করোনাকে লকডাউন করতে হবে: চসিক প্রশাসক
চট্টগ্রাম, ৬ অগ্রহায়ণ (২১ নভেম্বর) :
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন-চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন বলেছেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষকে কষ্ট দিয়ে লকডাউন করে গৃহবন্দী রাখতে চান না। তাঁর এ ইচ্ছে ও আকাঙ্খা বাস্তবায়নে কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে মাঠে নেমেছি। আমরা মানুষকে নয়, করোনাকে লকডাউন করতে চাই।
তিনি আজ নগরীর কর্ণেল হাটে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় নাগরিক সচেতনতামূলক অভিযানে এসব কথা বলেন।
প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৩১ দফা নির্দেশনাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, সকল কিছু জীবানুমুক্ত করা এবং বাইরে চলাফেরায় মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে হবে। এভাবে করোনাকে লকডাউন করে সকলের মুক্তি ও করোনার বিরুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে।
তিনি বলেন, নিজে মাস্ক পরতে হবে, অন্যকে পরাতে ভূমিকা রাখতে হবে। মাস্ক ছাড়া কোন ব্যক্তি বাজারে ঢুকলে তাকে এড়িয়ে চলতে হবে। গণপরিবহনে মাস্ক ছাড়া কোন যাত্রী তোলা যাবে না। ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’ এ ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেবা দাতা ও গ্রহীতাকে অবশ্য মাস্ক পরতে হবে।
তিনি হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, মানুষ যদি বেপরোয়া হয় তাহলে নিজেরাই নিজেদের দুঃখ ডেকে আনবে। কোভিড-১৯ একটি ছোঁয়াছে রোগ, একজন থেকে অন্য জনের কাছে সংক্রমিত হয়। একজন অসচেতন ব্যক্তি দশ জনের মহাবিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। তাই অসচেতন ব্যক্তিকে সচেতন করা সামাজিক দায়িত্ব।
সচেতনতামূলক এ প্রচার অভিযানকালে তিনি কর্নেল হাট এলাকায় বহু বিপনীকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় কিছু অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার নির্দেশনা দেন।
পরে তিনি উত্তর কাট্টলী বিশ্বাস পাড়া যান এবং রাস্তার উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন। প্রশাসক রাস্তার কাজ বিলম্ব হওয়ার কারন জানতে চান। কাজের গতির শ্লথতায় অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি কাজের গুণগত মান অক্ষুন্ন রেখে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেন। ফেরারপথে তিনি চসিক মোস্তফা হাকিম হাসপাতালও পরিদর্শন করেন। এছাড়া তিনি কাট্টলী ওয়ার্ডের কয়েকটি নির্মাণাধীন কালভাটের কাজ পরিদর্শন করেন।
উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর প্রফেসর ড. নেছার উদ্দিন আহমদ মঞ্জু, সমাজ সেবক আলী আজগর চৌধুরী, সফিউল আলম চৌধুরী, আলাউদ্দিন আহমদ চৌধুরী, মহিউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, আবু তাহের চৌধুরী, সাইফুদ্দিন আহমদ সাকী, মোঃ নুরুদ্দীন চৌধুরী, চসিকের অতিরিক্ত প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোঃ মোর্শেদুল আলম চৌধুরী, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রনব শর্মা এসময় উপস্থিত ছিলেন।