দেশের ১১ কোটি মানুষ ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৩ পৌষ (২৮ ডিসেম্বর) :

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মদ পলক বলেছেন, দেশের ১১ কোটি মানুষ বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত। ১০ লাখ তরুণ-তরুণী যারা ফ্রিল্যান্সিং, সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট, আউটসোর্সিংসহ আইটি সেক্টরের সাথে যুক্ত রয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ সফলভাবে বাস্তবায়ন না হলে এটি সম্ভব হতো না। তিনি বলেন, আইসিটি খাতে বিগত ১২ বছরে ১০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া কোভিড-১৯ মহামারিতেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, আদালত ও সরবরাহ ব্যবস্থা এমনকি বিচারিক কাজ সচল রাখা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি জানান।

প্রতিমন্ত্রী আজ বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির উদ্যোগে “উইটসা অ্যাওয়ার্ড সেলিব্রেশন ২০২০” উদ্যাপন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে কম্পিউটারকে সাধারণ মানুষের নিকট সহজলভ্য করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কম্পিউটারের ওপর থেকে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করেছেন। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের সকল শ্রেনির সাধারণ মানুষের সন্তানরা কম্পিউটার ব্যবহার করার সুযোগ পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা গত ১২ বছরের প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পেরেছি। আমাদের নগদের মতো মোবাইল ফাইনালশিয়াল ওয়ালেট তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে বিদেশি কোন উদ্ভাবকের প্রয়োজন হয়নি। আমাদের দেশীয় উদ্যোক্তারাই এরকম বহু সমস্যা সমাধান করেছে। তিনি বলেন, ডব্লিউসিআইটি পুরস্কার আগামী দিনে নতুন নতুন উদ্যোক্তাদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মো. শাহিদ-উল-মুনীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে উইটসার চেয়ারম্যান মি. ইয়ানিস সিরোস, উইটসার মহাসচিব ড. জেমস এইচ. পয়সান্ট, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতীম দেব।

উল্লেখ্য, তথ্যপ্রযুক্তির অলিম্পিক খ্যাত ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অভ্ আইটি, ডব্লিউসিআইটি ২০২০ এ ‘উইটসা আইসিটি এক্সসিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’এর ৯টি বিভাগের মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে বাংলাদেশ ছয়টি প্রকল্প এ পুরস্কার অর্জন করে। প্রকল্প সমূহ হচ্ছে- বিজয় ডিজিটাল, ইনোভেশন ডিজাইন এন্ড এন্টারপ্রেনিয়ারশিপ একাডেমি (আইডিয়া) প্রকল্প, মাই হেলফ, নগদ, প্রিজম ইআরপি, যৌথভাবে সিনেসিস আইটি ও এটুআই।