

এদিকে শাওনের মরদেহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হস্তান্তরে দেরি হওয়ায় বিকাল থেকে নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সামনে বিক্ষোভ করে বিএনপির নেতাকর্মীরা। বেলা ৫টা থেকে শুরু করে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করে তারা। তাদের অভিযোগ ছিলো- বারবার যোগাযোগ করলেও সরকারের শীর্ষ মহলের নির্দেশের কারণে মরদেহ হস্তান্তর করতে দেরি করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিএনপির নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ ও জানাজাকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টনে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিও ছিলো অন্যদিনের তুলনায় অনেক বেশি। তবে, কোনও ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

জানাজার আগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, শাওনের রক্ত আমাদেরকে নতুন করে শপথ নেয়াচ্ছে, আমরা ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটিয়ে তার আত্মত্যাগের প্রতিদান দিবো।

আজকে আমরা সবাই শপথ নিবো- শাওন যে গণতন্ত্রের জন্য প্রাণ দিয়েছে, মানুষের অধিকারের জন্য প্রাণ দিয়েছে, ভোটাধিকারের জন্য প্রাণ দিয়েছে, তা আদায় করার জন্য সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের মানুষ এই ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে। তবেই হবে শাওনের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা নিবেদন। জানাজায় অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ। শাওন ‘হত্যার’ প্রতিবাদে শনিবার বেলা ৩ টায় নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যুবদলে উদ্যোগে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেন মির্জা ফখরুল।

সর্বশেষ