স্টাফ রিপোর্টারঃ-

গৌরনদীতে ছাত্রলীগের হামলায় আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান লাঞ্ছিতর অভিযোগহ পাওয়া গেছে।

সাবেক সহ-সভাপতি নুর আলম সেরনিয়াবাদকে লাঞ্চিত করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ও মাগুরা-মাদারীপুর গ্রামের বাসিন্দা মহব্বত আলী হাওলাদার জানান, গত ২৬ আগষ্ট স্থানীয় বাকাই বাজারে ইউপি চেয়ারম্যান নুর আলম সেরনিয়াবাতসহ স্থানীয় গন্যমান্যদের উপস্থিতিতে এক সালিশ বৈঠক বসে। ওই সালিশ বৈঠকে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান নুর আলম সেরনিয়াবাত লাঞ্চিত করেন।
ওই ঘটনার জের ধরে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মহব্বত আলীর ভাতিজা ১নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি হায়দার আলী হাওলাদার, ছাত্রলীগ নেতা বেল্লাল হোসেন হাওলাদার ও যুবলীগ নেতা ইদ্রিস আলীর নেতৃত্বে ৫০-৬০ জনের একটি দল খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে হামলা চালায়। এসময় চেয়ারম্যান নূর আলমকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে বিক্ষুব্ধরা কয়েকবার মারধর করতে যায়।

ঘটনার সময় চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে উপস্থিত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মতলেব মাতুব্বর ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা সেরনিয়াবাতসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ নাজেহালের বিষয়টি মিমাংসার আশ্বাস দিলে বিক্ষুব্ধরা শান্ত হয়।

ছাত্রলীগ নেতা বেল্লাল হোসেন হাওলাদার বলেন, আমাদের এলাকার মুরুব্বি ও আমার কাকা মহব্বত আলী হাওলাদারকে নাজেহাল করার প্রতিবাদে আমরা সকালে চেয়ারম্যানের কাছে বিষয়টি জানতে গিয়েছিলাম। এ সময় চেয়ারম্যানের সাথে আমাদের বাকবিতান্ডা হয়েছে। বিষয়টি মিমাংসার আশ্বাস দিলে আমারা ফিরে আসি।
খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি নুর আলম সেরনিয়াবাত এ ব্যাপারে মুঠো ফোনে বলেন, কয়েকদিন পূর্বে সাবেক ইউপি সদস্য মহব্বত আলী হাওলাদারের সাথে দুষ্টামি করেছি মাত্র। ওই ঘটনার ৭দিন পর আজ (মঙ্গলবার) সকালে তার আত্মীয় স্বজন আমার কার্যালয়ে এসে এ নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।