বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রযুক্তিকে মূল হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছেন: পলক
ঢাকা, ২৬ ডিসেম্বর ২০২০:
আইসিটি সেক্টরে ১০ লাখ ছেলে-মেয়ে কাজ করছে:আইসিটি প্রতিমন্ত্রী
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, বর্তমানে দেশের ১১ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। আইসিটি সেক্টরে ১০ লাখ ছেলে-মেয়ে কাজ করছে। ঘরে বসেই ফ্রিল্যান্সাররা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। করোনার সময় ১০ লাখ ই-নথি সম্পূর্ণ হয়েছে, যার মাধ্যমে সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রম, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সরবরাহসহ সবকিছু সচল রাখা সম্ভব হয়েছে। বিগত ১২ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা অর্থনৈতিক মুক্তির দ্বারপ্রান্তে উপনীত এবং বৈষম্যমুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজপ্রতিষ্ঠায় প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিমন্ত্রী আজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে মহান বিজয় দিবস ২০২০ উপলক্ষ্যে ‘জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার’ শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনাসভায় সভাপতির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও মুখ্য আলোচক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য ডক্টর আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, বঙ্গবন্ধু কারিগরি, বৃত্তিমূলক এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিশিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন। সাধারণ জনগণের মাঝে তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা পৌঁছে দেয়া ও বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্বপ্নের সোনার বাংলা তথা প্রযুক্তিনির্ভর সাম্যের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যোন্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থ প্রতিম দেব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম আরশাদ হোসেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি এজেন্সির মহাপরিচালক রেজাউল করিম।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়। রাজনৈতিক কারণে ধর্মকে ব্যবহার করা যাবে না।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর থেকে ২১টি বছর ধর্মকে রাজনীতিতে ব্যবহার করে বাংলাদেশকে উন্নয়নের পথ থেকে সরিয়ে অন্ধকারের পথে নিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা করেছে একাত্তরের পরাজিত শক্তি, পঁচাত্তরের ঘাতক এবং পাকিস্তানের দালালেরা।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, স্বাধীনতার চেতনা এবং আমাদের বিজয়ের গৌরবগাঁথা ইতিহাস তরুণ প্রজন্মকে জানতে দেওয়া হয়নি। আমাদের সৌভাগ্য আজ বঙ্গবন্ধুর সেই অসমাপ্ত স্বপ্ন পূরণের জন্য তাঁরই কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর সেই বিকেন্দ্রীকরণ অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রযুক্তিকে মূল হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আয়োজনে মহান বিজয় দিবস ২০২০ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় জুনাইদ আহমেদ পলক  এ কথা বলেন।