Wednesday, September 28, 2022
Homeজাতীয়প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণকে গুরুত্ব দিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠনে কাজ শুরু...

প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণকে গুরুত্ব দিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠনে কাজ শুরু করেন বঙ্গবন্ধু: ড.কলিমউল্লাহ

.জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে জানিপপ কর্তৃক আয়োজিত জুম ওয়েবিনারে এক বিশেষ সেমিনারের ৪০৪তম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
জানিপপ-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রফেসর ড.মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন, ভারতের কলকাতা থেকে বিশিষ্ট টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ও প্রাবন্ধিক পিনাকী ভট্টাচার্য এবং গেস্ট অব অনার হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন,রংপুর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আর্জিনা খানম,
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন, ইন্টারন্যাশনাল রবীন্দ্র রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর পরিচালক ও সহযোগী অধ্যাপক ফারহানা আকতার, ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের ফ্যাকাল্টি কাজী ফারজানা ইয়াসমিন, সিটিজেন বাংলা ডটকম পত্রিকার সম্পাদক মোশফিক কাজল, ও রংপুর থেকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলাম এবং মুখ্য আলোচক হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন, বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পিএইচডি গবেষণারত প্রশান্ত কুমার সরকার।

সভাপতির বক্তৃতায় ড.কলিমউল্লাহ বলেন,প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণকে গুরুত্ব দিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠনে কাজ শুরু করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। মনুষ্যকূলের জীবনের জন্য পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করার অপরিহার্যতা বঙ্গবন্ধু অর্ধশত বছর পূর্বেই অনুধাবন করতে পেরেছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পিনাকী ভট্টাচার্য বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যেন বঙ্গবন্ধুরই প্রতিচ্ছবি। তিনি আরো বলেন,বঙ্গবন্ধু জীবিত থাকলে যে কাজগুলো করতেন, পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে যে পদক্ষেপগুলো নিতেন তার সবগুলোই যেন বঙ্গবন্ধু কন্যা অনুসরণ করে এগিয়ে যাচ্ছেন। সাম্প্রতি ভারত সফরেও এর প্রতিফলন আমরা প্রত্যক্ষ করেছি।

প্রশান্ত কুমার সরকার বলেন, জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডে তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারার যে ব্যর্থতা বঙ্গবন্ধুর অনুসারী নেতৃত্বের, সেটা জানার অধিকার দেশবাসীর রয়েছে।

আর্জিনা খানম বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রবেশ করেছে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির এক নতুন অধ্যায়ে। এই অগ্রযাত্রায় নিঃস্বার্থভাবে জননেত্রী শেখ হাসিনার সমর্থনে সদা জাগ্রত থাকতে হবে।
ফারহানা আক্তার, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে – ১৯৫৪ সালে পূর্ব পাকিস্হানের সুবিধাবঞ্ছিত জণগণের দাবী আদায়ের লক্ষ্যে ও পূর্ব-পাকিস্হানে স্বায়ত্তশাসনের দাবীতে “যুক্তফ্রন্ট কর্তৃক যে ২১ দফা” পশ্চিম পাকিস্হান সরকারের নিকট পেশ করা হয়েছিল, তা নিয়ে আলোচনা করেন ৷
মোশফিক কাজল বলেন,বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার ‘দিন বদলের সনদ’ কে সামনে রেখে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের এক মহাকর্মযজ্ঞ চলছে। এর গতিরোধ করা যাবে না। আগামী নির্বাচনে জনগণ নিশ্চয়ই বঙ্গবন্ধুর কন্যার পাশে দাঁড়াবে এবং আবারো সরকার গঠনের ম্যান্ডেট দিবে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন,বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলাম।

সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা’র সহযোগী অধ্যাপক,বিভাগীয় প্রধান ও ডেইলি প্রেসওয়াচ সম্পাদক দিপু সিদ্দিকী। সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে সংযুক্ত ছিলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক রমিজ আহমেদ সুলতান, কুষ্টিয়ার খোকসা থেকে সিনিয়র সাংবাদিক হুমায়ুন কবির,সিরাজগঞ্জ থেকে মিস হ্যাপি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ডা. বায়েজিদা ফারজানা, রাজশাহী থেকে ডা. এবিএম মাহাবুবুল হক ও রংপুর সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক আতাউর রহমান ।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular