১৪ নভেম্বর পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেনের ছুটি বৃদ্ধি

ঢাকা ১৩ কার্তিক (২৯ অক্টোবর):

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত সকল ধরনের সরকারি, বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেন ছুটি থাকবে। এ সময়ে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদেরকে নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞতিতে আরো জানানো হয় প্রধান কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ হতে সময়ে সময়ে জারীকৃত নির্দেশনা ও অনুশাসনসমূহ শিক্ষার্থীদের মেনে চলতে হবে। শিক্ষার্থীদের বাসস্থানে অবস্থানের বিষয়টি অভিভাবকবৃন্দ নিশ্চিত করবেন এবং স্থানীয় প্রশাসন তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষন করবে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণকে নিজ শিক্ষার্থীরা যেন বাসস্থানে অবস্থানকরে পাঠ্যবই অধ্যয়ন করে তা অভিভাবকদের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

১৪ নভেম্বর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বৃদ্ধি

ঢাকা, ১৩ কার্তিক (২৯ অক্টোবর) :

১৪ নভেম্বর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বৃদ্ধি করা হয়েছে। আজ শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। এসময় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব
মো. মাহবুব হোসেন এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো আমিনুল ইসলাম খান যুক্ত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে তাদের জন্য সীমিত পরিসরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া যায় কি না চিন্তা করছে সরকার। এছাড়া, অন্যান্য শিক্ষার্থীদের জন্য খুব কম সময়ের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার চিন্তা আছে। তবে সব কিছু নির্ভর করছে কোভিড ১৯ পরিস্থিতির ওপর। কারণ আবার করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বিধায় এসব বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান চতুর্থ বর্ষে যারা ইতোমধ্যে পাঁচটি পরীক্ষা দিয়েছেন বাকি পরীক্ষাগুলোতেও তাদের অংশগ্রহণ করতে হবে। কারণ তারা পরীক্ষা শেষে চাকরিতে প্রবেশ করবেন। সেটি মাথায় রেখে শীঘ্রই পরীক্ষা কিভাবে নেয়া হবে তা জানানো হবে।

টিউশন ফি বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, যেসকল অভিভাবক করোনায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত তাদের বিষয়ে মানবিক আচরণ করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অপ্রয়োজনীয় কোন ফি নেয়া থেকে বিরত থাকতে স্কুল কতৃর্পক্ষকে তিনি আহ্বান জানান। এসময় স্কুল ফি এর বিষয়ে একটি নির্দেশনা দেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।