Wednesday, October 5, 2022
Homeঅর্থনীতিThe BIGD international conference on Digitalization and New Frontiers of Service Delivery...

The BIGD international conference on Digitalization and New Frontiers of Service Delivery kicked off

The BIGD international conference on Digitalization and New Frontiers of Service Delivery kicked off

 

Dhaka, 20 June 2022:

 

An international conference on the potentials and challenges of using digital technology for inclusive development was organized in Dhaka from 20 to 22 June at the BRAC Centre Inn. The conference, titled “Digitalization and New Frontiers of Service Delivery: Opportunities and Challenges,” was organized by the BRAC Institute of Governance and Development (BIGD), BRAC University.

The conference brought together researchers, practitioners, and policy actors from around the world to share their experiences, learnings, and insights on a wide range of issues around digitalization and development.

The issues discussed in the conference included power, institution, and economics of digitalization; digital literacy, divide, and usage; birth registration as a gateway to e-services; digitalization, social empowerment, and transformation; digitalization, platform services, and their implication on the labour market; digitalization, local governance, and social protection; digital innovations in the delivery of health and education services and during COVID -19; the potentials of tech-based methods like natural language processing (NLP) in development research; and, algorithmic governance, data protection, and citizen’s identity.

In his introductory speech, Imran Matin, executive director of BIGD said that digitalization has come a long way since the government announced Digital Bangladesh Agenda in 2008.

The conference was inspired by the idea that there is real potential for digitalization to improve governance, development outcomes, and processes in Bangladesh, he added.

“This conference also stems from a belief that we need a strong learning-focused knowledge agenda to be able to deliver on the right pace of the sequence strategy. We will need to deliver on a meaningful,      impactful, and transformative digitalization agenda for Bangladesh,” he said.

Following the introduction, Professor Vincent Chang, Vice-Chancellor, of BRAC University made his opening remarks. He spoke about how BRAC University is moving towards becoming a global organization. He said, “In the past, the university focused on various social development issues including poverty, education, and health. In the future, BRACU will focus on technology as a means of social development because digitalization is crucial to social development.”

The first keynote was presented by Stefan Dercon, Professor of Economic Policy, at the Blavatnik School of Government and the Department of Economics at the University of Oxford.

Professor Dercon shared the key global insights on the use of digital technology for inclusive development and commented that “digitalization at times can be chaotic but is a more systematic introduction of digital technology to the economy and society.”  He moved on to say that digitalization is creating changes everywhere including in Bangladesh, which is evident in the ways many services are offered.

 “The opportunity of digital transformation is not only for service delivery, but it changes how goods and services are produced, capital is exchanged, and how production and distribution are organized,” he added. He also supported his statement by saying that the RMG sector was made profitable due to the digitalization of port management and transportation.

Professor Dercon was followed by Anir Chowdhury, Policy Advisor, a2i, Government of Bangladesh, who spoke about the achievements, future challenges, and opportunities of digitalization in Bangladesh.

Anir said, following the prime minister’s declaration of creating a digital Bangladesh, the country has come a long way. He mentioned that ever since the declaration, poverty has halved in Bangladesh, and 65% of the population has been brought under internet connectivity.

He pointed out that Bangladesh started with 10 digital services, and now it has 1500. In the early days, there were only two service centers (where people could go to avail of digital services) but now the number is 8200, with many falling under private partnerships.

“To bring in the government, we initiated an idea that one service will have to be digitized by each ministry, essentially bringing them in on the process and creating confidence within them,” he said. He also mentioned that the government took many innovative steps to combine service delivery with digitalization to reduce time and cost for many people.

“For example, 333 was initiated for those who did not have internet and access information about gov-services. In 2019, people started using the platform for reporting child marriage, which saved many girls’ lives. During COVID     -19, it was used for disseminating covid-related information and connecting the affected person to a doctor. Later, it was also used for providing emergency services,” he added.

In addition to global knowledge sharing, a core objective of the conference was to shed light on how digitalization can play a constructive role in the achievement of the country’s Vision 2041’—ending absolute poverty and graduating into a higher middle-income country by 2031 and eradicating poverty to become a developed nation by 2041.

 

 

 

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিআইজিডি আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু

 

ঢাকা, ২০ জুন ২০২২:

 

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে ২০-২২ জুন ঢাকার ব্র্যাক সেন্টার ইনে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

“ডিজিটালাইজেশন অ্যান্ড নিউ ফ্রন্টিয়ার্স অফ সার্ভিস ডেলিভারি: অপারচুনিটিজ অ্যান্ড চ্যালেঞ্জেস” শীর্ষক সম্মেলনটির আয়োজন করে ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অফ গভন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি)।

সম্মেলনে সারা বিশ্ব থেকে গবেষক এবং নীতিনির্ধারকরা একত্রিত হয়ে ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নয়ন বিষয়ে তাঁদের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান, এবং মতামত বিনিময় করেন।

সম্মেলনটির আলোচ্যসূচিতে ছিল ডিজিটাল সেবার সাথে ক্ষমতা, সরকারী-বেসরকারী সংস্থার কাঠামো ও অবস্থা, এবং অর্থনীতির সম্পর্ক; ডিজিটাল সাক্ষরতা, ডিজিটাল বিভাজন এবং এ প্রযুক্তির ব্যবহার; ই-পরিষেবাগুলির প্রবেশদ্বার হিসাবে জন্ম নিবন্ধনের গুরুত্ব; ডিজিটালকরণের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক রূপান্তর; ডিজিটালকরণ, প্ল্যাটফর্ম পরিষেবা (যেমন উবার), এবং শ্রম বাজারে এগুলোর প্রভাব; ডিজিটালকরণ, স্থানীয় শাসন, এবং সামাজিক সুরক্ষা; স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেবা প্রদানে এবং কোভিড-১৯ এর সময়ে ডিজিটাল উদ্ভাবন; উন্নয়ন গবেষণায় আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি (যেমন ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং) ব্যবহারের সম্ভাবনা; এবং অ্যালগরিদমভিত্তিক গভর্ন্যান্স, তথ্যসুরক্ষা, এবং নাগরিক পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য ।

বিআইজিডির নির্বাহী পরিচালক ইমরান মতিন তাঁর সূচনা বক্তব্যে বলেন, “২০০৮ সালে সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশের আলোচ্যসূচী ঘোষনা দেয়ার পর বাংলাদেশ একটা লম্বা পথ পাড়ি দিয়েছে।” তিনি যোগ করেন, “বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থার উন্নতি এবং উন্নয়নের ফলাফল ও পদ্ধতিকে দৃঢ় করতে ডিজিটালকরণের বাস্তব সম্ভাবনা রয়েছে- এমন ধারণা থেকেi এই সম্মেলনটি অনুপ্রাণিত।

তিনি আরও জানান, “বাংলাদেশের জন্য একটি অর্থবহ, গুরুত্বপূর্ণ ও রূপান্তরযোগ্য ডিজিটালকরণ কর্মপদ্ধতি প্রদান করতে হলে আমাদের প্রয়োজন শিক্ষা ও জ্ঞানকেন্দ্রীক শক্তিশালী একটি কার্যসূচী। এই সম্মেলনটি সেই গতিশীল সঠিক কৌশলটি প্রদান করতে সক্ষম বলে আমরা আশা করি।”

এরপর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ভিনসেন্ট চ্যাং উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন। কিভাবে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে, সে ব্যাপারে তিনি বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, “অতীতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় দারিদ্র্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন ইস্যুতে মনোনিবেশ করেছে। এরই পথ ধরে ভবিষ্যতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যম হিসেবে প্রযুক্তির উপরে জোর দেবে। কারণ সামাজিক উন্নয়নের জন্য প্রযুক্তি তথা ডিজিটালকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

প্রথম সেশনের মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনৈতিক নীতির অধ্যাপক স্টেফান ডারকন। প্রফেসর ডারকন অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য ডিজিটালপ্রযুক্তির ব্যবহারের বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার মূল বিষয়গুলো উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, “ডিজিটালকরণের প্রাথমিক দিকে কিছু ক্ষেত্রে বিশৃঙ্খল মনে হলেও অর্থনীতি ও সমাজব্যবস্থায় তা সুসংবদ্ধ পরিবর্তন আনতে পারে। বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্বে ডিজিটালকরণ পরিবর্তনের ছোঁয়া আনছে। বিভিন্ন ধরণের ডিজিটাল সেবা পাওয়া যাচ্ছে, এতেই তা প্রমানিত হয়।”

তিনি বলেন, “ডিজিটাল রুপান্তর কেবল পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রেই নয়, পণ্য ও সেবার উৎপাদন, মূলধন বিনিময়, উৎপাদন ও বিতরণ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারেও পরিবর্তন আনতে পারে। তাঁর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে একটি উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, “বন্দর ব্যবস্থাপনা ও পরিবহনে ডিজিটালকরণের ফলে আরএমজি খাতে উল্লেখযোগ্য লাভ হয়েছে।”

বাংলাদেশ সরকারের এটুআই (অ্যাসপায়ার টু ইনোভেট)’র পলিসি অ্যাডভাইজার অনির চৌধুরী বাংলাদেশে ডিজিটালকরণের অর্জন, ভবিষ্যত চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগ সম্পর্কে কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ১০টি ডিজিটাল পরিষেবা দিয়ে শুরু করেছিল এবং এখন এই সেবার সংখ্যা ১৫০০। শুরুর দিকে, মাত্র দু’টি পরিষেবা কেন্দ্র ছিলো যেখানে লোকজন ডিজিটাল সেবাগুলো পেতো। এখন এর সংখ্যা সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে ৮২০০।

তিনি বলেন, “সরকারি কার্যক্রমকে ডিজিটালকরণের আওতায় আনতে আমরা যে প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে তাদের একটি পরিষেবা ডিজিটাল করার আহ্বান জানিয়েছি।, মূলত, তাদের এই ডিজিটালকরণ প্রক্রিয়ায় আনতে হবে এবং তাদের মধ্যে আস্থা তৈরি করতে হবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকার অনেক লোকের জন্য সময় এবং খরচ কমাতে ডিজিটালাইজেশনের সাথে পরিষেবার সমন্বয়ে অনেক উদ্ভাবনী পদক্ষেপ নিয়েছে।“

উদাহরণস্বরূপ তিনি জানান, “যাদের কাছে ইন্টারনেট নেই এবং সরকারি সেবা সম্পর্কে তথ্য পেতে যাদের ভুগতে হয়, তাদের জন্য ৩৩৩ চালু করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে বাল্যবিবাহ সম্পর্কে রিপোর্ট করতে মানুষ এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা শুরু করেছিল যা অনেক মেয়ের জীবন বাঁচিয়েছে। কোভিড-১৯ চলাকালে এটি কোভিড সংক্রান্ত তথ্য প্রচার ও আক্রান্ত ব্যক্তিকে ডাক্তারের সাথে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়েছে। পরে জরুরি সেবা প্রদানের জন্যও এটি ব্যবহৃত হয়েছে।“ 

বৈশ্বিক জ্ঞান আদান-প্রদানের পাশাপাশি, সম্মেলনের আরেকটি মূল উদ্দেশ্য ছিল কীভাবে ডিজিটালকরণ দেশের ভবিষ্যত রূপকল্প-২০৪১ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করা। ২০৩১ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য নির্মূল করে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়া এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশের গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তি কি এবং কিভাবে ভূমিকা রাখতে পারে, সম্মেলনের বক্তারা এবিষয়ে গঠনমূলক আলোচনা করেন।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular