Sunday, September 25, 2022
Homeজাতীয়২৮ জুলাই এক নজরে বাংলাদেশ

২৮ জুলাই এক নজরে বাংলাদেশ

২৮ জুলাই এক নজরে বাংলাদেশ

 

সুশাসন নিশ্চিত করলে ভোট চাইতে হবে না : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই) :

          নাগরিক সেবা নিশ্চিত করে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারলে জনপ্রতিনিধিদের ভোটের জন্য ভোটারদের কাছে যেতে হবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম।

          আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়িত কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক স্থানীয় সরকার (ইএএলজি) প্রকল্প এবং ইউএনডিপি আয়োজিত স্থানীয় সুশাসন বিষয়ে ‘অংশীজনদের সম্মেলন : অগ্রগতি, শিখন ও করণীয়’ শীর্ষক দিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা জানান।

          মন্ত্রী বলেন, সমাজে সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে। জনপ্রতিনিধিদের মানুষের জন্য কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের জন্য কাজ করলে ভোট নিয়ে ভাবতে হবে না। জনপ্রতিনিধিদের মর্যাদার জায়গায় যেতে হবে। না পারলে জোর করে টাইটেল লাগিয়ে শুধু পদবির মর্যাদাই পাবেন। সম্মান আদায় করতে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর মতো আনন্দের কিছু নেই।

          স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে আত্মনির্ভরশীল হতে হবে উল্লেখ করে মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, জনপ্রতিনিধিদের জনগণের নিকট থেকে কর আদায়ের পাশাপাশি পরিষদের আয়-ব্যয়ের হিসাব জনগণের নিকট প্রকাশ এবং উন্মুক্ত বাজেট উপস্থাপন করতে হবে। এতে করে জনসাধারণ অবশ্যই কর প্রদানে উৎসাহী হবেন। জনগণকে তাদের প্রত্যাশিত সেবা প্রদান করলে কর প্রদান না করার সুযোগ নেই। কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজেদের ইনকাম বৃদ্ধি করে উন্নয়নমূলক কাজে অবদান রাখতে হবে।

          উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে আরো বেশি শক্তিশালী করতে ইউনিয়ন এবং উপজেলা পরিষদের সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিবত করতে ইএএলজি প্রকল্প প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে বলেও জানান তিনি ।

          মন্ত্রী বলেন, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তাসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে যৌথভাবে কাজ করে দেশকে উন্নত সমৃদ্ধির জায়গা নিতে হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিলো একটি স্বাধীন বৈষম্যমুক্ত ও উন্নত দেশ প্রতিষ্ঠা করা। তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর নিরলস প্রচেষ্টায় নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষার হার বৃদ্ধি, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, কৃষি উৎপাদন ও গড় আয়ু বৃদ্ধি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

 

 

কেন্দ্রীয় তহবিল থেকে ১১শ’ গার্মেন্টস শ্রমিককে ১২ কোটি টাকা সহায়তা দেয়া হবে

 

ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই) :

          শতভাগ রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস শিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের কল্যাণে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে গঠিত কেন্দ্রীয় তহবিল থেকে ১১শ’ জন শ্রমিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রায় ১২ কোটি টাকা সহায়তা দেয়া হবে।

          আজ সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে কেন্দ্রীয় তহবিলের ১৭তম বোর্ড সভায় সহায়তার বিষয়টি অনুমোদন দেয়া হয়। প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান এতে সভাপতিত্ব করেন।

          এর মধ্যে বিজিএমইএ  এবং বিকেএমইএ এর ৫২৬ জন শ্রমিকের মৃত্যুজনিত এবং দুর্ঘটনায় স্থায়ী পঙ্গুত্ব বরণের কারণে সহায়তা দেয়া হবে ১০ কোটি ২৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ৩৩৬ জন শ্রমিককে চিকিৎসা সহায়তা দেয়া হবে এক কোটি টাকা। এছাড়া শ্রমিকের ২৪৭ জন মেধাবী সন্তানকে শিক্ষা  সহায়তা হিসেবে দেয়া হবে ৪৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

           কেন্দ্রীয় তহবিল থেকে এ পর্যন্ত গার্মেন্টস শ্রমিকদের প্রায় ১৪৬ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত এ তহবিলে ৩৬৯ কোটি ২৫ লাখ ৬ হাজার ৫৬৩ টাকা জমা হয়েছে।  এর মধ্যে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংকে ১২৫ কোটি ৭০ লাখ এফডিআর করা আছে বলে কেন্দ্রীয় তহবিলের মহাপরিচালক ড. মোল্লা জালাল উদ্দিন বোর্ডকে অবহিত করেন। শতভাগ রপ্তানি পণ্যের মূল্যের শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি এ তহবিলে জমা হয়।

           বোর্ড সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ এহছানে এলাহী, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক মোঃ নাসির উদ্দিন আহমেদ, বিকেএমইএ এর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, সহ-সভাপতি মোঃ মোরশেদ সারোয়ার সোহেল, বিজিএমইএ এর ভাইস প্রেসিডেন্ট খন্দকার রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক-কর্মচারী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম রনি এবং মহিলা শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা খায়রুন নাহার তামরিন অংশগ্রহণ করেন।

 

২০২১-২২ অর্থবছরে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের আরএডিপি বাস্তবায়ন হার ৯৯ দশমিক ২৫ ভাগ

 

ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই) :   

 

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ২০২১-২২ আরএডিপি বাস্তবায়ন হার শতকরা ৯৯ দশমিক ২৫ ভাগ। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের ইতিহাসে প্রায় শতভাগ এডিপি বাস্তবায়নের হার এই প্রথম। ২০২১-২২ অর্থবছরে জাতীয় পর্যায়ে আরএডিপি বাস্তবায়ন হার শতকরা ৯২ দশমিক ৭৯ ভাগ।

আজ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সভাপতিত্বে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত আরএডিপি বাস্তবায়ন সভায় এ তথ‌্য জানানো হয়। সভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব মোঃ খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

২০২১-২২ অর্থবছরে বিটিআরসি, ডাক অধিদপ্তর, বিটিসিএল, টেলিটক, বাংলাদেশ স‌্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড, টেলিফোন শিল্প সংস্থা, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক‌্যাবল কোম্পানি লিমিটেডসহ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ও এর আওতাধীন দপ্তর সংস্থার ১৪টি প্রকল্পের বিপরীতে স্ব-অর্থায়নসহ মোট ৮৫৪ কোটি টাকা বরাদ্দের বিপরীতে মোট ব‌্যয় হয়েছে ৮৪৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ বরাদ্দের বিপরীতে আর্থিক ব‌্যয় শতকরা ৯৯ দশমিক ২৫ ভাগ।

 

 ডেঙ্গু প্রতিরোধে এশিয়ায় সফলতার শীর্ষে বাংলাদেশ : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই) :

           ডেঙ্গুসহ অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে এশিয়ায় এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সফলতার শীর্ষে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম।

          আজ মন্ত্রণালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সারাদেশে ডেঙ্গুসহ অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ৩য় আন্তঃমন্ত্রণালয় ও ঢাকা শহরের চারপাশে পরিকল্পিত বাজার স্থাপনের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান।

          মন্ত্রী বলেন, এশিয়ার সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ও ভারতসহ অন্যান্য দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতির সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায় এসব দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অনেক কম।

          এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সর্বশেষ তথ্য তুলে ধরে মোঃ তাজুল ইসলাম জানান, সিঙ্গাপুরে ১৩ হাজার, মালয়েশিয়ায় ১৮ হাজার ৮৮৪, ইন্দোনেশিয়ায় ৪৫ হাজার ৩৮৭, থাইল্যান্ডে পাঁচ হাজার ১৯৬, ফিলিপাইনে ৫১ হাজার ৬২২ এবং ভারতে ১০ হাজার ১৭২ জন মানুষ ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছে। আর বাংলাদেশে এ বছরের জানুয়ারি থেকে ২৬ শে জুলাই পর্যন্ত দুই হাজার ৩০৫ জন রোগী আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

          তিনি বলেন, দুই সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সবধরনের প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছেন। মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ, জনবল, অভিযান পরিচালনার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটসহ যখন যা চেয়েছেন তখন তাই দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ, দপ্তর/সংস্থাও নিজ নিজ অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছেন। মানুষকে সচেতন করার জন্য যা যা করণীয় তার সব করা হয়েছে। যার সুফল হিসেবে আমরা আজ একটি ইতিবাচক জায়গায় পৌঁছেছি।

          ঢাকায় পরিকল্পিত বাজার স্থাপন সম্পর্কে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, সারাদেশে শাক-সবজি, মাছসহ অন্যান্য উৎপাদিত পণ্য ঢাকায় এনে যথাযথভাবে নগরবাসীর নিকট পৌঁছে দিতে ঢাকার চারপাশে পাইকারি বাজার স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। ঢাকা অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় অপরিকল্পিতভাবে পাইকারি ও খুচরা বাজার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় যানজটসহ নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এজন্য কিভাবে সুবিধাজনক বা নির্দিষ্টস্থানে পাইকারি ও খুচরা বাজার বসানো যায়, সেজন্য ঢাকার দুই মেয়রসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে আমরা আলোচনা শুরু করেছি।

          সভায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী সেখ মোহাম্মদ মহসিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

শহিদ খান টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব

ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই) :   

আজ বরিশালের বাকেরগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ খান টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আমিনুল ইসলাম খান। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব এ সময় শহিদ খানের স্মৃতিকে অম্লান করার প্রয়াসে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বাকেরগঞ্জবাসীর পক্ষে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকুল আরেফিন, বরিশালের জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দীন হায়দার, ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, পুলিশ সুপার মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম, উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ শামসুল আলম চুন্নু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল চন্দ্র শীল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবুজর মোঃ ইজাজুল হক, পৌর মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া প্রমুখ।

সচিব এর আগে বাকেরগঞ্জ বন্দর থেকে গোবিন্দপুর বাজার পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ খান সড়ক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ খান তুলাতলা ব্রিজের নামফলকও উন্মোচন করেন।

 

 

শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরে বিডিরেনকে কম দামে ব্যান্ডউইডথ দেওয়া হবে : টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই) :

          শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণভাবে ইন্টারনেটনির্ভর শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ  ইউজিসির শিক্ষা বিষয়ক নেটওয়ার্ক বিডিরেনকে সম্ভাব্য স্বল্প দামে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ সরবরাহ করবে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার আজ ঢাকায় বিডিরেনের সাথে এ বিষয়ক এক ভার্চুয়াল সভায় এ আশ্বাস ব্যক্ত করেন।

          ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব মোঃ খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় ইউজিসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. দীল আফরোজা বেগম, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মাহবুব-উল-আলম, বিটিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোঃ রফিকুল মতিন, সাবমেরিন ক্যাবল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম হাবিবুর রহমান এবং বিডিরেন’র সিইও মোহাম্মদ তাওরিত অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

          সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ডিজিটাল শিক্ষা বিস্তারে ডিজিটাল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের বিকল্প নেই। এই লক্ষ্যে ইতিপূর্বে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে সারাদেশে ৫শত ৮৭টি সরকারি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে বিনামূল্যে উচ্চগতির ওয়াইফাই চালু করা হয়েছে। এছাড়া বিটিআরসি’র এসওএফ’র অর্থায়নে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তর ৬শত ৫০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করছে। তিনি বলেন, শিক্ষাকে শিক্ষার জায়গায় দেখতে হবে। প্রয়োজনে সিএসআর থেকে যোগ করে হলেও স্বল্পমূল্যে ব্যান্ডউইডথ সরবরাহ করতে হবে।

          মন্ত্রী এ সময় ইউজিসিকে আশ্বস্ত করে বলেন, শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরে আপনাদের প্রচেষ্টা মানে আমাদেরই প্রচেষ্টা। তিনি বিডিরেন’র চাহিদা অনুযায়ী স্বল্প দামে অতিরিক্ত ব্যান্ডউইডথ সরবরাহের আশ্বাস ব্যক্ত করে বলেন, এ বিষয়ে আইনগত সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শিক্ষার জন্য সম্ভাব্য সর্বোচ্চ ছাড় দেওয়া হবে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব এই বিষয়ে প্রস্তাব পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেন।

 

শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে ম্যারিকো লভ্যাংশ জমা দিলো ২ কোটি ৩৬ লাখ টাকা

ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই) :    

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে বহুজাতিক কোম্পানি ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড এক বছরের লভ্যাংশের নির্দিষ্ট অংশ ২ কোটি ৩৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা জমা দিয়েছে।

          আজ সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের সাথে ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড-এর চিফ ফিনানসিয়াল অফিসার ইলিয়াস আহমেদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎকালে দুই কোটি ৩৬ লাখ ৬৯ হাজার ৮২৭ টাকার একটি চেক তাঁর হাতে তুলে দেন।

বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী, দেশি-বিদেশি কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের বছর শেষে মোট লাভের ৫ ভাগের ১ দশমাংশ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে।

          এপর্যন্ত দেশি-বিদেশি বা বহুজাতিক ২৬৫টি কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠান এ তহবিলে লভ্যাংশ জমা দিয়েছে। এই তহবিল থেকে প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের কর্মস্থলে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু, আহত, দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত শ্রমিকের চিকিৎসা এবং তাদের মেধাবী সন্তানদের উচ্চ শিক্ষায় সহায়তা দেয়া হয়।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. এহছানে এলাহী, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর মহাপরিচালক গোকুল কৃষ্ণ ঘোষ এবং ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড-এর মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক শ্যামল কিশোর এবং একাউন্টস ম্যানেজার মুসফিকুল হায়দারসহ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

জিটুপি পদ্ধতি ভাতা বিতরণে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই) :

          সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ বলেছেন, জিটুপি (গভর্নমেন্ট টু পার্সন) পদ্ধতি ভাতা বিতরণে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এ পদ্ধতিতে ভাতাভোগীরা নির্বিঘ্নে ভাতা পাচ্ছেন।

          মন্ত্রী আজ রাজধানীর আগারগাঁওস্থ সমাজসেবা অধিদফতর মিলনায়তনে সমাজসেবা অধিদফতরের বিদায়ী মহাপরিচালক শেখ রফিকুল ইসলামের বিদায় ও নবনিযুক্ত মহাপরিচালক ড. আবু সালেহ মোস্তফা কামালের বরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। সমাজসেবা অধিদফতরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) সৈয়দ মোঃ নুরুল বাসিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মোঃ আশরাফ আলী খান খসরু।

          মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বিপ্লব সূচিত হয়েছে। প্রায় এক কোটি পাঁচ লাখ লোক ভাতার আওতায় এসেছে। এ ভাতা মানুষের জীবনমানে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।

          করোনা অতিমারি চলাকালীন সকল ভাতাভোগীর ডাটাবেইজ তৈরি করে জিটুপি পদ্ধতিতে ভাতা বিতরণ সম্পর্কে আলোকপাত করতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ পদ্ধতিতে ভাতা বিতরণ ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নের ফলেই সম্ভব হয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা খাতে এ পদ্ধতি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

 

 

খাদ্যের জন্য কোনোক্রমেই বিদেশের উপর নির্ভরশীল থাকা যাবে না : কৃষিমন্ত্রী

রাজশাহী, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই) :

            কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই করা বিরাট চ্যালেঞ্জ। এই মুহূর্তে দেশে সাড়ে ১৬ কোটি মানুষ। অন্যদিকে কৃষি জমি কমছে। এই কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হলে কৃষিকে বিজ্ঞানভিত্তিক করতে হবে, যান্ত্রিক করতে হবে, আধুনিক করতে হবে। উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তিকে দ্রুত মাঠে নিয়ে যেতে হবে। তাহলেই খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই করা সম্ভব হবে।

            আজ রাজশাহী শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে রাজশাহী, রংপুর বিভাগসহ বরেন্দ্র অঞ্চলে তেল ফসল ও ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি শীর্ষক কর্মশালায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

            এ সময় কৃষি কর্মকর্তাদের দ্রুত খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, খাদ্যের জন্য বিদেশের ওপর কোনোক্রমেই নির্ভরশীল থাকলে হবে না। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় খুবই নির্দয় ও নিষ্ঠুর;  দেশের স্বার্থে,  জাতীয় স্বার্থে তাদের মধ্যে কোনো মানবতাবোধ, গণতন্ত্র ও নীতি-আদর্শ কাজ করে না। রাশিয়া- ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে ‘শস্য রপ্তানির’ একটি চুক্তি হয়েছে কিন্তু নানা অজুহাতে সেটি এখনো কার্যকর হয়নি। এরকম অস¦াভাবিক বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে নিজেদের খাদ্য নিজেরা উৎপাদন করতে না পারলে, টাকা থাকলেও খাদ্য পাওয়া যাবে না।

            কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, দ্রুত চালের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ব্রি ২৮সহ পুরনো জাতের ধানের পরিবর্তে নতুন উদ্ভাবিত বেশি উৎপাদনশীল জাত  ব্রিধান ৮৯, ৯২, ১০০সহ নতুন জাতগুলো কৃষকের নিকট দ্রুত পৌঁছে দিন ও জনপ্রিয় করুন। এ জাতগুলোর ফলন বিঘাতে ৩০ মণের বেশি হয়। এগুলো চাষ করলে চালের উৎপাদন  শতকরা ৩০ ভাগ বাড়ানো সম্ভব হবে।

            ড. আব্দুর রাজ্জাক আরো বলেন, দেশে ডলারের সংকট নেই, তেলের সংকট নেই,  সারেরও সংকট নেই। কিন্তু কিছু তথাকথিত বুদ্ধিজীবীসহ যারা চায় সরকারের তাড়াতাড়ি পতন হোক, দেশে খাদ্য সংকট হোক, অর্থনৈতিক বিপর্যয় হোক, তারাই এটি বলে বেড়াচ্ছে।  তারা স্বপ্ন দেখছে, এসব সংকট হলে আন্দোলন করে ক্ষমতায় আসবে বা সরকারের পতন হলে অগণতান্ত্রিক অনির্বাচিত সরকারের উপদেষ্টা ও মন্ত্রী হবে।

            কৃষিসচিব মোঃ সায়েদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিএআরসি’র নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মোঃ বখতিয়ার, ব্রি’র মহাপরিচালক শাহজাহান কবীর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বেনজীর আলম, বারি’র মহাপরিচালক দেবাশীষ সরকার প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

            কর্মশালায় বিদ্যমান শস্যবিন্যাসে তেল ফসলের অন্তর্ভুক্তি ও উচ্চ উৎপাদনশীল ধানের জাত চাষের মাধ্যমে তেল ও ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে পরিকল্পনা ও করণীয় বিষয়ে ৫ টি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কৃষি কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

            পরে নগরীর একটি হোটেলে খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) আয়োজিত ‘কৃষি সেক্টর রূপান্তরে বিনিয়োগ’ শীর্ষক আঞ্চলিক কর্মশালায়  কৃষিমন্ত্রী  প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।

 

বীর মুক্তিযোদ্ধারা বাঙালি জাতির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান : বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী

 

শিবচর (মাদারীপুর) ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই) :   

 

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক বলেছেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা জাতির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান। বাংলাদেশকে পৃথিবীর বুকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে তাঁদের অবদান বাঙালি চিরকাল স্মরণ রাখবে। 

 

আজ মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার নূর-ই-আলম চৌধুরী অডিটোরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মার্ট কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী একথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশকে স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি দেশকে অর্থনৈতিকভাবে মুক্তি দেওয়ার সময় পাননি। এখন, সেই কাজটি তাঁরই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষতার সঙ্গে করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার। এ সরকারের আমলে পদ্মা সেতু স্থাপনসহ দেশের প্রতি‌টি খাতেই উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। সরকার জনগণের কল্যাণে উন্নয়ন করে যাচ্ছে এবং এর ফলে দেশ আজ বিশ্ব দরবারে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে।

 

মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও সেবায় নতুন মাত্রা সংযোজন করা হয়েছে।

 

শিক্ষায় বিনিয়োগই সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই) :    

 

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, শিক্ষাখাতে বিনিয়োগই সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ। শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের মনুষ্যত্ত্ব বিকশিত হয়।

প্রতিমন্ত্রী আজ মেহেরপুরে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২২ এর উদ্বোধনী এবং জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২২ উপলক্ষ্যে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন।    

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানুষকে মানবিকতা গুণসম্পন্ন, দক্ষ ও সক্ষম করে গড়ে তুলতে শিক্ষার বিকল্প নেই। অভিভাবককে তাদের সন্তানদের সুশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। ফরহাদ হোসেন এসময় বাড়ির আঙিনা এবং খালি জায়গায় শাকসবজি ও ফলমূল চাষের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক ড. মোঃ মুনসুর আলম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মোঃ রাফিউল আলম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

 

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও আইডি কার্ড প্রদান শুরু

 

ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই) :   

 বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও আইডি কার্ড প্রদান শুরু করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

 আজ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক প্রধান অতিথি হিসেবে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

প্রথম ধাপে দেশের ১৭ টি জেলায় একযোগে ৪৬ হাজার ৮০৩ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে / পরিবারকে ডিজিটাল সনদ দেয়া হবে। এ ছাড়া জীবিত ২৪ হাজার ৭৬১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে পরিচয়পত্র দেয়া হবে।

জেলাগুলো হলো- ঢাকা, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, মেহেরপুর, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর, মাগুরা, ঝিনাইদহ, যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নড়াইল, গাজীপুর এবং নারায়ণগঞ্জ ।

এসময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রত্যাশিত ডিজিটাল সনদ এবং পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রম প্রথম পর্যায়ে ১৭টি জেলায় শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জেলার মুক্তিযোদ্ধাদেরও এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। মন্ত্রী জানান, মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে যাঁরা জীবিত আছেন, তাঁরা সার্টিফিকেট এবং আইডি কার্ড দুটিই পাবেন। কিন্তু যেসব মুক্তিযোদ্ধা মারা গেছেন, তাঁদের জন্য শুধু ডিজিটাল সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।

তিনি বলেন,  ডিজিটাল সনদ ও পরিচয়পত্র যাতে কেউ জাল করতে না পারে, সে জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল সনদে ১৪ ধরনের এবং পরিচয়পত্রে ১২ ধরনের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। গুগলে গিয়ে ‘ফ্রিডম ফাইটার ভেরিফায়ার’ অ্যাপের মাধ্যমে এই সনদ ও পরিচয়পত্রে ইউনিক নম্বর আপ করলে প্রথমেই ৩০ সেকেন্ডে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ও জাতীয় সংগীত শোনা যাবে। এতে আরও রয়েছে থ্রিডি লোগো, দুটি করে কিউআর কোড, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় ফুল শাপলার অ্যাম্বুশ করা শ্যাডো, বীর মুক্তিযোদ্ধার পৃথক তথ্যকণিকা, ইস্যুকারী মন্ত্রী ও সচিবের স্বাক্ষর, ওয়াটার মার্ক, জয় বাংলা ও জয় বঙ্গবন্ধুসহ নানা ধরনের নির্ধারিত আল্টামার্ক। যার অনেক কিছু খালি চোখে দেখা যাবে না।

এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শাজাহান খান, ঢাকা -২০ আসনের সংসদ সদস্য বেনজীর আহমেদ এবং মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়াসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ১৭টি জেলার সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকগণ ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন।

 

দেশের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে উদ্ভিদ প্রজাতির জরিপ করছে সরকার : পরিবেশ ও বনমন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই) :

 

          পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, দেশের বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম উদ্ভিদ প্রজাতির জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বাস্তবায়নাধীন বর্তমান প্রকল্পের মাধ্যমে পরিচালিত উদ্ভিদ জরিপ হতে প্রাপ্ত ফলাফল দেশের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিষয়ক শিক্ষা ও গবেষণা, উদ্ভিদ বৈচিত্র্যের টেকসই ব্যবস্থাপনা ও ব্যবহার, বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ প্রজাতি শনাক্তকরণ ও তাদের সুরক্ষা এবং জাতীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে এবং এসডিজি অভীষ্ট অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া এসব তথ্য জৈবিক বৈচিত্র্যের কনভেনশন, বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদের বিপন্ন প্রজাতির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংক্রান্ত কনভেনশন এবং  জলাভূমিতে রামসার কনভেনশনের প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে।

          মন্ত্রী আজ মিরপুরে বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘বরিশাল এবং সিলেট বিভাগের উদ্ভিদ প্রজাতি জরিপ’ শীর্ষক প্রকল্পের উদ্বোধন কর্মশালায় সরকারি বাসভবন হতে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

          মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মিজানুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব ও ন্যাশনাল হারবেরিয়ামের পরিচালক সঞ্জয় কুমার ভৌমিক, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মোঃ আমির হোসাইন চৌধুরী এবং এসভিএফবিএস প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. সরদার নাসির উদ্দিন ।

          মন্ত্রী বলেন, দেশের সকল বাস্তুতন্ত্রের উদ্ভিদ প্রজাতির সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য দেশের উদ্ভিদ প্রজাতির সঠিক পরিসংখ্যান জানা প্রয়োজন এবং কেবল মাত্র একটি পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদ জরিপের মাধ্যমেই দেশের উদ্ভিদ সম্পদের হালনাগাদ পরিসংখ্যান, অবস্থান এবং সংরক্ষণ অবস্থা সম্পর্কে জানা সম্ভব। তিনি বলেন, উদ্ভিদ বৈচিত্র্য বিবেচনায় বরিশাল একটি পরিবর্তনশীল ও ক্রমক্ষয়িষ্ণু বিভাগ। এ বিভাগের উদ্ভিদ প্রজাতির সংখ্যা ১০০০ এর অধিক বলে ধারণা করা হয়। অপরদিকে সিলেট বিভাগে উদ্ভিদ বৈচিত্র্যের প্রাচুর্য সৃষ্টির পক্ষে অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। সিলেট বিভাগের উদ্ভিদ প্রজাতির সংখ্যা ১৫০০ এর অধিক বলে জানা যায়। তবে সিলেট বিভাগের উদ্ভিদ বৈচিত্র্যের কোনো পূর্ণাঙ্গ জরিপ এখনো সম্পন্ন করা হয়নি। তাই এ প্রকল্পে বরিশাল এবং সিলেট বিভাগের উদ্ভিদ সম্পদের প্রকৃত অবস্থা নিরূপণ, বৈচিত্র্য নথিবদ্ধকরণ, সংরক্ষণ ও সুষম ব্যবহারের জন্য মাঠপর্যায়ে বিজ্ঞানসম্মত জরিপের মাধ্যমে প্রায় ৭০ হাজার উদ্ভিদের নমুনা সংগ্রহ করে  তথ্য সম্বলিত ২টি পুস্তক প্রণয়ন করা হবে এবং সকল তথ্য ই-ডাটাবেজ প্রস্তুত করে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

 

 

‘শেখ হাসিনা তাঁতপল্লি’ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবে : বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই) :

 

          বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বীরপ্রতীক বলেছেন, পদ্মা সেতুকে সামনে রেখে শিল্পায়নের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা হবে। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এ অঞ্চলে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরী করতে পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় ১২০ একর জমির উপর ‘শেখ হাসিনা তাঁতপল্লি’ স্থাপন করছে।

          আজ মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় ‘শেখ হাসিনা তাঁতপল্লি’ স্থাপন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি একথা বলেন। পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চেীধুরী, বস্ত্র ও পাট সচিব মো: আব্দুর রউফ, বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল করিম, বস্ত্র অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: নূরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

          মন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা তাঁতপল্লি’ প্রকল্পটির আওতায় তাঁতিদের কাপড় বোনা থেকে শুরু করে সব ধরনের সুবিধা দেওয়া হবে। তাঁতিদের জন্য থাকবে আবাসিক ভবন, তাঁত শেড, ডরমেটরি, রেস্ট হাউস, সাইবার ক্যাফে ও বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র। তাঁতপল্লিতেই সপ্তাহে দুই দিন তাঁতপণ্যের হাট বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সে হাটে সুতাসহ সবধরনের কাঁচামাল বিক্রয় ও প্রদর্শন করা হবে। তাঁতের কাপড় বোনা থেকে শুরু করে পোশাক তৈরি ও বিক্রি পর্যন্ত সব ব্যবস্থাই করা হবে। 

          তিনি বলেন, তাঁত শিল্প বাঙালি জাতির ঐতিহ্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার এই শিল্পকে আধুনিক ও বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে কাজ করছে। তাঁতিদের ভাগ্যোন্নয়নে নানামূখী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, দারিদ্র বিমোচনসহ আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানো বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।

          মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, শেখ হাসিনা তাঁতপল্লি এ শিল্পকে আধুনিকায়ন করার মাধ্যমে তাঁত শিল্পের অতীত ঐতিহ্যকে বিশ্বব্যাপি তুলে ধরতে সহয়তা করবে । 

          এরপর মন্ত্রী শিবচরে বস্ত্র অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘শেখ হাসিনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ’ নির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শন করেন।

 

আগামীকাল জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা

 

ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই) :      

১৪৪৪ হিজরি সনের পবিত্র মহরম মাসের চাঁদ দেখা এবং পবিত্র আশুরার তারিখ নির্ধারণের লক্ষ্যে আগামীকাল (২৯ জুলাই) সন্ধ্যা ৭.১৫ টায় (বাদ মাগরিব) ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মোঃ ফরিদুল হক খান।

বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র মহরম মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা নিম্নোক্ত টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক অথবা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।

টেলিফোন নম্বর : ০২-২২৩৩৮১৭২৫, ০২-৪১০৫০৯১২, ০২-৪১০৫০৯১৬ ও ০২-৪১০৫০৯১৭।

ফ্যাক্স নম্বর      :  ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ ও ০২-৯৫৫৫৯৫১।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular