Monday, October 3, 2022
Homeবিভাগীয় খবরভৈরবে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জিআরের চাল বিক্রি করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

ভৈরবে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জিআরের চাল বিক্রি করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

এম আর ওয়াসিম, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আগানগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. হুমায়ূন কবিরের বিরুদ্ধে ২০ টন জিআর বরাদ্দের চাল বিক্রি করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কিন্তু অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চেয়ারম্যান মোঃ হুমায়ূন কবির।অভিযোগ অস্বীকার করে চেয়ারম্যান বলেন বন্যার্তদের জন্য জি আরের চাউল এসেছে শোনে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান সবুজ এর নিকট গিয়ে বলেন, চাউল আমার ইউনিয়ন পরিষদের গুদাম টিসিবির পন্য, ডাল তেল চিনি, ভিজিডির চাল, ও ভিজিএফের চালে গুদাম ভর্তি। এই মূহুর্তে জিআরের চাল নিয়ে রাখার মত জায়গা নেই। তাই তিনি কয়েকদিন পরে নিতে চান। এতে নির্বাহী কর্মকর্তা সম্মতি দিয়েছেন বলে জানান চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবির জি আরের চাউল আনার কথা ছিল ২৭ জুন । কিন্তু গোদামে জায়গা না থাকায় ঈদের ঝামেলার কারনে উপজেলা কর্তৃ পক্ষের তথ্যাবধানে সেই চাউল নিয়ে আসেন ১৯ ও ২০ জুলাই।

এবিষয়ে একটি সংবাদ মাধ্যমে চাল বিক্র করে অর্থ আত্মসাতের একটি সংবাদ প্রকাশ পায় যা কিনা মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবী করেন তিনি। তাছাড়া একটি কুচক্রী মহল ইন্দন দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উক্ত চালের সরকারি মূল্য ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

এবিষয়ে উক্ত ইউনিয়ন পরিষদের ১০ সদস্য এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে বৃহস্পতিবার একটি লিখিত অভিযোগদায়ের করেছে বলেও জানা যায়।

অভিযোগে জানা গেছে, আগানগর ইউনিয়নে চলতি বন্যা ও দুর্যোগের কারণে এলাকার গরিব ও হতদরিদ্রদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য দুটি ডিওতে জিআর বাবদ ২০ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবির গত ৩০ জুন বরাদ্দ চাল ভৈরব খাদ্যগুদাম থেকে ডেলিভারি নিয়ে এলাকায় চাল নেননি। বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বাররা অবগত ছিলেন না।

পরে মেম্বাররা চালের বিষয়টি অবগত হয়ে তারা চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসা করলে চেয়ারম্যান হুমায়ূন বলেন, সব বিষয় আপনাদের জানাতে হবে কেন? তার পর মেম্বাররা জানতে পারেন জিআরের বরাদ্দের চাল এলাকার হতদরিদ্রদের মধ্যে বিতরণ না করে পুরো ২০ টন চাল চেয়ারম্যান কালোবাজারে বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিকুর রহমান সবুজ বলেন, অভিযোগের কপিটি পেয়েছি। কিন্তু সত্য নয়। জিআরের চাউল ২৭ জুলাই নেয়ার কথা ছিল কিন্তু গুদামে পর্যাপ্ত জায়গার অভাব রয়েছে বলে আমাকে অবগত করলে আমি কয়েকদিন পরে নেয়ার পরামর্শ দেয়। ফলে ১৯ ও ২০ জুলাই সেই চাউল নিয়ে যায়। বর্তমান পরিষদের গুদামে সেই চাউল মজুদ রয়েছে। তাছাড়া জিআরের চাল যদি বিক্রি করে ফেলত তাহলে তো কোন কোন ব্যক্তির নিকট থাকত। আসআনীত অভিযোগটি সত্য নয়। হয়ত পারিবারিক দ্বন্দের কারনে এমনটা প্রকাশ পেয়েছে। তাছাড়া আমি পিআই ও কর্মকর্তা কে দিয়ে তদন্ত করিয়েছি। সব কিছু ঠিক মত আছে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular