Sunday, October 2, 2022
Homeজাতীয়৯ আগস্ট এক নজরে বাংলাদেশ

৯ আগস্ট এক নজরে বাংলাদেশ

৯ আগস্ট এক নজরে বাংলাদেশ

 

পরিবহনে অপরাধ ক্ষমার অযোগ্য : সেতুমন্ত্রী

 

ঢাকা, ২৫ শ্রাবণ (৯ আগস্ট) :  

 

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের  বলেছেন, পরিবহনে যারা পরিকল্পিতভাবে ধর্ষণ ও ডাকাতির মতো ঘটনা ঘটায় তারা গণশত্রু, তাদের অপরাধ ক্ষমার অযোগ্য। তাদেরকে কঠোর হস্তে দমন করতে হবে।

 

মন্ত্রী আজ ঢাকায় নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।

 

পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে পরিবহন ভাড়া সমন্বয় করা হয়েছে। সরকারি এ সিদ্ধান্ত মেনে চলতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। সমন্বয়কৃত ভাড়ার বেশি আদায় করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান। 

 

জনবিচ্ছিন্নদের ৭ দলীয় জোট রাজনীতিতে গুরুত্বহীন : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

 

ঢাকা, ২৫ শ্রাবণ (৯ আগস্ট) :  

 

জনগণের সাথে সম্পর্কহীন ও রাজনীতিতে পরিত্যক্ত ব্যক্তিবিশেষরা নিজেদের গুরুত্ব বাড়াতে গণতন্ত্র মঞ্চ নামে যে জোট গঠন করেছে রাজনীতি কিংবা ভোটের মাঠে তার কোনো গুরুত্ব নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহ্‌মুদ।

 

আজ ঢাকায় মন্ত্রী তাঁর মিন্টো রোডের বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, ভাসানী অনুসারী পরিষদ ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন -এই সাত দলের ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ জোট গঠনে জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রবের ঘোষণা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

 

ড. হাছান বলেন, ‘গণতন্ত্র মঞ্চ নামে ৭ দলীয় একটি জোট গতকাল গঠিত হয়েছে দেখলাম। যারা এই জোট গঠন করেছে, তারা সবাই রাজনীতিতে পরিত্যক্ত ব্যক্তিবিশেষ এবং রাজনীতিতে গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। এরা প্রত্যেকেই নানা দল করে, নানা ঘাটের পানি খেয়ে আজকের এ অবস্থায় এসেছেন এবং জনগণের সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।’

 

‘এটি একটি গুরুত্বহীন জোট এবং ভোটের রাজনীতি বলুন বা দেশের সার্বিক রাজনীতি কোনো ক্ষেত্রেই তাদের কোনো গুরুত্ব নেই’ উল্লেখ করে হাছান মাহ্‌মুদ বলেন, ‘তারা নিজেরা যেহেতু গুরুত্বহীন, তারা মিলে একটি জোট গঠন করে নিজেদের গুরুত্ব বাড়ানোর চেষ্টা করছেন মাত্র, অন্য কিছু না।’

 

এর আগে মহাখালীতে পদ্মা সেতু নিয়ে ছেলেধরা গুজবের জের ধরে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার তাসলিমা বেগম রেনুর পরিবারের সাথে দেখা করে তাদেরকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ সহায়তা দেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহ্‌মুদ।

 

এসময় তিনি বলেন, ‘২০১৯ সালে যখন পদ্মা সেতুর কাজ পুরোদমে শুরু হয়, তখন বিএনপি-জামাত সারা দেশে গুজব ছড়িয়ে দেয় যে পদ্মা সেতুতে মানুষের রক্ত লাগবে, নরবলি দিতে হবে। তাসলিমা বেগম রেনু সেসময় বাচ্চাদের স্কুলে ভর্তি করতে গিয়েছিলেন। বিএনপি-জামাত সৃষ্ট গুজবের প্রেক্ষিতে তিনি নির্মমভাবে হত্যার শিকার হন। এই ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। শুধু তাসলিমা বেগমই নয়, বিএনপি-জামাতের গুজবের কারণে আরো অনেককে অসহায়ভাবে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে।’

 

‘প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এই ধরনের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াবার নির্দেশনা দিয়েছেন’ উল্লেখ করে মন্ত্রী এসময় রেনু বেগম হত্যার বিচারের বিষয়েও দলীয় সহায়তার আশ্বাস দেন। আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, মহাখালী থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

 

 

গ্রিসে বঙ্গমাতার ৯২তম জন্মবার্ষিকী এবং শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী পালন

 

এথেন্স (গ্রিস), ৯ আগস্ট :

 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতির পিতার জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় গ্রিসে পালিত হয়েছে। এই উপলক্ষ্যে গ্রিসের এথেন্সস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শুরুতেই বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় গ্রিসে বসবাসকারী বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ব্যবসায়ী এবং আঞ্চলিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশগ্রহণ করেন।

 

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত এবং পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করা হয়। এরপর, দিবস দু’টি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। বাণী পাঠের পর বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের মহতী জীবনীর ওপর নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জীবনীর ওপর নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

 

দূতাবাস প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বক্তারা বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।  তাঁরা মহীয়সী নারী বঙ্গমাতার  কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি গ্রিসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহ্‌মেদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা পরবর্তী দেশ পুনর্গঠনের কাজে বঙ্গমাতা দৃঢ়তা, সাহসিকতা ও বিচক্ষণতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখেছেন। বক্তারা তাদের আলোচনায় শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিকও তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের তারুণ্যদ্বীপ্ত এবং কর্মময় জীবনের কথা স্মরণ করে বলেন, শেখ কামাল ছিলেন দেশপ্রেমিক, সংস্কৃতিমনা এবং ক্রীড়াপ্রেমিক ব্যক্তিত্ব।  স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে নবগঠিত বাংলাদেশে একজন সফল ক্রীড়া এবং বাংলা সংস্কৃতির অন্যতম সংগঠক হিসেবে তিনি সকলের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

 

অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব, শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল ও বঙ্গবন্ধুর পরিবারের অন্যান্য শহিদ সদস্যের আত্মার মাগফিরাত এবং বাংলাদেশের অব্যাহত অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

 

 

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলস্রোতে আনা হচ্ছে : সমাজকল্যাণ সচিব

 

  গোপালগঞ্জ, ২৫ শ্রাবণ (৯ আগস্ট) :

          সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আদি পেশা যেন হারিয়ে না যায় সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ প্রদান করে তাদেরকে উন্নয়নের মূলস্রোতে আনা হচ্ছে।

          আজ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের উপকারভোগীদের প্রশিক্ষণ পরবর্তী কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সচিব এসব কথা বলেন।

          পরিদর্শনকালে বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয় ঢাকার পরিচালক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মোহাঃ কামরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

          সচিব বলেন, ইতোমধ্যে প্রায় ২৬ হাজার প্রান্তিক পেশাজীবীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। অনলাইন জরিপের মাধ্যমে প্রায় সোয়া চার লাখ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ডেটাবেইজ তৈরি করা হয়েছে। যথাযথ প্রশিক্ষণ, প্রশিক্ষণোত্তর আর্থিক অনুদান ও আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহের মাধ্যমে তাঁদের পেশাকে টিকিয়ে রাখা হবে।

          সচিব প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য  দেশের প্রতিটি উপজেলায় প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান।

          এর আগে সচিব টুঙ্গিপাড়াস্থ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

 

 

ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হবে টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত দ্বিতীয় রেল লাইন : রেলপথ মন্ত্রী

 

জয়দেবপুর (গাজীপুর), ২৫ শ্রাবণ (৯ আগস্ট) :

 

এ বছর ডিসেম্বরের মধ্যেই চালু হচ্ছে টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত নির্মাণাধীন ডুয়েল গেজ ডাবল রেল লাইন।

 

রেলপথ মন্ত্রী মোঃ নূরুল ইসলাম সুজন আজ ঢাকা টঙ্গী সেকশনের তৃতীয় ও চতুর্থ ডুয়েল গেজ এবং টঙ্গী -জয়দেবপুর সেকশনে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণ প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শনের সময় জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে একথা বলেন।

 

দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ স্টেশন চালু সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগ বন্ধ ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে ৪৭ হাজার ৬০০ জনের একটি জনবল কাঠামো অনুমোদিত হয়েছে এবং আমরা নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছি। মন্ত্রী বলেন, গত ৬ আগস্ট তারিখে সহকারী স্টেশন মাস্টারের পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে । দ্রুত সময়ের মধ্যে লোকবল নিয়োগ দিলে স্টেশনসমূহ চালু করা সম্ভব হবে।

 

লেভেল ক্রসিং গেটে দুর্ঘটনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বলেন, ট্রেনকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্যই আমরা লেভেল ক্রসিং এ লোক নিয়োগ দিয়ে থাকি কিন্তু বিভিন্ন সংস্থা তারা তাদের মতো করে রেললাইনের উপর রাস্তা তৈরি করছে। এক্ষেত্রে তাদেরকেই নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে হবে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

 

সম্প্রতি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে ভাড়া বাড়ানো বিষয়ে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মন্ত্রী বলেন, এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি তবে ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে প্রাথমিক চিন্তা করা হচ্ছে। কারণ বিভিন্ন পরিবহন সংস্থা যেভাবে ভাড়া বাড়িয়েছে আমাদেরকেও সে বাস্তবতা অনুযায়ী সমন্বয় সাধন করা দরকার।

 

উল্লেখ্য, ঢাকা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত তৃতীয় এবং চতুর্থ ডুয়েলগেজ এবং টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত সেকশনে ডুয়েলগেজ ডবল রেল লাইনটি ভারতীয় এলওসি এর অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে। ঢাকা থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত মোট ৪২ কিলোমিটারের মধ্যে টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার রেল লাইন এ বছর ডিসেম্বরের মধ্যেই চালু করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।   প্রকল্পের নির্মাণ মূল্য এক হাজার তিনশো কোটি টাকা।

 

আজ রেলপথ মন্ত্রী গ্যাংকার যোগে ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত পুরো অংশ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি নির্মাণকাজের অগ্রগতি সরেজমিনে দেখেন। এ পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশে রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অবকাঠামো মোঃ কামরুল আহসান, প্রকল্প পরিচালক নাজনীন আরা কেয়াসহ বিভাগীয় পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ছিলেন।

    

জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবসে খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা

দক্ষ ও সাশ্রয়ী ব্যবহার জ্বালানি নিরাপত্তায় কার্যকর অবদান রাখবে

 

ঢাকা, ২৫ শ্রাবণ (৯ আগস্ট) :

প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, বীর বিক্রম বলেছেন, জ্বালানির দক্ষ, সাশ্রয়ী ব্যবহার ও বহুমুখীকরণ জ্বালানি নিরাপত্তায় কার্যকর অবদান রাখবে। তিনি বলেন, জাতির পিতার হত্যার মাধ্যমে তাঁর স্বপ্ন ও আকাঙ্খাকেও হত্যা করা হয়েছে। 

উপদেষ্টা আজ জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ আয়োজিত ভার্চুয়াল সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে  সব ধরণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ এবং চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে লক্ষ্য অর্জনে বাধা সৃষ্টি করলেও আমাদেরকে দমাতে পারেনি। এই বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও জ্বালানি তেল, গ্যাস ও এলপিজির সরবরাহ নির্বিঘ্ন করা হয়েছে। সকলের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রাখুন, আমরা যেকোন সংকটকেই মোকাবিলা করতে পারবো। খুব দ্রুতই এই সংকট কেটে যাবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। 

উল্লেখ্য, আমাদের জাতীয় জীবনে একটি ঐতিহাসিক দিন ৯ অগাস্ট। জাতীয় উৎপাদন ও প্রবৃদ্ধিকে বদলে দেওয়ার মতো একটি ঘটনা ঘটেছিল এদিন। ১৯৭৫ সালের ৯ই অগাস্ট স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বহুজাতিক শেল অয়েল কোম্পানির কাছ থেকে ৫ গ্যাসক্ষেত্র- তিতাস, বাখরাবাদ, হবিগঞ্জ, রশিদপুর ও কৈলাশটিলা মাত্র ৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন পাউন্ড স্টার্লিং দিয়ে কিনে রাষ্ট্রীয় মালিকানা প্রতিষ্ঠা করেন। যার সুফল এখনো পাচ্ছে দেশের মানুষ। সেই ৫ গ্যাসক্ষেত্র থেকে এখনো মোট গ্যাসের প্রায় ৩০ শতাংশ পাওয়া যাচ্ছে।

ভার্চুয়াল সেমিনারে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো: মাহবুব হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেগম ওয়াসিকা আয়শা খান। সেমিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া। বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক মোল্লা আমজাদ হোসেন।

 

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে বঙ্গমাতার ৯২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন

ঢাকা, ২৫ শ্রাবণ (৯ আগস্ট) :

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্ম না হলে হয়ত স্বাধীনতার ইতিহাস ভিন্ন হতে পারত। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, বিচক্ষণতা ও দূরদৃষ্টিসহ বহুমাত্রিক গুণাবলীর কথা তুলে ধরে ড. শিরীন শারমিন বলেন, দৃঢ়চেতা ও বলিষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী বঙ্গমাতা বাঙালির সূদীর্ঘ স্বাধীনতা আন্দোলনের নেপথ্যে থেকে বঙ্গবন্ধুকে প্রতিটি পদক্ষেপে শক্তি, সাহস ও প্রেরণা যুগিয়েছেন।

তিনি গতকাল নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘মহীয়সী বঙ্গমাতার চেতনা; অদম্য বাংলাদেশের প্রেরণা’ প্রতিপাদ্যকে উপজীব্য করে আয়োজিত বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ‍বঙ্গমাতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহিদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী অনুষ্ঠানে পাঠ করা হয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

স্পিকার আরো বলেন, নির্লোভ ও শাশ্বত বাঙালি নারী হিসেবে তিনি অত্যন্ত সাদামাটা জীবন যাপন করতেন। জাতির পিতা কারাগারে থাকাকালীন বঙ্গমাতা একদিকে যেমন দলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দিয়ে, দলকে সংগঠিত করে অন্যদিকে শক্তহাতে পরিবারের হাল ধরে মূল্যবোধ, শিক্ষা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে সন্তানদের গড়ে তোলেন। তিনি বঙ্গমাতাকে ‘বিরল ব্যক্তিত্ব’ ও ‘সাধারণের মাঝেও অসাধারণ’ অভিহিত করে তাঁকে নারীর ক্ষমতায়নের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। বঙ্গমাতার  আদর্শ ও চেতনা সকল নারীর জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁরই অনুপ্রেরণা ও অনুরোধে বঙ্গবন্ধু কারাবন্দী অবস্থায় লেখালেখি শুরু করেন এবং ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’র  মতো অমর গ্রন্থ রচনা করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, শহিদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রদান করেন। কনসাল জেনারেল ড. মনিরুল ইসলাম অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব সহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এবং ১৯৭১-এর সকল শহিদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং দেশের অব্যাহত সমৃদ্ধি ও শান্তির জন্য মোনাজাত করা হয়।

 

 

যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উদযাপিত

 

ঢাকা, ২৫ শ্রাবণ (৯ আগস্ট) :

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব এর ৯২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ সহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব গোলাম মোঃ হাসিবুল আলম, প্রতিরক্ষা অ্যাটাচে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ সাহেদুল ইসলাম, মিনিস্টার (পলিটিক্যাল) মোঃ দেওয়ান আলী আশরাফ, ডেপুটি চীফ অব মিশন ফেরদৌসি শাহরিয়ার উপস্থিত ছিলেন।

এ উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।

রাষ্ট্রদূত পরিবার, সমাজ ও জাতির প্রতি বঙ্গমাতার অসামান্য আত্মত্যাগের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর জীবনে তাঁর প্রভাব এবং বাংলাদেশের ইতিহাসের গতিপথ নির্ধারণে বঙ্গমাতার নেপথ্যের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে সকল শহিদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। শেষে বঙ্গমাতার জীবন ও কর্মের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

 

এছাড়াও, নিউইয়র্ক, কানাডার টরন্টো ও অটোয়া, ব্রাজিলের ব্রাসিলিয়া, মিশরের কায়রো, তুরস্কের ইস্তান্বুল, ইতালির রোম এবং নিউইয়র্কের জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে বঙ্গমাতার ৯২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

 

বঙ্গমাতা বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুকে সহযোগিতা করেছেন : প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা

 

ঢাকা, ২৫ শ্রাবণ (৯ আগস্ট) :

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব ছিলেন জাতির পিতার সুযোগ্য সহধর্মিণী, সহকর্মী, সহযোদ্ধা ও জীবনের চালিকা শক্তি। তিনি বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতিটি পদক্ষেপে বঙ্গবন্ধুকে সক্রিয় সহযোগিতা করেছেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক, পারিবারিক, সামাজিক সংকটে-সংগ্রামে সার্বক্ষণিক সহযোগী ও অনুপ্রেরণাদাত্রী হয়ে নিভৃতে কাজ করে গেছেন।

প্রতিমন্ত্রী গতকাল রাতে অনলাইনে বাংলাদেশ হাইকমিশন লন্ডন আয়োজিত মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মহীয়সী নারী বঙ্গমাতার দেশপ্রেম, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দুরদর্শিতা, সাহসিকতা, মহানুভবতা, উদারতা, মানবকল্যাণ ও ত্যাগের মহিমা বাঙালিসহ বিশ্বের সকল নারী ও নতুন প্রজন্মের মাঝে প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা আরো বলেন, বঙ্গমাতা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে নারীদের কর্মসংস্থানসহ নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের প্রকৃত পথ প্রদর্শক। তিনি নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে দক্ষতা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব এর জন্মবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম বঙ্গমাতার সংগ্রামী জীবন, আত্মত্যাগ, সাহসিকতা, দেশপ্রেম, মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অপরিসীম অবদান এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের অজানা অনেক তথ্য জানতে পারবে।

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরিফ ও যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুকসহ যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।

          ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব: এ ফিয়ারলেস কম্প্যানিয়ন ইন ক্রাইসিস এন্ড স্ট্রাগল’ শীর্ষক সেমিনারে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য সেন্ট্রাল ফ্যামিলি কোর্টের জাজ খাতুন স্বপ্না আরা, বাংলাদেশি লেখক ও কবি শামীম আজাদ ও ব্যারিস্টার সুলতানা তরফদার কিউসি। অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশগ্রহণ করে।

 

 

শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদে রাষ্ট্রদূতের ব্রিফিং

ঢাকা, ২৫ শ্রাবণ (৯ আগস্ট) :     

শান্তিবিনির্মাণ কমিশন (পিবিসি) এর সভাপতি হিসেবে গতকাল নিরাপত্তা পরিষদ আয়োজিত ‘আফ্রিকাতে শান্তি ও নিরাপত্তা: টেকসই শান্তির জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক উন্মুক্ত বিতর্কে বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত।

টেকসই উন্নয়ন, অন্তর্বর্তীকালীন ন্যায়বিচার, আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় নারীদের সমান অংশগ্রহণ, যুবদের ক্ষমতায়ন এবং আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক শান্তি বিনির্মাণ উদ্যোগ ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলে পিবিসির অতীত এবং চলমান কর্মকাণ্ডসমূহ তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত মুহিত।

আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক আর্থিক সংস্থাগুলির সাথে অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি এবং আফ্রিকার জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর, জবাবদিহিমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা আরো এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান পিবিসি’র সভাপতি। তিনি আফ্রিকান ইউনিয়ন এবং অন্যান্য আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক সংস্থাগুলির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের শান্তি ও নিরাপত্তা পরিষদের সাথে আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। আফ্রিকায় সক্ষমতা তৈরিতে সুশীল সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত মুহিত আফ্রিকায় শান্তি বিনির্মাণ ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়তার ক্ষেত্রে শান্তিবির্নিমাণ তহবিলের অবদানের স্বীকৃতি দেন এবং শান্তিবিনির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত, অনুমানযোগ্য এবং টেকসই অর্থায়নের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular