Spread the love

আকাশ দাশ/ক্রীড়া প্রতিবেদকঃ

আইপিএলের প্রথম কোয়ালিফারে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৪ উইকেটে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে ফাইনাল নিশ্চিত করলো চেন্নাই সুপার কিংস।

গতকাল আইপিএলের চতুর্দশ আসরের প্রথম কোয়ালিফাইয়ার ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার পৃথ্বী শ’এর ব্যাটে দারুণ সূচনা পায় দিল্লি ক্যাপিটালস। একপ্রান্তে শ ঝড় চললেও দলীয় ৩৬ রানের মাথায় অন্য ওপেনার শিখর ধাওয়ানকে ৭ রানে ফিরিয়ে চেন্নাইকে প্রথম সাফল্য এনে দেন অজি পেসার জজ হ্যালজউড। ধাওয়ানের বিদায়ে তিনে ব্যাট করতে নেমে শ্রেয়াস আইয়ার ফিরেন ১ রান করে। এইদিন চার নম্বর পজিশনে ব্যাট করতে নেমে অক্ষর প্যাটেল ফিরেন ১০ রান করে। অনেকক্ষণ ধরে একপ্রান্তে ঝড় তোলা তরুণ পৃথ্বী শ ফিরেন ৩৪ বলে ৭টি চার এবং ৩ছয়ে দলীয় সর্বোচ্চ ৬০ রান করে।

দলের এমন পরিস্থিতিতে অধিনায়ক রিশাভ পান্টকে সঙ্গী করে পঞ্চম উইকেটে ৮৩ রানের জুটি গড়েন ক্যারিবিয়ান হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান শিমরণ হেটমেয়ার। ব্যক্তিগত ৩৭ রানে হেটমেয়ার ফিরলে ভাঙে দুইজনের ভয়ঙ্কর এই জুটি। তবে ৩৫ বলে ৩চার আর ২ছয়ে রিশাভ পান্টের ৫১ রানে ইনিংসের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭২ সংগ্রহ করে দিল্লি ক্যাপিটালস। চেন্নাইয়ের হয়ে জজ হ্যাজলউড নেন ২টি করে উইকেট একটি করে উইকেট নেন রবীন্দ্র জাদেজা, মঈন আলি এবং ডোয়াইন ব্রাভো।

জবাব দিতে নেমে দলীয় ৩ রানের মাথায় ওপেনার ফাফ ডু প্লেসিকে হারায় চেন্নাই। তিনে ব্যাট করতে নেমে রবীন উথাপ্পাকে সঙ্গী করে ১১০ রানের জুটি গড়েন অন্য ওপেনার ঋতুরাজ গ্রেগওয়ার্ড। তবে ব্যক্তিগত ৬৩ রানের মাথায় উথাপ্পাকে ফিরিয়ে ভয়ঙ্কর এই জুটি ভাঙেন টম কুরান। এইদিন চারে ব্যাট করতে নেমে শার্দুল ঠাকুর ফিরেন ডাক মেরে। ব্যাট হাতে বড় ইনিংস খেলতে পারেনি আম্বতী রায়ডু এবং মঈন আলি।

একপ্রান্ত আগলে রেখে দিল্লির বোলারদের উপর ঝড় তোলা ওপেপার গ্রেগওয়ার্ড ফিরেন ৭০ রান করে। তার ৫০ বলের ইনিংসটি সাজানো ছিলো ৫টি চার আর ২টি বিশাল ছয়ে সাজানো। নিজেদের ইনিংসের শেষদিকে অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির ৬ বলে ১৮ রানের ইনিংসে ২ বল হাতে রেখে ফাইনাল নিশ্চিত করে চেন্নাই। দিল্লির হয়ে টম কুরান নেন ৩টি উইকেট একটি করে উইকেট নেন এনরিক নরকিয়া এবং আভেশ খান।