Thursday, September 29, 2022
Homeঅর্থনীতিicddr,b and IEDCR initiate environmental surveillance of SARS-CoV-2

icddr,b and IEDCR initiate environmental surveillance of SARS-CoV-2

icddr,b and IEDCR initiate environmental surveillance of SARS-CoV-2 and other enteric pathogens in Dhaka and the Rohingya camps

 

Dhaka 10 August 2022 :

 

Today, the Environmental Interventions Unit (EIU) of icddr,b in collaboration with the Institute of Epidemiology, Disease Control and Research (IEDCR), Directorate General of Health Services (DGHS), Government of Bangladesh, launched a new initiative to undertake environmental surveillance of SARS-CoV-2 and enteric pathogens in Dhaka and in the camps where Forcibly Displaced Myanmar Nationals (FDMN) live, commonly known as Rohingya camps.

The event held at the Renaissance Dhaka Gulshan Hotel, Dhaka.

Environmental surveillance relies on wastewater samples, and helps track pathogens in circulation in the population, including their presence or absence, trends in concentrations, and generates an early warning, among others.

A few low- and middle-income countries, including Pakistan, and India, have deployed environmental surveillance for different diseases and successfully detected silent outbreaks – meaning a disease that otherwise would have gone unnoticed.

Under the initiative, wastewater samples will be collected from selected spots comprised of drains, canals, and pumping stations in selected areas of Dhaka city and in the Rohingya camps.

Subsequently, it will attempt to track and monitor four vaccine-preventable pathogens including Salmonella typhi, Vibrio cholerae, Rotavirus of enteric pathogen and SARS-CoV-2, in the communities.

The benefit of environmental surveillance is multifaceted – it is highly cost-effective and supplementary to the clinical surveillance system, it provides early warnings, data generated are free from bias by healthcare access or healthcare behaviour, it is effective in both symptomatic and asymptomatic infections, and evidence from environmental surveillance can be helpful for planning public health emergency responses – including in health communications, health facility preparedness, and vaccination campaigns.

 

 

The Mayor of the Dhaka North City Corporation (DNCC) Md. Atiqul Islam graced the meeting as Chief Guest while Engineer Taqsem A Khan, Managing Director and CEO of Dhaka Water Supply and Sewerage Authority (DWASA) attended as the Special Guest. The meeting was presided by Prof. Dr Tahmina Shirin, Director, IEDCR.

Prof. Dr Zakir Hossain Habib, Chief Scientific Officer, Virology, Head, Department of Microbiology at IEDCR presented the evidence on environmental surveillance in low- and middle-income countries.

Dr Md. Mahbubur Rahman, Principal Investigator, EIU at icddr,b, presented the overview of the initiative. He said, “We believe this study will generate fresh evidence and help support the Government of Bangladesh to respond to public health emergencies during any endemic situation effectively.

The Honourable Mayor of the Dhaka North City Corporation Mr Md. Atiqul Islam appreciated and thanked IEDCR, icddr,b, Emory University and the Rockefeller Foundation for taking up the initiative. In his remark, he said, “This type of research is very important as it assists in preventing public health emergencies. We have to remember that prevention comes before finding a cure.”  

Engr. Taqsem A Khan, in his remark, said, “I hope this study will lead to the creation of a database that will allow us to monitor different types of pathogens in the environment. Dhaka WASA is always very supportive of this type of study.”

Dr Megan Diamond, Director, Global Health Networks, The Rockefeller Foundation, USA also spoke on occasion. Prof. Dr Tahmina Shirin delivered the closing remarks.

The environmental surveillance initiative will be implemented in cooperation with the Dhaka North City Corporation (DNCC), Dhaka South City Corporation (DSCC), Dhaka Water Supply and Sewerage Authority (DWASA) in Dhaka, the Department of Public Health Engineering (DPHE), Refugee, Relief and Repatriation Commissioner (RRRC), and Office of the Civil Surgeon, Cox‐Bazar.

The Center for Global Safe Water, Sanitation and Hygiene at Emory University, USA, will provide technical assistance, while The Rockefeller Foundation, USA, will provide financial assistance.

National and international public health experts, representatives from the DGHS; IEDCR; Emory University, USA; and icddr,b were also present at the event.

 

 

আইসিডিডিআর,বি এবং আইইডিসিআর ঢাকা ও রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে সার্স-কোভি-২ ও অন্যান্য আন্ত্রিক জীবাণুর জন্য এনভায়রনমেন্টাল সার্ভিলেন্স শুরু করছে

 

ঢাকা ১০ আগস্ট ২০২২ :

 

আজ আইসিডিডিআর,বি-র এনভায়রনমেন্টাল ইন্টারভেনশন্স ইউনিট (ইআইইউ) বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনস্থ রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ঢাকা এবং বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক অর্থাৎ রোহিঙ্গা শিবিরে বসবাসকারীদের মধ্যে সার্স-কোভি-২ (ঝঅজঝ-ঈড়ঠ-২) ও অন্যান্য আন্ত্রিক জীবাণু চিহ্নিত করতে এনভারনমেন্টাল সার্ভিলেন্স কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এই উপলক্ষে রেঁনেসা ঢাকা গুলশান হোটেলে আজ এটির উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এনভায়রনমেন্টাল সার্ভিলেন্স বর্জ্য/পয়ঃ পানির নমুনাতে জীবাণুর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতিসহ জনগণের মধ্যে এর প্রবাহ চিহ্নিত করতে সহায়তা করে, একই সাথে জীবাণুর ঘনত্বের প্রবণতা সম্পর্কে ধারণা দেয় এবং প্রাথমিক সতর্কতা প্রদান করে। পাকিস্তান ও ভারতসহ কয়েকটি নি¤œ- ও মধ্যম-আয়ের দেশ এনভায়রনমেন্টাল সার্ভিলেন্স চালু করেছে এবং সফলভাবে সুপ্ত প্রাদুর্ভাব চিহ্নিত করতে পেরেছে।

এই পদক্ষেপের আওতায় ঢাকা শহরের নির্দিষ্ট কিছু স্থান এবং রোহিঙ্গা শিবিরের নির্দিষ্ট ক্যাম্পের নর্দমা, খাল এবং পাম্প স্টেশন থেকে বর্জ্য পানির নমুনা সংগ্রহ করা হবে।

পরবর্তীকালে, এটি জনগণের মধ্যে আন্ত্রিক জীবাণু সালমোনেলা টাইফি, ভিব্রিও কলেরি, রোটাভাইরাস এবং সার্স-কোভি-২ সহ এই চারটি ভ্যাকসিন-প্রতিরোধযোগ্য জীবাণু চিহ্নিত এবং পর্যবেক্ষণ করার চেষ্টা করবে। এনভায়রনমেন্টাল সার্ভিলেন্সের সুবিধা বহুবিধ – এটি ক্লিনিক্যাল সার্ভিলেন্স পদ্ধতির সহায়ক হিসাবে কাজ করে এবং ব্যয়-সাশ্রয়ী, এটি প্রাথমিক সতর্কতা প্রদান করে, এর তথ্য-উপাত্ত জনস্বাস্থ্য বিষয়ক জরুরী অবস্থা সংক্রান্ত পরিকল্পনা গ্রহণে অত্যন্ত উপকারী ভূমিকা পালন করে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব মোঃ আতিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ওয়াসা-র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার তাকসিম এ খান। আইইডিসিআর-এর পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ তাহমিনা শিরিন উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন।

আইইডিসিআর-এর ভাইরোলজি শাখার প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ও মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডাঃ জাকির হোসেন হাবিব, নি¤œ ও মধ্যম আয়ের দেশে চলমান এনভায়রনমেন্টাল সার্ভিলেন্সের বিভিন্ন দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেন।

আইসিডিডিআর,বি-র ইআইইউ-এর প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ডাঃ মোঃ মাহবুবুর রহমান তার উপস্থাপনায় এই গবেষণার বিস্তারিত তথ্য বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “এই গবেষণার ফলাফল বাংলাদেশ সরকারকে টিকাদানের মাধ্যমে প্রতিরোধযোগ্য রোগের ক্ষেত্রে সময়োপযোগী কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা বাস্তবায়নে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং মহামারীর ক্ষেত্রে জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।”

মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম এই পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আইইডিসিআর, আইসিডিডিআর,বি, যুক্তরাষ্ট্রের ইমোরি ইউনিভার্সিটি ও রকফেলার ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানান, এবং বলে “এই ধরণের গবেষণা আমাদের জন্য খুবই দরকারী, কারণ তা জনস্বাস্থ্যের সংকটে রোগ প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে। আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, রোগের সনাক্ত ও নিরাময়ের পূর্বে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা ভালো”।

ইঞ্জিনিয়ার তাকসিম এ খান তাঁর মন্তব্যে বলেন, “আমি আশা করছি, এই গবেষণার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ডাটাবেজ তৈরি হবে যা আমাদের পরিবেশের বিভিন্ন ধরণের রোগ জীবাণু মনিটরিং করতে সহায়ক হবে। ঢাকা ওয়াশা সকল সময় এই ধরণের গবেষণায় সহযোগিতা করে যাবে”।

যুক্তরাষ্ট্রের দ্য রকফেলার ফাউন্ডেশনের গ্লোবাল হেলথ নেটওয়ার্কের ডিরেক্টর ড. মেগান ডায়মন্ডও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
ঢাকায় এনভায়রনমেন্টাল সার্ভিলেন্স বাস্তবায়িত হচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা ওয়াসা, কক্সবাজারে ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক হেলথ ইঞ্জিনিয়ারিং (ডিপিএইচই), রিফিউজি, রিলিফ, অ্যান্ড রিপ্যাট্রিয়েশন কমিশনার (আরআরআরসি) এবং কক্সবাজারের সিভিল সার্জন অফিসের সহযোগিতায়। যুক্তরাষ্ট্রের ইমোরি ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর গ্লোবাল সেইফ ওয়াটার, স্যানিটেশন অ্যান্ড হাইজিন এতে কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের দ্য রকফেলার ফাউন্ডেশন এতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, আইইডিসিআর, যুক্তরাষ্ট্রের ইমোরি ইউনিভার্সিটি এবং আইসিডিডিআর,বি-র প্রতিনিধিবৃন্দও উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular