যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর

 ঢাকা, ১৩ শ্রাবণ (২৮ জুলাই) :

        সরকারের কর্মসম্পাদন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির আওতায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়  এবং এর আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর মঙ্গলবার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের  সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

        যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের  সচিব মোঃ আখতার হোসেনের সভাপতিত্বে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ  উপস্থিত ছিলেন।

        বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে যুব ও ক্রীড়া সচিব বলেন, সরকারি কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি, সম্পদের সদ্ব্যবহার এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়নে বার্ষিক কর্মসম্পদন চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। প্রত্যেকটি কাজেরই একটি লক্ষ্যমাত্রা থাকা উচিত। লক্ষ্যমাত্রা সুনির্দিষ্ট না হলে আমরা বছর শেষে কি অর্জন করলাম তা স্পষ্ট হয় না। আজকের এই চুক্তির মাধ্যমে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের  আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাসমূহের কাজের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হলো।

        যুব ও ক্রীড়া সচিব দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় পরিহার করবেন। আপনাদের সফলতাই আমাদের সফলতা, আপনাদের অর্জনই আমাদের অর্জন। আশা করি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আপনারা সচেষ্ট হবেন।

        বাংলাদেশ সরকারের রূপকল্প ২০২১ এর যথাযথ বাস্তবায়ন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা, সরকারের সার্বিক উন্নয়ন অগ্রাধিকার প্রাধান্য দিয়ে কাক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছানোর লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করার জন্য দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

        যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর , জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, ক্রীড়া  পরিদপ্তর, বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন,  বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি), শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের দপ্তর প্রধানগণ নিজ নিজ দপ্তর ও সংস্থার পক্ষে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের  সঙ্গে ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর করেন।