করোনা ভ্যাকসিনের জন্য এক হাজার কোটি টাকা  আগাম বরাদ্দ দিয়ে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

বিরল (দিনাজপুর), ৬ অগ্রহায়ণ (২১ নভেম্বর) :

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্‌মুদ চৌধুরী বলেছেন, করোনা মোকাবিলায় আমেরিকাইউরোপ যেখানে ব্যর্থ হয়েছে, বাংলাদেশ করোনা মোকাবিলায় সফলতার পরিচয় দিয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ যেন আগেভাগে করোনার ভ্যাকসিন পায় সেজন্য এক হাজার কোটি টাকা আগাম বরাদ্দ দিয়ে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


প্রতিমন্ত্রী আজ দিনাজপুরের বিরল উপজেলার বিজোড়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ‘ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য গৃহ নির্মাণ’ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও সুধী সমাবেশে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমেরিকা যখন ব্যর্থ হয়েছে, তাদের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কীভাবে প্রভাব ফেলেছে আপনারা দেখেছেন। এ ব্যর্থতার কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজয় বরণ করতে হয়েছে। ইউরোপের দেশে দেশে তারা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখনো বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের জনগণ মৃত্যুর মুখোমুখি হয়নি। জেলা উপজেলায় করোনা চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।


খালিদ মাহ্‌মুদ চৌধুরী বলেন
, শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়ার ক্ষেত্রে যখন জার্মানি ও ইতালি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। তখন বাংলাদেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এটাই মানবিক বাংলাদেশ; প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিকতা।

এর আগে বিরল উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত রবি মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা ও পুনবার্সন কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পঁচাত্তর সালের পরে প্রথমবারের মতো ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের কৃষকদের জন্য এবং কৃষির জন্য ভর্তুকি দিয়েছিলেন শেখ হাসিনার সরকার।’


খালিদ মাহ্‌মুদ চৌধুরী বলেন
, শেখ হাসিনার সরকারকে যখন বিশ্বব্যাংক বাধা দিয়েছিল কৃষিতে এই ভর্তুকি দেয়া যাবে না, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখন বলেছিলেন, ‘বিশ্বব্যাংকের কথায় বাংলাদেশ চলবে না। বাংলাদেশ চলবে বাংলাদেশের মানুষের জন্য যেটা ভালো হয় সেইভাবেই বাংলাদেশ চলবে।’ তিনি বলেন, ‘৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত কৃষকদেরকে সার বীজ কীটনাশকের জন্য যুদ্ধ করতে হয় নাই। কৃষকদের সার বীজ কীটনাশকের জন্য কৃষিপণ্য নষ্ট করতে হয় নাই। বর্তমানে ২৪ টাকার সার ১৬ টাকায় করে দেওয়া হয়েছে।’