Saturday, October 1, 2022
Homeজাতীয়বঙ্গবন্ধু প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরের যা কিছু প্রয়োজন তা উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছিলেন:...

বঙ্গবন্ধু প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরের যা কিছু প্রয়োজন তা উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছিলেন: ড.কলিমউল্লাহ

মুজিব শতবর্ষ এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’র ১০২তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে জানিপপ কর্তৃক আয়োজিত বর্ষকালব্যপী জুম ওয়েবিনারে এক বিশেষ সেমিনারের ৩২৪তম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। জানিপপ-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রফেসর ড.মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন রংপুর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আর্জিনা খানম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন, এশিয়ান টেলিভিশনের সিনিয়র সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম রলি,ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র ইংরেজি বিভাগের ফ্যাকাল্টি কাজী ফারজানা ইয়াসমিন, নীলফামারীর জলঢাকা থেকে পিএইচডি গবেষক ফাতেমা-তুজ-জোহরা, ও নোয়াখালী থেকে আমিনা নিতু।
সেমিনারে গেস্ট অব অনার হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেবউননেসা ও শিক্ষা ক্যাডারের সহযোগী অধ্যাপক ও গবেষক আবু সালেক খান এবং মুখ্য আলোচক হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,গোপালগঞ্জ এর বঙ্গবন্ধু ইনস্টিটিউট অব লিবারেশন ওয়ার এন্ড বাংলাদেশ স্টাডিজ এর অধীনে পিএইচডি গবেষণারত প্রশান্ত কুমার সরকার।
সভাপতির বক্তৃতায় ড.কলিমউল্লাহ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরের যা কিছু প্রয়োজন তা উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
আর্জিনা খানম বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন আজ কেবল স্বপ্ন নয় বাস্তবায়নের যুগে পদার্পণ করেছে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে উন্নয়নের মহাসড়কে বীরদর্পে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ।
গবেষক আবু সালেক খান বলেন,
বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে একটা পরিশীলিত জনগণের রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন এবং দলের নেতৃত্বে থেকে জনগণকে সঙ্গে নিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

প্রশান্ত কুমার সরকার বলেন, বহুরূপী এবং সুবিধাবাদীদের দিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়।
ফাতেমা-তুজ-জোহরা বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে গড়ে তোলার রূপকল্প দিয়ে শত বছর এগিয়ে দিয়ে গিয়েছিলেন অনেক আগেই।
রফিকুল ইসলাম বলেন,পদ্মা সেতু উদ্বোধন হলে ২১টি জেলার নয় বরং ৪৬টি জেলার মানুষ সুবিধা ভোগ করতে পারবে।

সভায় বক্তারা বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মাহেন্দ্রক্ষণে পৌঁছেছি আমরা। এটি নিছক একটি সেতু নয়, উন্নয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের সেতুবন্ধন ও আত্ম মর্যাদার প্রতীক।
সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা’র সহযোগী অধ্যাপক,বিভাগীয় প্রধান ও ডেইলি প্রেসওয়াচ সম্পাদক দিপু সিদ্দিকী।
সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে সংযুক্ত ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আইডিয়াল কিডস কেয়ার স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপাল বায়েজিদা ফারজানা,রাজশাহী থেকে ডা.মনোয়ার।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular